ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জনগণের কল্যাণে কাজের মাধ্যমে উদাহরণ তৈরি করবে বিরোধীদল বলেছেন জামায়াত আমির ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহনের চাপ ঈদযাত্রার প্রথম দিনে ঘরমুখো মানুষের উপচেপড়া ভিড় কমলাপুর স্টেশনে ঈদের প্রধান জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন জাতীয় ঈদগাহে গৌরীপুরে ঝড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘লন্ডভন্ড’ শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার সংশয় ময়মনসিংহ কাবাডি একাডেমির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত একদিনে ১০ হাজার অতিরিক্ত যানবাহন পারাপার হয়েছে যমুনা সেতুতে ছয় জেলায় ৬০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আশঙ্কা দুপুর ১টার মধ্যে তারেক রহমান বাবার পদচিহ্ন ধরে হাঁটলেন ঈদের টানা সাত দিনের ছুটি আজ থেকে শুরু হচ্ছে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

সুদানে নিহত ৬ শান্তিরক্ষীর মরদেহ ২০ ডিসেম্বর ঢাকায় আসছে: সেনাবাহিনী

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:৪৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ আগামী ২০ ডিসেম্বর ঢাকায় আনা হবে। দেশে ফেরার পর যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

গত বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

পরবর্তীতে আরও একজন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৯ জনে।

আহতদের মধ্যে একজন ইতোমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। আর বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

সেনাবাহিনী আরও জানায়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইস-এ বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পরিচালিত ওই ড্রোন হামলায় দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত এবং মোট ৯ জন আহত হন।

গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী কর্তৃক এই ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় দায়িত্বে থাকা ছয়জন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষী নিহত হন। আহত হন ৯ জন।

নিহত ৬ শান্তিরক্ষী হলেন- নাটোরের বাসিন্দা করপোরাল মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের বাসিন্দা সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম ও সৈনিক শান্ত মন্ডল, রাজবাড়ীর বাসিন্দা সৈনিক শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং গাইবান্ধার বাসিন্দা লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া।

আহত শান্তিরক্ষীরা হলেন- কুষ্টিয়ার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কর্নেল খোন্দকার খালেকুজ্জামান, দিনাজপুরের বাসিন্দা সার্জেন্ট মো. মোস্তাকিম হোসেন, ঢাকার বাসিন্দা করপোরাল আফরোজা পারভিন ইতি, বরগুনার বাসিন্দা ল্যান্স করপোরাল মহিবুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের বাসিন্দা সৈনিক মো. মেজবাউল কবির, রংপুরের বাসিন্দা সৈনিক মোসা. উম্মে হানি আক্তার, মানিকগঞ্জের বাসিন্দা সৈনিক চুমকি আক্তার এবং নোয়াখালীর বাসিন্দা সৈনিক মো. মানাজির আহসান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের কল্যাণে কাজের মাধ্যমে উদাহরণ তৈরি করবে বিরোধীদল বলেছেন জামায়াত আমির

সুদানে নিহত ৬ শান্তিরক্ষীর মরদেহ ২০ ডিসেম্বর ঢাকায় আসছে: সেনাবাহিনী

আপডেট সময় ০৮:৪৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫

সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর মরদেহ আগামী ২০ ডিসেম্বর ঢাকায় আনা হবে। দেশে ফেরার পর যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।

গত বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভ্যারিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

পরবর্তীতে আরও একজন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ায় মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৯ জনে।

আহতদের মধ্যে একজন ইতোমধ্যে চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ত্যাগ করেছেন। আর বর্তমানে সবাই শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

সেনাবাহিনী আরও জানায়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইস-এ বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর পরিচালিত ওই ড্রোন হামলায় দায়িত্ব পালনরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৬ জন শান্তিরক্ষী নিহত এবং মোট ৯ জন আহত হন।

গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের আওতাধীন কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী কর্তৃক এই ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। এ সময় দায়িত্বে থাকা ছয়জন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষী নিহত হন। আহত হন ৯ জন।

নিহত ৬ শান্তিরক্ষী হলেন- নাটোরের বাসিন্দা করপোরাল মো. মাসুদ রানা, কুড়িগ্রামের বাসিন্দা সৈনিক মো. মমিনুল ইসলাম ও সৈনিক শান্ত মন্ডল, রাজবাড়ীর বাসিন্দা সৈনিক শামীম রেজা, কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা মেস ওয়েটার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম এবং গাইবান্ধার বাসিন্দা লন্ড্রি কর্মচারী মো. সবুজ মিয়া।

আহত শান্তিরক্ষীরা হলেন- কুষ্টিয়ার বাসিন্দা লেফটেন্যান্ট কর্নেল খোন্দকার খালেকুজ্জামান, দিনাজপুরের বাসিন্দা সার্জেন্ট মো. মোস্তাকিম হোসেন, ঢাকার বাসিন্দা করপোরাল আফরোজা পারভিন ইতি, বরগুনার বাসিন্দা ল্যান্স করপোরাল মহিবুল ইসলাম, কুড়িগ্রামের বাসিন্দা সৈনিক মো. মেজবাউল কবির, রংপুরের বাসিন্দা সৈনিক মোসা. উম্মে হানি আক্তার, মানিকগঞ্জের বাসিন্দা সৈনিক চুমকি আক্তার এবং নোয়াখালীর বাসিন্দা সৈনিক মো. মানাজির আহসান।