ময়মনসিংহ , সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মিত্রদের সঙ্গে আজ প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ: দূরত্ব কমিয়ে সম্পর্ক ঝালাইয়ের লক্ষ্য জ্বালানি আমদানিতে ব্যয় প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার জানিয়েছেন জ্বালানিমন্ত্রী পূর্বধলায় রাতে হামিদ মিয়া নিখোঁজ, ভোরে পুকুরে মিলল মরদেহ ময়মনসিংহের গৌরীপুরে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনি সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠিত সারাদেশে টানা পাঁচ দিন ভারী বৃষ্টির শঙ্কা রাশেদ খাঁন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পেলেন ​ইউরো জয়: স্পেনের সাফল্যে উদযাপনে শাকিব-বুবলী-অপু ​আইএলও মহাপরিচালকের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেল রুট: মাত্র পাঁচ দিনে প্রায় ১ কোটি টাকা লোকসান হরমুজ সংকটে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামের ঊর্ধ্বগতি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পাবনার ফরিদপুরে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন

পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় ২৯ ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বাতাসে দোল খাচ্ছে ২৯ ধান উত্তরের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ধান আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঘরে তোলা সম্ভব হবে বলে কৃষকেরা জানিয়েছেন। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃষকদের ধান কাটা কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে। যথাসময়ে সেচ, বীজ ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় ও সময়মত বৃষ্টি হওয়ায় চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানান কৃষকেরা।

সরেজমিনে ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজের মধ্যে সোনালী ধান। মাঠের পর মাঠ বাতাসে দোল খাচ্ছে এ সব ধানের ক্ষেত। আর এ দোলায় লুকিয়ে আছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। ইতোমধ্যে পাবনা জেলার ফরিদপুরে অনেক এলাকায় শুরু হয়েছে ২৯ ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। ২৯ ধান ঘরে তোলা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা ও কৃষাণীরা। অনেকেই মাঠেই ধান শুকিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার ধান সিদ্ধ ও গরুর খড়ের জন্য কাঁচা ধানের খড় শুকাচ্ছেন। ধান চাষীদের বাড়িতে বাড়িতে চলছে উৎসবের আমেজ।

লাভ বেশি পাওয়ায় দিন দিন পাবনার কৃষকেরা ২৯ ধানের আবাদের দিকে ঝুঁকছেন। ফরিদপুর উপজেলার খলিশাদহ গ্রামের কৃষক শ্রী কালা চাঁদ সরকারসহ বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবাদ করতে শ্রমিক, সেচ, সার, কীটনাশক, ধান কাটা ও মাড়াই বাবদ খরচ হয় ৮/৯ হাজার টাকা। তাঁরা জানান, চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে এ বছর প্রায় ২৮ থেকে ৩০ মন ধান উৎপাদন হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। তবে এ বছর সবচেয়ে বেশি ফলন হবে ২৯ জাতের ধানে। বর্তমানে প্রতি মণ ধানের বাজার মূল্য ধানভেদে ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা। তাদের দাবি তাঁরা যেন এবার ধানের ন্যায্য মূল্য পান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিত্রদের সঙ্গে আজ প্রধানমন্ত্রীর নৈশভোজ: দূরত্ব কমিয়ে সম্পর্ক ঝালাইয়ের লক্ষ্য

পাবনার ফরিদপুরে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন

আপডেট সময় ১০:১৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় ২৯ ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে বাতাসে দোল খাচ্ছে ২৯ ধান উত্তরের শস্য ভাণ্ডার খ্যাত পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে ৬০ শতাংশ ধান কাটা সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ধান আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ঘরে তোলা সম্ভব হবে বলে কৃষকেরা জানিয়েছেন। তবে ঘূর্ণিঝড়ের কারণে ভারি বৃষ্টিপাত হওয়ায় কৃষকদের ধান কাটা কিছুটা বিঘ্নিত হচ্ছে। যথাসময়ে সেচ, বীজ ও সারের পর্যাপ্ত সরবরাহ এবং অনুকূল আবহাওয়া বিরাজ করায় ও সময়মত বৃষ্টি হওয়ায় চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানান কৃষকেরা।

সরেজমিনে ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে সবুজের মধ্যে সোনালী ধান। মাঠের পর মাঠ বাতাসে দোল খাচ্ছে এ সব ধানের ক্ষেত। আর এ দোলায় লুকিয়ে আছে কৃষকের রঙিন স্বপ্ন। ইতোমধ্যে পাবনা জেলার ফরিদপুরে অনেক এলাকায় শুরু হয়েছে ২৯ ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ। ২৯ ধান ঘরে তোলা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা ও কৃষাণীরা। অনেকেই মাঠেই ধান শুকিয়ে নিচ্ছেন। কেউ কেউ আবার ধান সিদ্ধ ও গরুর খড়ের জন্য কাঁচা ধানের খড় শুকাচ্ছেন। ধান চাষীদের বাড়িতে বাড়িতে চলছে উৎসবের আমেজ।

লাভ বেশি পাওয়ায় দিন দিন পাবনার কৃষকেরা ২৯ ধানের আবাদের দিকে ঝুঁকছেন। ফরিদপুর উপজেলার খলিশাদহ গ্রামের কৃষক শ্রী কালা চাঁদ সরকারসহ বিভিন্ন গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, আবাদ করতে শ্রমিক, সেচ, সার, কীটনাশক, ধান কাটা ও মাড়াই বাবদ খরচ হয় ৮/৯ হাজার টাকা। তাঁরা জানান, চলতি মৌসুমে ২৯ ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রতি বিঘা জমিতে এ বছর প্রায় ২৮ থেকে ৩০ মন ধান উৎপাদন হবে বলে তাঁরা আশা করছেন। তবে এ বছর সবচেয়ে বেশি ফলন হবে ২৯ জাতের ধানে। বর্তমানে প্রতি মণ ধানের বাজার মূল্য ধানভেদে ৯০০ থেকে ১১০০ টাকা। তাদের দাবি তাঁরা যেন এবার ধানের ন্যায্য মূল্য পান।