ময়মনসিংহ , রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টির আভাস গুপ্ত সেজে থাকার অনেক সুবিধা,তাই শিবির আবারও গুপ্ত হতে চাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন রাশেদ খাঁন ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে সব ধরনের ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হচ্ছে বললেন রেলমন্ত্রী ২৫ মার্চের আগে রাজারবাগে পুলিশদের কেন একত্রিত করা হয়েছিল, গবেষণার দাবি রাখে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের অর্ডার ধরতে বড় উদ্যোগ: গড়ে তোলা হচ্ছে বিশেষ ‘গার্মেন্টস জোন’ ঢাকার বায়ু এখন ‘অস্বাস্থ্যকর’, নগরবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ চিকিৎসকদের গণপিটুনির শিকার আসল ভ্যাট কর্মকর্তা: চোর সন্দেহে খুঁটিতে বেঁধে নির্যাতন ময়মনসিংহ জেলা পর্যায়ে মার্শাল আর্টে তাইকোয়ানডো, জুডো, উশু, কারাতে অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহের গৌরীপুরে গণপাঠাগারের উদ্যোগে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গড়তে পূর্বধলায় সাংবাদিকদের সাথে ওসির মতবিনিময়
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের অর্ডার ধরতে বড় উদ্যোগ: গড়ে তোলা হচ্ছে বিশেষ ‘গার্মেন্টস জোন’

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অর্ডার আবারও দখলে নিতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) চট্টগ্রামের চারটি এলাকায় বহুতল ভবনভিত্তিক গার্মেন্টস জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ পরিকল্পনার আওতায় অন্তত ২৫টি কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, কমপ্লায়েন্স জটিলতা এড়াতে এসব ভবনে ফ্লোর স্পেসের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, জেনারেটর, গ্যাস ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাসহ সব ধরনের আধুনিক সুবিধা থাকবে। এরই মধ্যে জায়গা বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, নগরীর মুরাদপুর, বায়েজিদ, বহদ্দারহাট ও আগ্রাবাদ এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে থাকবে একটি করে কারখানা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি ৬ তলা ভবনের ওয়ার্কিং স্পেস হবে অন্তত ৩০ হাজার বর্গফুট। প্রতিটি কারখানায় সর্বনিম্ন ৬০০ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে। এ জন্য নগরীর প্রতিটি জোনে ৩ থেকে ৫ একর জায়গা বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানিয়েছে বিজিএমইএ।

এ বিষয়ে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মো. রফিক চৌধুরী বলেন, পাঁচ থেকে সাতটি কারখানা একসঙ্গে স্থানান্তর করা গেলে সেখানে বর্তমানে ৩০০ শ্রমিকের জায়গায় ১ হাজার থেকে দেড় হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে। একইসঙ্গে বড় বড় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে, যা এখন অনেক কারখানা করতে পারছে না। ভালো ব্র্যান্ডের কাজ পেলে ভালো দামও পাওয়া যাবে। এতে নতুন উদ্যোক্তাও তৈরি হবে। বর্তমানে যেখানে প্রায় ৩০০ কারখানা রয়েছে, তা ভবিষ্যতে ৫০০ থেকে ৭০০ কারখানায় উন্নীত হতে পারে।

স্বাধীনতার পর চট্টগ্রাম থেকেই তৈরি পোশাক রপ্তানি শুরু হয়েছিল দেশে। তবে বিভিন্ন সংকটে গত চার দশকে এ খাতের রপ্তানি অংশীদারিত্ব ৪০ শতাংশ থেকে কমে ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে অন্তত ২০০ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

বিজিএমইএর পরিচালক এমডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানির মধ্যে চট্টগ্রামের অংশ ১০ থেকে ১২ শতাংশ। বন্দরকেন্দ্রিক অবস্থানের কারণে রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য চট্টগ্রাম সবচেয়ে সম্ভাবনাময় কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে বর্তমানে দুটি ইপিজেডসহ বিভিন্ন এলাকায় চার শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় সরাসরি প্রায় আট লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। চট্টগ্রাম থেকে বছরে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে বজ্রবৃষ্টির আভাস

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের অর্ডার ধরতে বড় উদ্যোগ: গড়ে তোলা হচ্ছে বিশেষ ‘গার্মেন্টস জোন’

আপডেট সময় ১১:৩৮:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডগুলোর অর্ডার আবারও দখলে নিতে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) চট্টগ্রামের চারটি এলাকায় বহুতল ভবনভিত্তিক গার্মেন্টস জোন গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে। এ পরিকল্পনার আওতায় অন্তত ২৫টি কারখানা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, কমপ্লায়েন্স জটিলতা এড়াতে এসব ভবনে ফ্লোর স্পেসের পাশাপাশি বিদ্যুৎ, জেনারেটর, গ্যাস ও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থাসহ সব ধরনের আধুনিক সুবিধা থাকবে। এরই মধ্যে জায়গা বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে চিঠিও দেওয়া হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, নগরীর মুরাদপুর, বায়েজিদ, বহদ্দারহাট ও আগ্রাবাদ এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে একাধিক বহুতল ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি ভবনের প্রতিটি ফ্লোরে থাকবে একটি করে কারখানা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিটি ৬ তলা ভবনের ওয়ার্কিং স্পেস হবে অন্তত ৩০ হাজার বর্গফুট। প্রতিটি কারখানায় সর্বনিম্ন ৬০০ থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকবে। এ জন্য নগরীর প্রতিটি জোনে ৩ থেকে ৫ একর জায়গা বরাদ্দ চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন জানিয়েছে বিজিএমইএ।

এ বিষয়ে বিজিএমইএর সহ-সভাপতি মো. রফিক চৌধুরী বলেন, পাঁচ থেকে সাতটি কারখানা একসঙ্গে স্থানান্তর করা গেলে সেখানে বর্তমানে ৩০০ শ্রমিকের জায়গায় ১ হাজার থেকে দেড় হাজার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হবে। একইসঙ্গে বড় বড় আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের কাজ করার সুযোগ তৈরি হবে, যা এখন অনেক কারখানা করতে পারছে না। ভালো ব্র্যান্ডের কাজ পেলে ভালো দামও পাওয়া যাবে। এতে নতুন উদ্যোক্তাও তৈরি হবে। বর্তমানে যেখানে প্রায় ৩০০ কারখানা রয়েছে, তা ভবিষ্যতে ৫০০ থেকে ৭০০ কারখানায় উন্নীত হতে পারে।

স্বাধীনতার পর চট্টগ্রাম থেকেই তৈরি পোশাক রপ্তানি শুরু হয়েছিল দেশে। তবে বিভিন্ন সংকটে গত চার দশকে এ খাতের রপ্তানি অংশীদারিত্ব ৪০ শতাংশ থেকে কমে ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। একই সময়ে অন্তত ২০০ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

বিজিএমইএর পরিচালক এমডি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বর্তমানে দেশের মোট রপ্তানির মধ্যে চট্টগ্রামের অংশ ১০ থেকে ১২ শতাংশ। বন্দরকেন্দ্রিক অবস্থানের কারণে রপ্তানিমুখী শিল্পের জন্য চট্টগ্রাম সবচেয়ে সম্ভাবনাময় কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রামে বর্তমানে দুটি ইপিজেডসহ বিভিন্ন এলাকায় চার শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা রয়েছে। এসব কারখানায় সরাসরি প্রায় আট লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। চট্টগ্রাম থেকে বছরে তৈরি পোশাক খাতের রপ্তানি আয় প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।