চাকরিবিধি লঙ্ঘণ করে এক ব্যক্তি দুই প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। ওই ব্যক্তি এক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক, আবার অন্য একটি প্রতিষ্ঠানের প্রধান কাজী হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। ১ফেব্রুয়ারী ২০২৬খিষ্ট্রাব্দ প্রজ্ঞাপন জারী হওয়ার পরও প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ তাঁর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হিরণপট্টি ফাজিল মাদ্রাসার ইবতেদায়ী শাখার সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ সবুজ ১ফেব্রুয়ারী ২০২৬ সালে প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পরও আইনকে অবজ্ঞা করে তিনি তার প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নির্ধায় পালন করে যাচ্ছেন। তিনি সরকারি সুযোগ সুবিধা পরিপূর্ণভাবে গ্রহণও করছেন। অথচ প্রজ্ঞাপন জারি হওয়া সত্ত্বেও দুই লাভজনক প্রতিষ্ঠানের একটি থেকেও পদত্যাগ না করে উভয় প্রতিষ্ঠান থেকে সরকারী সুযোগ সুবিধা গ্রহন করে চলেছেন
১ফেব্রুয়ারী ২০২৬ সালের প্রজ্ঞাপন আইনে বলা আছে, কোন শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠান ব্যতিত অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে বেতনসহ অথবা বিনা বেতনে অথবা কোন লাভজনক প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারবে না। অথচ হিরণপট্রি ফাজিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ সবুজ এই আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে দুটি প্রতিষ্ঠানেই বহাল থেকে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ আব্দুর রউফ সবুজ বলেন,সরকার যদি এই রকম প্রজ্ঞাপন জারি করে থাকে তাহলে আমি দুই কর্ম হইতে এক কর্ম হাসি মুখে ছেড়ে দেব। সেখান থেকে আমি কোন সুবিধা গ্রহণ করব না।
হিরণপট্টি ফাজিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত প্রিন্সিপাল শামীম আহম্মদ বলেন, মোঃ আব্দুর রউফ সবুজ মাদ্রাসায় সহকারী শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন তিনি মাদ্রাসায় নিয়মিত হাজিরা দিয়ে থাকেন।তিনি ঘাগড়া ইউনিয়নের প্রধান কাজী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
এই বিষয়ে পূর্বধলা উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আবু বকর সিদ্দিক বলেন যে ব্যক্তি লাভজনক দুই পেশায় নিয়োজিত আছেন ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ খিষ্ট্রাব্দের নীতিমালা মোতাবেক ব্যবস্হা গ্রহণ করা হবে।

নজরুল, পূর্বধলা প্রতিনিধি 

















