ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২ টেকনাফে অভিযানে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, হেলমেট ও গোলাবারুদ উদ্ধার নেত্রকোনার পূর্বধলায় আগিয়া স্কুল মাঠে সামান্য বৃষ্টিতে জলবদ্ধতা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীরা বিসিবি নির্বাচনের জন্য ৩ সদস্যের কমিশন গঠন হামের টিকা নিয়ে দোষীদের খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে শাটডাউন কর্মসূচি জনবল নেবে আড়ং আ.লীগ নেত্রী জাহানারা গ্রেফতার ​চলে গেলেন চট্টগ্রামের অভিভাবক খ্যাত সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন হামের টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেব বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

এনসিপি নির্বাচনে যাবে কি না চিন্তাভাবনা করছে বলেছেন আসিফ

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৭ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব কি না পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে।

গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনে আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য রাজনৈতিক দল বা জনগণের যে কনফিডেন্স অর্জনের কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের, তা হারিয়েছে তারা। যদি এভাবে নির্বাচনের কার্যক্রম সামনের দিকে যেতে থাকে, তাহলে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি যে, বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে পারবে না ইসি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘এই নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমরা বিশ্বাস রাখতে পারছি না। এই নির্বাচনে আমরা অংশ নেব কিনা তা আমরা এখনো বিবেচনা করতে পারছি না।’

এসময় ছাত্রদলের নির্বাচন ভবন ঘেরাও কর্মসূচিকে একটি ‘নাটক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘আজ পুরো জিনিসটা এক ধরনের নাটকের মতো মঞ্চায়িত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার সময় দেখলাম ছাত্রদলের ২-৩ হাজার নেতাকর্মী এক ধরনের মব সৃষ্টি করেছে আজকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে; যে দিন আপিল শুনানির শেষ দিন। বাইরে থেকে তারা একটা এক্সটারনাল প্রেশার তৈরি করে রেখেছে ‘

আসিফ মাহমুদ বলেন, রায়ের পূর্বমুহূর্তে যে অপরাধী বা অপরাধীর পক্ষের, তাদের সঙ্গে বসে বিচারক রায় দেন। সেই রায় কোনোভাবেই নিরপেক্ষ রায় হওয়ার সুযোগ নেই। আমরা দেখলাম কমিশনার সদস্যরা ১৫ মিনিটের কথা বলে দেড় ঘণ্টা সময় তাদের (বিএনপির একদল নেতা) সঙ্গে ডিসকাস করেছেন। এটা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২

এনসিপি নির্বাচনে যাবে কি না চিন্তাভাবনা করছে বলেছেন আসিফ

আপডেট সময় ০৯:০৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব কি না পুনর্বিবেচনা করার সময় এসেছে।

গত রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ এনে আসিফ মাহমুদ বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য রাজনৈতিক দল বা জনগণের যে কনফিডেন্স অর্জনের কথা ছিল নির্বাচন কমিশনের, তা হারিয়েছে তারা। যদি এভাবে নির্বাচনের কার্যক্রম সামনের দিকে যেতে থাকে, তাহলে আমরা শঙ্কা প্রকাশ করছি যে, বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু নির্বাচন বাস্তবায়ন করতে পারবে না ইসি।

আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘এই নির্বাচন কমিশনের প্রতি আমরা বিশ্বাস রাখতে পারছি না। এই নির্বাচনে আমরা অংশ নেব কিনা তা আমরা এখনো বিবেচনা করতে পারছি না।’

এসময় ছাত্রদলের নির্বাচন ভবন ঘেরাও কর্মসূচিকে একটি ‘নাটক’ বলে আখ্যায়িত করেছেন আসিফ মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘আজ পুরো জিনিসটা এক ধরনের নাটকের মতো মঞ্চায়িত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনে যাওয়ার সময় দেখলাম ছাত্রদলের ২-৩ হাজার নেতাকর্মী এক ধরনের মব সৃষ্টি করেছে আজকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দিনে; যে দিন আপিল শুনানির শেষ দিন। বাইরে থেকে তারা একটা এক্সটারনাল প্রেশার তৈরি করে রেখেছে ‘

আসিফ মাহমুদ বলেন, রায়ের পূর্বমুহূর্তে যে অপরাধী বা অপরাধীর পক্ষের, তাদের সঙ্গে বসে বিচারক রায় দেন। সেই রায় কোনোভাবেই নিরপেক্ষ রায় হওয়ার সুযোগ নেই। আমরা দেখলাম কমিশনার সদস্যরা ১৫ মিনিটের কথা বলে দেড় ঘণ্টা সময় তাদের (বিএনপির একদল নেতা) সঙ্গে ডিসকাস করেছেন। এটা বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত।