ময়মনসিংহ , রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১/১১ তে তারেক রহমানকে ‘আয়নাঘরে’ বন্দি রাখা হয়েছিল বললেন চিফ প্রসিকিউটর গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে প্রথম বেইমানি করেন জামায়াত আমির বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন সরকারের কাজে কোনো গাফিলতি হলে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বলেছেন রিজভী মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ৪০ হাজার ইয়াবাসহ যুবক আটক সামাজিক অপরাধ প্রতিরোধে কেন্দুয়ায় আলোচনা সভা: সবাইকে নিয়ে নিরাপদ সমাজ গড়ার আহ্বান নেত্রকোনায় অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক একটি চিঠিই বদলে দিল ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থী অনুশ্রী রায়ের জীবনের শাস্তির বদলে সাভারের ওসি পদে মেহেরপুরের সাবেক কর্মকর্তা, ক্ষোভে ফেটে পড়েছে মেহেরপুরবাসী দিনাজপুর পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের হীরক জয়ন্তী: পুনর্মিলনী নিবন্ধনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন পূর্বধলায় কেন্দ্রীয় মন্দিরের ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা: পরিচিতি সভায় দায়িত্ব হস্তান্তর
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ট্রাম্প ইরানে হত্যাকাণ্ড বন্ধের আশ্বাসে সুর নরম করলেন

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন ও পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বন্ধ করা হয়েছে মর্মে আশ্বস্ত হওয়ার পর তেহরানের প্রতি নিজের কঠোর অবস্থানে কিছুটা নমনীয় হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, ইরানের একটি ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র’ তাকে নিশ্চিত করেছে যে বর্তমানে সেখানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হচ্ছে না এবং পূর্বনির্ধারিত ফাঁসিগুলো স্থগিত করা হয়েছে।

সংকটের এই মুহূর্তে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করেছেন যে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তেহরানের নেই। আরাঘচি বলেন, ‘ফাঁসি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’

ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত একটি দীর্ঘমেয়াদী সামরিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়া থেকে নিজেকে বাঁচানোর একটি ‘সম্মানজনক পথ’ বা ফেস-সেভিং ওয়ে হতে পারে। সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির সিনা তুসি মনে করেন, ট্রাম্প বড় ধরনের যুদ্ধে জড়াতে অনিচ্ছুক হলেও নিজের প্রভাব বজায় রাখতে চান।

অন্যদিকে স্টিমসন সেন্টারের বারবারা স্লাভিন মনে করেন, ট্রাম্প হয়তো ইরানের ওপর সীমিত আকারে কোনো হামলা চালানোর কথা এখনো ভাবছেন, যাতে তিনি বিক্ষোভকারীদের দেওয়া সাহায্যের প্রতিশ্রুতি রক্ষার দাবি করতে পারেন। তবে আপাতত বড় ধরনের কোনো ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের সম্ভাবনা থেকে ওয়াশিংটন পিছিয়ে আসছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এর আগে ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র কাতারের বিমান ঘাঁটি থেকে তাদের কিছু কর্মী সরিয়ে নেয় এবং ইরানও তার প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক করেছিল যে, হামলা হলে তারা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানবে।

এই পাল্টাপাল্টি হুমকির মুখে আঞ্চলিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করায় বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছিল। তবে ইরানের পক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ড ও ফাঁসি বন্ধের প্রতিশ্রুতি এবং ট্রাম্পের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের মেঘ আপাতত কিছুটা কাটতে শুরু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১/১১ তে তারেক রহমানকে ‘আয়নাঘরে’ বন্দি রাখা হয়েছিল বললেন চিফ প্রসিকিউটর

ট্রাম্প ইরানে হত্যাকাণ্ড বন্ধের আশ্বাসে সুর নরম করলেন

আপডেট সময় ০৯:৫৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ওপর দমন-পীড়ন ও পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড কার্যকর বন্ধ করা হয়েছে মর্মে আশ্বস্ত হওয়ার পর তেহরানের প্রতি নিজের কঠোর অবস্থানে কিছুটা নমনীয় হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

গত বুধবার (১৪ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প জানান, ইরানের একটি ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র’ তাকে নিশ্চিত করেছে যে বর্তমানে সেখানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করা হচ্ছে না এবং পূর্বনির্ধারিত ফাঁসিগুলো স্থগিত করা হয়েছে।

সংকটের এই মুহূর্তে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করেছেন যে, সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি দেওয়ার কোনো পরিকল্পনা তেহরানের নেই। আরাঘচি বলেন, ‘ফাঁসি দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।’

ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের এই বক্তব্য মূলত একটি দীর্ঘমেয়াদী সামরিক দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়া থেকে নিজেকে বাঁচানোর একটি ‘সম্মানজনক পথ’ বা ফেস-সেভিং ওয়ে হতে পারে। সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল পলিসির সিনা তুসি মনে করেন, ট্রাম্প বড় ধরনের যুদ্ধে জড়াতে অনিচ্ছুক হলেও নিজের প্রভাব বজায় রাখতে চান।

অন্যদিকে স্টিমসন সেন্টারের বারবারা স্লাভিন মনে করেন, ট্রাম্প হয়তো ইরানের ওপর সীমিত আকারে কোনো হামলা চালানোর কথা এখনো ভাবছেন, যাতে তিনি বিক্ষোভকারীদের দেওয়া সাহায্যের প্রতিশ্রুতি রক্ষার দাবি করতে পারেন। তবে আপাতত বড় ধরনের কোনো ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের সম্ভাবনা থেকে ওয়াশিংটন পিছিয়ে আসছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এর আগে ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্র কাতারের বিমান ঘাঁটি থেকে তাদের কিছু কর্মী সরিয়ে নেয় এবং ইরানও তার প্রতিবেশী দেশগুলোকে সতর্ক করেছিল যে, হামলা হলে তারা মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে পাল্টা আঘাত হানবে।

এই পাল্টাপাল্টি হুমকির মুখে আঞ্চলিক উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করায় বেশ কয়েকটি দেশ তাদের নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি করেছিল। তবে ইরানের পক্ষ থেকে হত্যাকাণ্ড ও ফাঁসি বন্ধের প্রতিশ্রুতি এবং ট্রাম্পের ইতিবাচক প্রতিক্রিয়ার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে ঘনীভূত হওয়া যুদ্ধের মেঘ আপাতত কিছুটা কাটতে শুরু করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।