ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো বললেন রিজভী হামের টিকায় ডিএনসিসি সফল বলে মন্তব্য করেছেন প্রশাসক নেত্রকোণায় জেলা প্রশাসকের সাপ্তাহিক গণশুনানি অনুষ্ঠিত: তাৎক্ষণিক সেবা পেলেন ভুক্তভোগীরা আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী ​আন্তর্জাতিক যুব দিবস ২০২৬ উপলক্ষে পূর্বধলায় ‘স্বর্ণ সুধা যুব উন্নয়ন সমিতি’র বৃক্ষরোপণ ​অসুস্থ শিশু আব্দুল্লাহ’র উন্নত চিকিৎসার জন্য আকুল আবেদন সূর্যগ্রহণের সময় করণীয়: মহানবী (সা.)-এর সুন্নাহ ও বিশেষ আমলসমূহ নিষিদ্ধ হলেও ভারতীয়রা ভিপিএন ব্যবহার করে এখনো আমার গান শোনেন বললেন আতিফ আসলাম নেত্রকোণায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জনস্বার্থে জেলা প্রশাসনের বিশেষ মোবাইল কোর্ট অভিযান ট্রাফিক বিভাগের ৩১ পুলিশ সদস্যকে কেএমপি কমিশনারের পুরস্কার
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান: এই প্রথম চালু হলো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া!

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:১৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

দেশে প্রথমবারের মতো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম চালু হয়েছে। এখন থেকে পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ থাকা সাপেক্ষে একই পদে আবেদন করে বদলি হতে পারবেন শিক্ষকরা। এ লক্ষ্যে সরকার আগেই ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’ জারি করেছে। নীতিমালাটি বেসরকারি স্কুল–কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে প্রকাশ করবে। এরপর অনলাইনের মাধ্যমে বদলির আবেদন গ্রহণ করা হবে। প্রতিবছর সরকারি প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন, বদলির আদেশ জারি এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

প্রথম নিয়োগের পর টানা দুই বছর চাকরি করলে একজন শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর আবার আবেদন করতে হলেও সেখানে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকতে হবে। একজন শিক্ষক চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন।

বদলি নীতিমালা অনুসারে, আবেদনকারী শিক্ষক প্রথমে নিজ জেলার শূন্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য জেলার শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে। বিশেষ ক্ষেত্রে দেশের যে কোনো জেলা অথবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল-সংক্রান্ত জেলায় বদলির আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বদলি হতে পারবেন। তবে একই বিষয়ে একজনের বেশি শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। আবেদনকারী সর্বোচ্চ তিনটি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে পারবেন।

বদলির আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্ব থাকবে মাউশির মহাপরিচালকের ওপর এবং পুরো কার্যক্রম নির্ধারিত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। বদলি হওয়া শিক্ষকের এমপিও, আর্থিক সুবিধা ও জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে।

তবে বদলিকে অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না। বদলি হওয়া শিক্ষক টিএ-ডিএ ভাতা পাবেন না। আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান শিক্ষককে অবমুক্ত করবেন এবং অবমুক্তির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। যেসব শিক্ষক সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বা ফৌজদারি মামলা চলমান, তারা বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।

মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যত শূন্য পদ থাকবে, ততজন শিক্ষকই বদলির সুযোগ পাবেন। তবে আবেদন কেবল নীতিমালায় নির্ধারিত এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশে মারা যান আরাফাত রহমান কোকো বললেন রিজভী

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান: এই প্রথম চালু হলো এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি প্রক্রিয়া!

আপডেট সময় ১১:১৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

দেশে প্রথমবারের মতো বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম চালু হয়েছে। এখন থেকে পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ থাকা সাপেক্ষে একই পদে আবেদন করে বদলি হতে পারবেন শিক্ষকরা। এ লক্ষ্যে সরকার আগেই ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’ জারি করেছে। নীতিমালাটি বেসরকারি স্কুল–কলেজের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা নির্ধারিত সময়ে অনলাইনে প্রকাশ করবে। এরপর অনলাইনের মাধ্যমে বদলির আবেদন গ্রহণ করা হবে। প্রতিবছর সরকারি প্রজ্ঞাপনে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন, বদলির আদেশ জারি এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।

প্রথম নিয়োগের পর টানা দুই বছর চাকরি করলে একজন শিক্ষক বদলির আবেদন করতে পারবেন। বদলি হয়ে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের পর আবার আবেদন করতে হলেও সেখানে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত থাকতে হবে। একজন শিক্ষক চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন।

বদলি নীতিমালা অনুসারে, আবেদনকারী শিক্ষক প্রথমে নিজ জেলার শূন্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় শূন্য পদ না থাকলে নিজ বিভাগের অন্য জেলার শূন্য পদের বিপরীতে আবেদন করা যাবে। বিশেষ ক্ষেত্রে দেশের যে কোনো জেলা অথবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল-সংক্রান্ত জেলায় বদলির আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বদলি হতে পারবেন। তবে একই বিষয়ে একজনের বেশি শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। আবেদনকারী সর্বোচ্চ তিনটি কাঙ্ক্ষিত প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে পারবেন।

বদলির আবেদন নিষ্পত্তির দায়িত্ব থাকবে মাউশির মহাপরিচালকের ওপর এবং পুরো কার্যক্রম নির্ধারিত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হবে। বদলি হওয়া শিক্ষকের এমপিও, আর্থিক সুবিধা ও জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে।

তবে বদলিকে অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না। বদলি হওয়া শিক্ষক টিএ-ডিএ ভাতা পাবেন না। আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানপ্রধান শিক্ষককে অবমুক্ত করবেন এবং অবমুক্তির পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগ দিতে হবে। যেসব শিক্ষক সাময়িক বরখাস্তের আদেশ বা ফৌজদারি মামলা চলমান, তারা বদলির জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন না।

মাউশির এক কর্মকর্তা বলেন, ‘যত শূন্য পদ থাকবে, ততজন শিক্ষকই বদলির সুযোগ পাবেন। তবে আবেদন কেবল নীতিমালায় নির্ধারিত এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে।’