ময়মনসিংহ , শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সেমিনার অনুষ্ঠিত উখিয়া সীমান্তে ১ লাখ পিস ইয়াবা উদ্ধার, পালিয়ে গেল ২ কারবারি যুক্তিবাদী সমাজ গড়ে উঠলে অপসংস্কৃতি, ধর্মান্ধতা ও কুসংস্কার দূর হবে বলেছেন এনডিএফ চেয়ারম্যান পূর্বধলায় সারাদেশের ন্যায় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের শুভ উদ্বোধন নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে বলেছেন রিজভী আল্লাহর কাছে তো রেকর্ড হচ্ছেই, বান্দার কাছেও রেকর্ড হচ্ছে বললেন সাবেক ধর্ম উপদেষ্টা দেশের সব সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত বহাল ডেঙ্গু সমস্যা সমাধানে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী লোহাগাড়ায় দুই হাজার পিস ইয়াবা ও আগ্নেয়াস্ত্রসহ দুইজন গ্রেফতার সুনামগঞ্জে শতাধিক শিশুকে সাঁতার প্রশিক্ষণ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বিদেশফেরত যাত্রীরা বিনা শুল্কে ১টি নতুন ও ২টি ব্যবহৃত মুঠোফোন আনতে পারবেন

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে

‘অপর্যটক ব্যাগেজ রুলস’ অনুসারে, বিদেশফেরত একজন যাত্রী বিনা শুল্কে মোট তিনটি মুঠোফোন আনতে পারবেন, যার মধ্যে একটি নতুন এবং দুটি ব্যবহৃত হতে পারবে। অর্থাৎ, নিজের ব্যবহারের জন্য দুটি ব্যবহৃত ফোনের পাশাপাশি একটি নতুন ফোন আনা যাবে।

এর চেয়ে বেশি নতুন ফোন আনা হলে যাত্রীকে শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হবে, যার সর্বোচ্চ পরিমাণ হলো ২৫ হাজার টাকা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক বিভাগ সূত্র অনুযায়ী, কোনো যাত্রী যদি একটির বেশি নতুন মুঠোফোন নিয়ে আসেন, তবে দামের ভিত্তিতে তাকে বাড়তি শুল্ক-কর দিতে হবে।

৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের মুঠোফোনে শুল্ক-কর দিতে হবে ৫ হাজার টাকা। মুঠোফোনের দাম ৩০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা হলে শুল্ক-কর দিতে হবে ১০ হাজার টাকা। আর মুঠোফোনের মূল্য ৬০ হাজার টাকার বেশি হলে শুল্ক-কর দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা।

ব্যাগেজ রুলস অনুসারে, মুঠোফোন ছাড়াও সব মিলিয়ে ১৯ ধরনের পণ্য বিনা শুল্কে এবং ১১ ধরনের পণ্য শুল্ক-কর পরিশোধ করে আনা যায়। বিনা শুল্কে আনা যাবে এমন পণ্যের তালিকায় আছে—১৫ বর্গমিটার আয়তনবিশিষ্ট কার্পেট, ২৯ ইঞ্চি পর্যন্ত টেলিভিশন, ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ, কম্পিউটার স্ক্যানার, প্রিন্টার, ভিডিও ক্যামেরা, স্টিল বা ডিজিটাল ক্যামেরা, ওভেন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন, বিভিন্ন গৃহস্থালি সরঞ্জাম (রাইস কুকার, প্রেসার কুকার, গ্যাস ওভেন ইত্যাদি), সেলাই মেশিন, টেবিল ফ্যান, ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য খেলার সামগ্রী, ১০০ গ্রাম ওজনের সোনার গয়না, এক কার্টন সিগারেট এবং সিডি ও স্পিকারসহ মিউজিক সিস্টেম।

