জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কৌশলে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে মাদকদ্রব্য বিক্রি করে আসছিল। এদের মধ্যে ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে চারটি এবং সোহাগের বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে।
র্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন এবং ভবিষ্যতে মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে।