ময়মনসিংহ , শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কালীগঞ্জে সামান্য বৃষ্টিতেই জলবন্দী শত শত পরিবার, দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বছরজুড়ে মানুষ বলছে আর কখনো বিএনপিকে ভোট দেব না বলে মন্তব্য করেছেন অলি আহমদ শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে পূর্বধলায় বর্ণাঢ্য মঙ্গল শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অবহেলিত কন্যা শিশু আয়শা সিদ্দিকার সফল হার্ট অপারেশন, বাড়িতে ফিরেছে সুস্থতার পথে ময়মনসিংহে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুস্ঠিত আগামী ২০২৭ সালের বিশ্ব ইজতেমার সূচি প্রকাশ: দুই পর্বের তারিখ ঘোষণা করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কেউ অভিযোগ করতে পারে নি মাদ্রাসার ছাত্ররা ড্রাগ সেবন করে জানিয়েছেন জামায়াত আমির দুই সপ্তাহের মধ্যে বিদ্যুৎ-জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হবে: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রামে ১১ টন রাসায়নিক সার জব্দ, আটক ৩ সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজন ভুলে নাগরিক পরিচয়কে বড় করে দেখার আহ্বান প্রধানন্ত্রীর
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আর মাত্র ৩ দিন পরেই ১০টির বেশি সিম বন্ধ হয়ে যাবে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৭৮ বার পড়া হয়েছে

একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০টি সিম নিবন্ধনের নিয়ম এবার কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩০ অক্টোবরের পর কোনো এনআইডিতে ১০টির বেশি সিম নিবন্ধিত থাকলে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

বিটিআরসি সম্প্রতি জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রাহকরা তাদের পছন্দমতো সর্বোচ্চ ১০টি সিম রেখে অতিরিক্ত সিমগুলো সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে ডি-রেজিস্টার বা মালিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন। সময়সীমা শেষে কমিশন দৈবচয়নের (র‍্যান্ডম সিলেকশন) মাধ্যমে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করবে।

এছাড়া, গ্রাহকরা সহজেই জানতে পারবেন তাদের এনআইডিতে কতটি সিম নিবন্ধিত আছে। এজন্য যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে *16001# ডায়াল করে এনআইডির শেষ চারটি সংখ্যা পাঠালেই সংশ্লিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, অবৈধ সিম ব্যবহার, প্রতারণা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিশনের ভাষ্য, সঠিক মালিকানা নিশ্চিত করতে ও সিম নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করতে গ্রাহকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিটিআরসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে সক্রিয় মোবাইল সিমের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬২ লাখ। অথচ প্রকৃত মোবাইল গ্রাহক মাত্র ৬ কোটি ৭৫ লাখ। এর মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি গ্রাহকের নামে ৫টির কম সিম রয়েছে, প্রায় ১৬ শতাংশ গ্রাহকের নামে ৬ থেকে ১০টি সিম, আর মাত্র ৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ১১টির বেশি সিম ব্যবহার করছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কালীগঞ্জে সামান্য বৃষ্টিতেই জলবন্দী শত শত পরিবার, দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বছরজুড়ে

আর মাত্র ৩ দিন পরেই ১০টির বেশি সিম বন্ধ হয়ে যাবে

আপডেট সময় ১০:০৫:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) বিপরীতে সর্বোচ্চ ১০টি সিম নিবন্ধনের নিয়ম এবার কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩০ অক্টোবরের পর কোনো এনআইডিতে ১০টির বেশি সিম নিবন্ধিত থাকলে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ করে দেওয়া হবে।

বিটিআরসি সম্প্রতি জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে গ্রাহকরা তাদের পছন্দমতো সর্বোচ্চ ১০টি সিম রেখে অতিরিক্ত সিমগুলো সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে ডি-রেজিস্টার বা মালিকানা পরিবর্তন করতে পারবেন। সময়সীমা শেষে কমিশন দৈবচয়নের (র‍্যান্ডম সিলেকশন) মাধ্যমে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করবে।

এছাড়া, গ্রাহকরা সহজেই জানতে পারবেন তাদের এনআইডিতে কতটি সিম নিবন্ধিত আছে। এজন্য যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে *16001# ডায়াল করে এনআইডির শেষ চারটি সংখ্যা পাঠালেই সংশ্লিষ্ট তথ্য পাওয়া যাবে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, অবৈধ সিম ব্যবহার, প্রতারণা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিশনের ভাষ্য, সঠিক মালিকানা নিশ্চিত করতে ও সিম নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করতে গ্রাহকদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিটিআরসির সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে সক্রিয় মোবাইল সিমের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬২ লাখ। অথচ প্রকৃত মোবাইল গ্রাহক মাত্র ৬ কোটি ৭৫ লাখ। এর মধ্যে ৮০ শতাংশের বেশি গ্রাহকের নামে ৫টির কম সিম রয়েছে, প্রায় ১৬ শতাংশ গ্রাহকের নামে ৬ থেকে ১০টি সিম, আর মাত্র ৩ শতাংশ ব্যবহারকারী ১১টির বেশি সিম ব্যবহার করছেন।