ময়মনসিংহ , সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আটঘরিয়া উপজেলার নামকরণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস নেত্রকোণার মদনে বিদ্যালয় ভবন রক্ষা প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, তদন্তের নির্দেশ ডিসির পূর্বধলার ঘাগড়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে আলোচনায় হাফেজ শফিউল আলম শামীম চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিন উন্নয়ন প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকদের মধ্যে অধিগ্রহণের চেক বিতরণ করা হয়েছে কাঁঠালিয়ায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৪৭ পূজামণ্ডপে চাল বিতরণ বিরামপুরে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবসে র্যালি ও আলোচনা সভা হারানো বিজ্ঞপ্তি ট্যুরিস্ট ক্লাব অব সিলেটের পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন ইউজিসি সদস্যের বাউবির রংপুর আঞ্চলিক কেন্দ্র পরিদর্শন, কর্মকর্তা—কর্মচারীদের সঙ্গে মতবিনিময় পঞ্চগড়ে গোপন ভিডিও দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

৫টা বিয়ে, ১২টা প্রেমের পরেও নিঃসঙ্গ মৃত্যু বলিউডের দুর্ধর্ষ ভিলেন

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৩২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ২০৩ বার পড়া হয়েছে

বলিউডের একসময়ের আলোচিত অভিনেতা মহেশ আনন্দ। ১৯৮০ ও ৯০–এর দশকে বড় পর্দায় যতটা দুর্ধর্ষতা দেখিয়েছেন এ খলনায়ক। বাস্তব জীবনে ততটাই নিঃসঙ্গ ছিলেন তিনি। 

ব্যক্তিজীবনের টানাপোড়েন, ব্যর্থ বিয়ে আর অবসাদে ভরা শেষ জীবন—সব মিলিয়ে তার গল্প যেন সিনেমাকেও হার মানায়।

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে যেন সব আলো নিভে যায়। বলিউডে শত শত ছবিতে কাজ করেও জীবনের শেষ দিকে তিনি নিদারুণ দারিদ্র্য আর একাকিত্বে ভুগছিলেন।

নিজের ফেসবুকে তিনি একবার লিখেছিলেন, ‘আমার বন্ধুরা বলে আমি মদ্যপ। আমার কোনো পরিবার নেই। সৎভাই আমাকে ৬ কোটি রুপি প্রতারণা করে নিয়ে গেছে। আমি ৩০০–এর বেশি সিনেমায় কাজ করেছি, কিন্তু এখন পানির বোতল কেনারও টাকা নেই। পৃথিবীতে আমার কোনো বন্ধু নেই। খুব কষ্ট লাগে।’

কারাতে ব্ল্যাক বেল্টধারী মহেশ প্রথমে মডেলিং ও নাচের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮২ সালের ‘সনম তেরি কসম’ ছবির শিরোনাম গানে ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সার হিসেবে তাকে দেখা যায়। ১৯৮৪ সালে ‘করিশমা’ দিয়ে অভিনয়ে পা রাখলেও প্রথম দিকে তার কাজ তেমন নজর কাড়েনি। ‘শাহেনশাহ’ই তাকে আলোচনায় আনে।
এরপর তিনি অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে ‘গঙ্গা যমুনা সরস্বতী’ ও ‘তুফান’-এ অভিনয় করেন। প্রায় ৩০০ বেশি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি, যার মধ্যে আছেন সঞ্জয় দত্ত, গোবিন্দ, অক্ষয় কুমার, সালমান খান, সানি দেওল, শশী কাপুরসহ অনেক তারকা।

সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে ছিল গভীর ব্যক্তিগত অস্থিরতা। মহেশ আনন্দের পাঁচটি বিয়ে ও অন্তত এক ডজন প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়।

তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী রীনা রায়ের বোন বরখা রায়। বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি বিয়ে করেন সাবেক মিস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল এরিকা মারিয়া ডি’সুজাকে, যার সঙ্গে তার এক পুত্রসন্তান রয়েছে। এরপর ১৯৯৯ সালে তিনি বিয়ে করেন মধু মালহোত্রাকে। চতুর্থ বিয়ে ছিল অভিনেত্রী ঊষা বচ্চনির সঙ্গে, যা বিচ্ছেদে গিয়ে শেষ হয়। শেষ জীবনে তিনি বিয়ে করেন এক রুশ নারী, লানাকে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আটঘরিয়া উপজেলার নামকরণের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

৫টা বিয়ে, ১২টা প্রেমের পরেও নিঃসঙ্গ মৃত্যু বলিউডের দুর্ধর্ষ ভিলেন

আপডেট সময় ১০:৩২:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

বলিউডের একসময়ের আলোচিত অভিনেতা মহেশ আনন্দ। ১৯৮০ ও ৯০–এর দশকে বড় পর্দায় যতটা দুর্ধর্ষতা দেখিয়েছেন এ খলনায়ক। বাস্তব জীবনে ততটাই নিঃসঙ্গ ছিলেন তিনি। 

ব্যক্তিজীবনের টানাপোড়েন, ব্যর্থ বিয়ে আর অবসাদে ভরা শেষ জীবন—সব মিলিয়ে তার গল্প যেন সিনেমাকেও হার মানায়।

জীবনের শেষ প্রান্তে এসে যেন সব আলো নিভে যায়। বলিউডে শত শত ছবিতে কাজ করেও জীবনের শেষ দিকে তিনি নিদারুণ দারিদ্র্য আর একাকিত্বে ভুগছিলেন।

নিজের ফেসবুকে তিনি একবার লিখেছিলেন, ‘আমার বন্ধুরা বলে আমি মদ্যপ। আমার কোনো পরিবার নেই। সৎভাই আমাকে ৬ কোটি রুপি প্রতারণা করে নিয়ে গেছে। আমি ৩০০–এর বেশি সিনেমায় কাজ করেছি, কিন্তু এখন পানির বোতল কেনারও টাকা নেই। পৃথিবীতে আমার কোনো বন্ধু নেই। খুব কষ্ট লাগে।’

কারাতে ব্ল্যাক বেল্টধারী মহেশ প্রথমে মডেলিং ও নাচের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮২ সালের ‘সনম তেরি কসম’ ছবির শিরোনাম গানে ব্যাকগ্রাউন্ড ডান্সার হিসেবে তাকে দেখা যায়। ১৯৮৪ সালে ‘করিশমা’ দিয়ে অভিনয়ে পা রাখলেও প্রথম দিকে তার কাজ তেমন নজর কাড়েনি। ‘শাহেনশাহ’ই তাকে আলোচনায় আনে।
এরপর তিনি অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে ‘গঙ্গা যমুনা সরস্বতী’ ও ‘তুফান’-এ অভিনয় করেন। প্রায় ৩০০ বেশি ছবিতে কাজ করেছেন তিনি, যার মধ্যে আছেন সঞ্জয় দত্ত, গোবিন্দ, অক্ষয় কুমার, সালমান খান, সানি দেওল, শশী কাপুরসহ অনেক তারকা।

সাফল্যের পেছনে লুকিয়ে ছিল গভীর ব্যক্তিগত অস্থিরতা। মহেশ আনন্দের পাঁচটি বিয়ে ও অন্তত এক ডজন প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা যায়।

তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী রীনা রায়ের বোন বরখা রায়। বিবাহবিচ্ছেদের পর তিনি বিয়ে করেন সাবেক মিস ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল এরিকা মারিয়া ডি’সুজাকে, যার সঙ্গে তার এক পুত্রসন্তান রয়েছে। এরপর ১৯৯৯ সালে তিনি বিয়ে করেন মধু মালহোত্রাকে। চতুর্থ বিয়ে ছিল অভিনেত্রী ঊষা বচ্চনির সঙ্গে, যা বিচ্ছেদে গিয়ে শেষ হয়। শেষ জীবনে তিনি বিয়ে করেন এক রুশ নারী, লানাকে।