সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়, এরপর প্রেম। সেই ভালোবাসার টানে সুদূর চীন থেকে কিশোরগঞ্জের হাওড়াঞ্চলের এক গ্রামে ছুটে এসেছেন এক চীনা তরুণ। ঘটনাটি ঘিরে এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও চাঞ্চল্য।
কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলার চৌগাংগা ইউনিয়নের কিষ্টপুর গ্রামের মোড়লপাড়ায় ঘটেছে এই ঘটনা। স্থানীয়দের ভিড়ে এখন মুখর হয়ে উঠেছে পুরো এলাকা।
বাংলাদেশে পৌঁছে সরাসরি প্রেমিকার বাড়িতে যান গাও ওয়েইয়ান। বর্তমানে তিনি ঝুমার পরিবারের সঙ্গেই অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার পর রোববার সকাল থেকেই কৌতূহলী মানুষ ভিড় করতে শুরু করেন ঝুমাদের বাড়িতে। ভিন্ন ভাষা, সংস্কৃতি ও ধর্মের এই প্রেমের গল্প স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
জলাভূমিবেষ্টিত হাওড়াঞ্চলে বিদেশি নাগরিকের আগমনকে ঘিরে অনেকেই উৎসবমুখর পরিবেশের কথাও বলছেন। স্থানীয়দের সঙ্গে হাসিমুখে সময় কাটাতে দেখা গেছে চীনা তরুণকে।
তবে অনেকে তরুণীর ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই যেন তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
এ বিষয়ে ইটনা উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, বিষয়টি যাচাই করে সত্যতা পাওয়া গেছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাখন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, তরুণী প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় আইনগতভাবে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
জানা গেছে, গাও ওয়েইয়ানের বাবা গাও ঝানশিন এবং তিনি নিজে চীনে সহকারী পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। অন্যদিকে ঝুমা আক্তার স্থানীয় বাসিন্দা মো. নজরুল ইসলাম ও পাখি আক্তার দম্পতির মেয়ে।

ডিজিটাল রিপোর্ট 



















