ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জলাশয় রক্ষায় জিরো টলারেন্স: সংশ্লিষ্টদের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা ঝিনাইদহ ও ফেনীতে নতুন প্রাণের সঞ্চার: চলতি মাসেই খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী আগামী ঈদে সড়ক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানো হবে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া ৬ বাংলাদেশি জাহাজ ছাড়ছে ইরান: দ্রুত ফেরার আশা ঢাবিতে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি সভা: প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ২১ শিশু, মোট আক্রান্ত ১৪৩ আটা-রুটির কারখানায় মিললো প্রায় ৬ হাজার ডিজেল ভোলায় , মালিকদের জরিমানা পাবনা জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম মহানবী (সাঃ) এর জীবনের গল্প মানবিক ও সংবেদনশীল চরিত্র এপ্রিলে ৪৭তম বিসিএসের ফল প্রকাশ করা হবে জানিয়েছেন পিএসসি
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ফারুকের বিসিবি নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা

  • স্টাফ রির্পোটার
  • আপডেট সময় ১১:৩৫:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • ১৬৪ বার পড়া হয়েছে

গেল বছর আগস্টে নাজমুল হাসান পাপনের পদত্যাগের পর নতুন সভাপতি হয়েছেন ফারুক আহমেদ। তবে এবারই বিসিবিতে তার সভাপতিত্বের শেষ মেয়াদ হোক, তা চান না তিনি। আসছে বিসিবি নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন ফারুক।

তিনি অবশ্য নির্দিষ্ট একটি কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বোর্ডের ভেতরের কিছু মহল তাকে আটকে রাখতে চেষ্টা করেই যাচ্ছে। যার জবাব দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সূচি অনুসারে আগামী অক্টোবরে বিসিবির পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে তারও আগে বিসিবি সভাপতি চাইলে নির্বাচন দিতে পারেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে তা না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তবে সময়মতো নির্বাচন হলে সেখানে কি বিসিবির বর্তমান সভাপতি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি খোলাসা করেন। তিনি বলেন, ‘অক্টোবরে আমি নির্বাচন করব। কোনো একটি কোয়ার্টারে দুর্নীতি যারা করেছে ক্রিকেট বোর্ডে, এখনও চেষ্টা করছে আমাকে দমিয়ে রাখার। তাদের জন্য সবচেয়ে সহজ কাজ ফারুক ভাইয়ের জন্য দুই চারটি কলাম লিখলে, দুইটা মিথ্যা কথা বলে বদনাম দিলে ওই ধরনের লোক রিজাইন করে চলে যাবে।’

তার অভিমত, বোর্ডে থেকে শেষ এক দশকে যারা দুর্নীতি করেছে, সে চক্র এখনও সক্রিয় আছে। সে চক্র এখন তাকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। তাদের জবাব দিতেই এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন তিনি।

এছাড়াও ফারুক জানান, দেশের ক্রিকেটের উন্নতিই তার একমাত্র এজেন্ডার। সে কারণে তার মনে হয়, বিরুদ্ধ পরিস্থিতিতে সরে দাঁড়ানো দেশের ক্রিকেটের সমস্যার সমাধান করবে না। বরং লড়াই করে টিকে থাকতে হবে তাকে।

তবে ফারুক আহমেদের অধীনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বেশ কিছু সমালোচনার মুখে পড়েছে। বিপিএল আয়োজনে অব্যবস্থাপনা তার মধ্যে একটি। এছাড়াও মাঠের ক্রিকেটের গ্রাফও ক্রমশ নিম্নমুখী।

বিসিবিতে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিল ফারুকের নেতৃত্বাধীন বোর্ড। অবশ্য ঢাকার ক্লাবগুলোর তীব্র প্রতিবাদের মুখে গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন আনার সে উদ্যোগ থেকে পিছু হটতে হয় বিসিবিকে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাশয় রক্ষায় জিরো টলারেন্স: সংশ্লিষ্টদের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা

ফারুকের বিসিবি নির্বাচনে লড়াইয়ের ঘোষণা

আপডেট সময় ১১:৩৫:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

গেল বছর আগস্টে নাজমুল হাসান পাপনের পদত্যাগের পর নতুন সভাপতি হয়েছেন ফারুক আহমেদ। তবে এবারই বিসিবিতে তার সভাপতিত্বের শেষ মেয়াদ হোক, তা চান না তিনি। আসছে বিসিবি নির্বাচনেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি, সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন ফারুক।

তিনি অবশ্য নির্দিষ্ট একটি কারণে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, বোর্ডের ভেতরের কিছু মহল তাকে আটকে রাখতে চেষ্টা করেই যাচ্ছে। যার জবাব দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

সূচি অনুসারে আগামী অক্টোবরে বিসিবির পরবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে তারও আগে বিসিবি সভাপতি চাইলে নির্বাচন দিতে পারেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে তা না হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।

তবে সময়মতো নির্বাচন হলে সেখানে কি বিসিবির বর্তমান সভাপতি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বিষয়টি খোলাসা করেন। তিনি বলেন, ‘অক্টোবরে আমি নির্বাচন করব। কোনো একটি কোয়ার্টারে দুর্নীতি যারা করেছে ক্রিকেট বোর্ডে, এখনও চেষ্টা করছে আমাকে দমিয়ে রাখার। তাদের জন্য সবচেয়ে সহজ কাজ ফারুক ভাইয়ের জন্য দুই চারটি কলাম লিখলে, দুইটা মিথ্যা কথা বলে বদনাম দিলে ওই ধরনের লোক রিজাইন করে চলে যাবে।’

তার অভিমত, বোর্ডে থেকে শেষ এক দশকে যারা দুর্নীতি করেছে, সে চক্র এখনও সক্রিয় আছে। সে চক্র এখন তাকে দমিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। তাদের জবাব দিতেই এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছেন তিনি।

এছাড়াও ফারুক জানান, দেশের ক্রিকেটের উন্নতিই তার একমাত্র এজেন্ডার। সে কারণে তার মনে হয়, বিরুদ্ধ পরিস্থিতিতে সরে দাঁড়ানো দেশের ক্রিকেটের সমস্যার সমাধান করবে না। বরং লড়াই করে টিকে থাকতে হবে তাকে।

তবে ফারুক আহমেদের অধীনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বেশ কিছু সমালোচনার মুখে পড়েছে। বিপিএল আয়োজনে অব্যবস্থাপনা তার মধ্যে একটি। এছাড়াও মাঠের ক্রিকেটের গ্রাফও ক্রমশ নিম্নমুখী।

বিসিবিতে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছিল ফারুকের নেতৃত্বাধীন বোর্ড। অবশ্য ঢাকার ক্লাবগুলোর তীব্র প্রতিবাদের মুখে গঠনতন্ত্রে পরিবর্তন আনার সে উদ্যোগ থেকে পিছু হটতে হয় বিসিবিকে।