ময়মনসিংহ , শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভোলা বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত ২০ প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায়: নেতা বহিষ্কার স্বেচ্ছাসেবক দলের আজ শুরু শুনানি , প্রার্থিতা ফিরে পেতে ৬৪৫ আপিল নির্বাচন বানচালে সীমান্তের ওপারে ষড়যন্ত্র হচ্ছে বললেন আদিলুর রহমান বিদেশে টাকা পাচারকারীদের সংসদে ঠাঁই হবে না বললেন হাসনাত আবদুল্লাহ খালেদা জিয়া মৃত্যুর শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করে গেছেন বলেছেন আমীর খসরু দেড় লাখ মানুষের চিকিৎসায় ৭ চিকিৎসক দশমিনায় অধ্যাদেশ অনুমোদন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বিভাগ বেড়ে ৯টি বিএনপির গিয়াস কাদেরের দলের ‌‘সবুজ সংকেত’ পাওয়ার দাবি তারেক রহমানের উত্তরাঞ্চল সফর নির্বাচন কমিশনের অনুরোধে স্থগিত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যে আমল করবেন আশুরায়

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

মুহাররম মাসের সব থেকে মহিমান্বিত দিন আশুরা বা মুহাররমের ১০ তারিখ। হাদিসে আশুরার দিনের অনেক ফজিলত  হয়েছে। ইসলামপূর্ব আরব জাহেলি সমাজে এবং আহলে কিতাব- ইহুদী-নাসারাদের মাঝেও ছিল এ দিনের বিশেষ গুরুত্ব ও মর্যাদা।

আল্লাহ তায়ালা আশুরার দিন কুদরত প্রকাশ করেছেন। বনি ইসরাইলের জন্য সমুদ্রে রাস্তা বের করে দিয়েছেন এবং তাদের নিরাপদে পার করে দিয়েছেন। আর একই রাস্তা দিয়ে ফেরাউন ও তার অনুসারীদের ডুবিয়ে মেরেছেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১/৪৮১)

মুসলিম উম্মাহ এ দিনটিকে বিশেষ আমল তথা রোজা পালনের দিন হিসেবে শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করে থাকে। সব নবী-রাসুলের যুগেই আশুরার রোজা আমল ছিল। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় থাকতেও আশুরার রোজা পালন করতেন। হিজরতের পর মদিনায় এসেও নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দেখতে পেলেন, ইহুদিরা এই দিনে রোজা রাখছে। তিনি রোজা রাখার কারণ জানলেন এবং সাহাবায়ে কেরামকে বললেন, ‘মুসা আলাইহিস সালামের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ইহুদিদের চেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ ও অগ্রগণ্য। সুতরাং তোমরাও আশুরায় রোজা রাখো। তবে তাদের অনুকরণ বা সাদৃশ্য যেন না হয় সে জন্য তিনি আগের কিংবা পরের ১ দিন রোজা পালনের কথাও বলেছেন।

আশুরার রোজা সম্পর্কে  হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘রমজানের পর সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ রোজা হল আল্লাহর মাস মহররমের রোজা।’

আরেক হাদিসে হজরত আবু কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনায় আশুরার রোজা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন- আশুরার রোজা বিগত বছরের পাপসমূহ মোচন করে দেয়।’

আশুরায় রোজা ছাড়া যেসব নেক আমলে রয়েছে বহু সওয়াব। এর মধ্যে রয়েছে, অসুস্থকে দেখতে যাওয়া, দান-খয়রাত করা, নফল নামাজ আদায়, বেশি বেশি জিকির করা, কোরআন তেলাওয়াত, তওবা ও ইস্তিগফার, তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়, গরিবদের খাওয়ানো, পরস্পরের মধ্যে বিরোধ মিটিয়ে দেওয়া, মুমিন ভাইয়ের জন্য কল্যাণ কামনায় দোয়া করা, দ্বীনি কাজে সময় ব্যয় করা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলা বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ, আহত ২০

যে আমল করবেন আশুরায়

আপডেট সময় ০১:৫৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

মুহাররম মাসের সব থেকে মহিমান্বিত দিন আশুরা বা মুহাররমের ১০ তারিখ। হাদিসে আশুরার দিনের অনেক ফজিলত  হয়েছে। ইসলামপূর্ব আরব জাহেলি সমাজে এবং আহলে কিতাব- ইহুদী-নাসারাদের মাঝেও ছিল এ দিনের বিশেষ গুরুত্ব ও মর্যাদা।

আল্লাহ তায়ালা আশুরার দিন কুদরত প্রকাশ করেছেন। বনি ইসরাইলের জন্য সমুদ্রে রাস্তা বের করে দিয়েছেন এবং তাদের নিরাপদে পার করে দিয়েছেন। আর একই রাস্তা দিয়ে ফেরাউন ও তার অনুসারীদের ডুবিয়ে মেরেছেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস : ১/৪৮১)

মুসলিম উম্মাহ এ দিনটিকে বিশেষ আমল তথা রোজা পালনের দিন হিসেবে শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালন করে থাকে। সব নবী-রাসুলের যুগেই আশুরার রোজা আমল ছিল। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় থাকতেও আশুরার রোজা পালন করতেন। হিজরতের পর মদিনায় এসেও নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দেখতে পেলেন, ইহুদিরা এই দিনে রোজা রাখছে। তিনি রোজা রাখার কারণ জানলেন এবং সাহাবায়ে কেরামকে বললেন, ‘মুসা আলাইহিস সালামের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক ইহুদিদের চেয়ে বেশি ঘনিষ্ঠ ও অগ্রগণ্য। সুতরাং তোমরাও আশুরায় রোজা রাখো। তবে তাদের অনুকরণ বা সাদৃশ্য যেন না হয় সে জন্য তিনি আগের কিংবা পরের ১ দিন রোজা পালনের কথাও বলেছেন।

আশুরার রোজা সম্পর্কে  হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘রমজানের পর সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ রোজা হল আল্লাহর মাস মহররমের রোজা।’

আরেক হাদিসে হজরত আবু কাতাদাহ রাদিয়াল্লাহু আনহুর বর্ণনায় আশুরার রোজা সম্পর্কে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বললেন- আশুরার রোজা বিগত বছরের পাপসমূহ মোচন করে দেয়।’

আশুরায় রোজা ছাড়া যেসব নেক আমলে রয়েছে বহু সওয়াব। এর মধ্যে রয়েছে, অসুস্থকে দেখতে যাওয়া, দান-খয়রাত করা, নফল নামাজ আদায়, বেশি বেশি জিকির করা, কোরআন তেলাওয়াত, তওবা ও ইস্তিগফার, তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়, গরিবদের খাওয়ানো, পরস্পরের মধ্যে বিরোধ মিটিয়ে দেওয়া, মুমিন ভাইয়ের জন্য কল্যাণ কামনায় দোয়া করা, দ্বীনি কাজে সময় ব্যয় করা।