অন্যদিকে, শুল্ক-কর পরিশোধ করে যে ১১ ধরনের পণ্য আনা যায়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—১১৭ গ্রাম ওজনের স্বর্ণবার (এ জন্য ৪০ হাজার টাকা শুল্ক-কর দিতে হবে), ২৩৪ গ্রাম বা ২০ তোলা রৌপ্যবার, ৩০ ইঞ্চি ও তদূর্ধ্ব টেলিভিশন, হোম থিয়েটার, রেফ্রিজারেটর ও ডিপ ফ্রিজার, এয়ারকন্ডিশনার, ডিশ অ্যানটেনা, এইচডি ক্যামেরা, ঝাড়বাতি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে এয়ারগান এবং ডিশওয়াশার বা ওয়াশিং মেশিন বা ক্লথ ড্রায়ার। এসব পণ্যে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতি-মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে সেমিনার অনুষ্ঠিত

বিদেশফেরত যাত্রীরা বিনা শুল্কে ১টি নতুন ও ২টি ব্যবহৃত মুঠোফোন আনতে পারবেন

আপডেট সময় ০৯:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

‘অপর্যটক ব্যাগেজ রুলস’ অনুসারে, বিদেশফেরত একজন যাত্রী বিনা শুল্কে মোট তিনটি মুঠোফোন আনতে পারবেন, যার মধ্যে একটি নতুন এবং দুটি ব্যবহৃত হতে পারবে। অর্থাৎ, নিজের ব্যবহারের জন্য দুটি ব্যবহৃত ফোনের পাশাপাশি একটি নতুন ফোন আনা যাবে।

এর চেয়ে বেশি নতুন ফোন আনা হলে যাত্রীকে শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হবে, যার সর্বোচ্চ পরিমাণ হলো ২৫ হাজার টাকা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক বিভাগ সূত্র অনুযায়ী, কোনো যাত্রী যদি একটির বেশি নতুন মুঠোফোন নিয়ে আসেন, তবে দামের ভিত্তিতে তাকে বাড়তি শুল্ক-কর দিতে হবে।

৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের মুঠোফোনে শুল্ক-কর দিতে হবে ৫ হাজার টাকা। মুঠোফোনের দাম ৩০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা হলে শুল্ক-কর দিতে হবে ১০ হাজার টাকা। আর মুঠোফোনের মূল্য ৬০ হাজার টাকার বেশি হলে শুল্ক-কর দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা।

ব্যাগেজ রুলস অনুসারে, মুঠোফোন ছাড়াও সব মিলিয়ে ১৯ ধরনের পণ্য বিনা শুল্কে এবং ১১ ধরনের পণ্য শুল্ক-কর পরিশোধ করে আনা যায়। বিনা শুল্কে আনা যাবে এমন পণ্যের তালিকায় আছে—১৫ বর্গমিটার আয়তনবিশিষ্ট কার্পেট, ২৯ ইঞ্চি পর্যন্ত টেলিভিশন, ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ, কম্পিউটার স্ক্যানার, প্রিন্টার, ভিডিও ক্যামেরা, স্টিল বা ডিজিটাল ক্যামেরা, ওভেন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন, বিভিন্ন গৃহস্থালি সরঞ্জাম (রাইস কুকার, প্রেসার কুকার, গ্যাস ওভেন ইত্যাদি), সেলাই মেশিন, টেবিল ফ্যান, ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য খেলার সামগ্রী, ১০০ গ্রাম ওজনের সোনার গয়না, এক কার্টন সিগারেট এবং সিডি ও স্পিকারসহ মিউজিক সিস্টেম।

অন্যদিকে, শুল্ক-কর পরিশোধ করে যে ১১ ধরনের পণ্য আনা যায়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—১১৭ গ্রাম ওজনের স্বর্ণবার (এ জন্য ৪০ হাজার টাকা শুল্ক-কর দিতে হবে), ২৩৪ গ্রাম বা ২০ তোলা রৌপ্যবার, ৩০ ইঞ্চি ও তদূর্ধ্ব টেলিভিশন, হোম থিয়েটার, রেফ্রিজারেটর ও ডিপ ফ্রিজার, এয়ারকন্ডিশনার, ডিশ অ্যানটেনা, এইচডি ক্যামেরা, ঝাড়বাতি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে এয়ারগান এবং ডিশওয়াশার বা ওয়াশিং মেশিন বা ক্লথ ড্রায়ার। এসব পণ্যে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হয়।