ময়মনসিংহ , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সেমিনার অনুষ্ঠিত উখিয়া সীমান্তে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল ২ কারবারি যুক্তিবাদী সমাজ গড়ে উঠলে অপসংস্কৃতি, ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কার দূর হবে বলেছেন এনডিএফ চেয়ারম্যান পূর্বধলায় সারাদেশের ন্যায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেছেন রিজভী আল্লাহর কাছে তো রেকর্ড হচ্ছেই, বান্দার কাছেও রেকর্ড হচ্ছে বললেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা দেশের সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বহাল ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী লোহাগাড়ায় দুই হাজার পিস ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুইজন গ্রেফতার সুনামগঞ্জে শতাধিক শিশুকে সাঁতার প্রশিক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নেত্রকোণার শ্রেষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা পূর্বধলার পুলিশ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান

​একটি ক্লু-লেস নবজাতক হত্যা মামলার রহস্য দ্রুত উদঘাটন ও আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো নেত্রকোণা জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন পূর্বধলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ  হাবিবুর রহমান, পিপিএম।

​মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নেত্রকোণা পুলিশ লাইন  অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বিগত জুলাই মাসের অপরাধ দমন, ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন এবং সার্বিক কার্যক্রমের মূল্যায়নের ভিত্তিতে তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে নেত্রকোণার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম তার হাতে সম্মাননা সনদ ও অর্থ পুরস্কার তুলে দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুন পূর্বধলা উপজেলার কালীহর নদী থেকে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি কালো রঙের শার্টে পেঁচানো এবং ইট দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ভেসেছিল। পুলিশ ময়নাতদন্তের পাশাপাশি পিতৃ ও মাতৃপরিচয় শনাক্তে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে এবং একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

​সম্পূর্ণ ক্লু-লেস এই মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন পরিদর্শক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় নিবিড় তদন্ত চালিয়ে অতি দ্রুততম সময়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করেন এবং ঘটনার মূল অভিযুক্ত মো. সাজন মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।

​অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও মামলার রহস্য উদঘাটনে বিশেষ ভূমিকার পাশাপাশি অপরাধ দমনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই পুরষ্কার দেওয়া হয়। এর আগে জুন মাসের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেও তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে ভূষিত হয়েছিলেন।​উক্ত সভায় নেত্রকোণা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জরা (ওসি)  উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সেমিনার অনুষ্ঠিত

নেত্রকোণার শ্রেষ্ঠ তদন্ত কর্মকর্তা পূর্বধলার পুলিশ পরিদর্শক হাবিবুর রহমান

আপডেট সময় ১১:৩৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

​একটি ক্লু-লেস নবজাতক হত্যা মামলার রহস্য দ্রুত উদঘাটন ও আসামিকে গ্রেপ্তারে বিশেষ ভূমিকা রাখায় টানা দ্বিতীয়বারের মতো নেত্রকোণা জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা নির্বাচিত হয়েছেন পূর্বধলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ  হাবিবুর রহমান, পিপিএম।

​মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) নেত্রকোণা পুলিশ লাইন  অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত মাসিক কল্যাণ ও অপরাধ পর্যালোচনা সভায় বিগত জুলাই মাসের অপরাধ দমন, ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন এবং সার্বিক কার্যক্রমের মূল্যায়নের ভিত্তিতে তাকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে নেত্রকোণার পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম তার হাতে সম্মাননা সনদ ও অর্থ পুরস্কার তুলে দেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুন পূর্বধলা উপজেলার কালীহর নদী থেকে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে এক নবজাতক কন্যাশিশুর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহটি কালো রঙের শার্টে পেঁচানো এবং ইট দিয়ে বাঁধা অবস্থায় ভেসেছিল। পুলিশ ময়নাতদন্তের পাশাপাশি পিতৃ ও মাতৃপরিচয় শনাক্তে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে এবং একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

​সম্পূর্ণ ক্লু-লেস এই মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করেন পরিদর্শক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশনায় নিবিড় তদন্ত চালিয়ে অতি দ্রুততম সময়ে তিনি হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করেন এবং ঘটনার মূল অভিযুক্ত মো. সাজন মিয়াকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।

​অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার ও মামলার রহস্য উদঘাটনে বিশেষ ভূমিকার পাশাপাশি অপরাধ দমনে সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই পুরষ্কার দেওয়া হয়। এর আগে জুন মাসের পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেও তিনি জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে ভূষিত হয়েছিলেন।​উক্ত সভায় নেত্রকোণা জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জরা (ওসি)  উপস্থিত ছিলেন।