ময়মনসিংহ , সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ইরান যুদ্ধে সহায়তা না করলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ অন্ধকার বলেছেন ট্রাম্প

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের আবহে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখতে এবং চলমান সামরিক অভিযানে মিত্ররা যদি যুক্তরাষ্ট্রকে পর্যাপ্ত সহায়তা করতে ব্যর্থ হয়, তবে ন্যাটোর সামনে ‘খুবই খারাপ ভবিষ্যৎ’ অপেক্ষা করছে। ট্রাম্প ন্যাটোর কার্যক্রমকে একটি ‘একমুখী রাস্তা’ হিসেবে অভিহিত করে অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় মিত্রদের পাশে দাঁড়ালেও প্রয়োজনের সময় মিত্ররা তাদের সঙ্গ দিচ্ছে না।

এখন ইরানের বিপদজনক সামরিক সক্ষমতা ধ্বংসের এই লড়াইয়ে মিত্ররা একই রকম সহযোগিতা করবে কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। মিত্রদের কাছ থেকে ঠিক কী ধরনের সাহায্য প্রয়োজন—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ‘যা কিছু প্রয়োজন’ তার সবই দিতে হবে এবং এখানে কোনো শর্ত চলবে না।

ট্রাম্পের ভাষায়, মার্কিন বাহিনী যখন ইরানের সক্ষমতা প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে, তখন ব্রিটেন দুটি জাহাজ পাঠানোর কথা বলেছে। এই বিলম্বিত প্রস্তাবকে উপহাস করে ট্রাম্প বলেন যে, তার সাহায্যের প্রয়োজন ছিল যুদ্ধের ময়দানে জেতার আগে, জেতার পরে নয়। মিত্রদের এমন গড়িমসি ন্যাটোর কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বলে তিনি মনে করেন।

এ ছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে বেইজিংয়ের ওপর চাপ সৃষ্টির নতুন কৌশলের কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই লক্ষ্যে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে নির্ধারিত সম্মেলনটি পিছিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন।

ট্রাম্পের যুক্তি হলো, চীন ও অন্যান্য দেশ যেহেতু এই জলপথের বড় সুবিধাভোগী, তাই এই পথ নিরাপদ রাখার দায়িত্ব তাদেরও নিতে হবে। তিনি মনে করেন, যারা এই প্রণালীর সুফল ভোগ করছে, সেখানে কোনো অঘটন না ঘটা নিশ্চিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব তাদেরই হওয়া উচিত। ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন অস্থিরতা তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান যুদ্ধে সহায়তা না করলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ অন্ধকার বলেছেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ০৯:৫৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধের আবহে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। 

ফিনান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত রাখতে এবং চলমান সামরিক অভিযানে মিত্ররা যদি যুক্তরাষ্ট্রকে পর্যাপ্ত সহায়তা করতে ব্যর্থ হয়, তবে ন্যাটোর সামনে ‘খুবই খারাপ ভবিষ্যৎ’ অপেক্ষা করছে। ট্রাম্প ন্যাটোর কার্যক্রমকে একটি ‘একমুখী রাস্তা’ হিসেবে অভিহিত করে অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র সবসময় মিত্রদের পাশে দাঁড়ালেও প্রয়োজনের সময় মিত্ররা তাদের সঙ্গ দিচ্ছে না।

এখন ইরানের বিপদজনক সামরিক সক্ষমতা ধ্বংসের এই লড়াইয়ে মিত্ররা একই রকম সহযোগিতা করবে কি না, তা নিয়ে তিনি সংশয় প্রকাশ করেছেন। মিত্রদের কাছ থেকে ঠিক কী ধরনের সাহায্য প্রয়োজন—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প সরাসরি বলেন, ‘যা কিছু প্রয়োজন’ তার সবই দিতে হবে এবং এখানে কোনো শর্ত চলবে না।

ট্রাম্পের ভাষায়, মার্কিন বাহিনী যখন ইরানের সক্ষমতা প্রায় নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে, তখন ব্রিটেন দুটি জাহাজ পাঠানোর কথা বলেছে। এই বিলম্বিত প্রস্তাবকে উপহাস করে ট্রাম্প বলেন যে, তার সাহায্যের প্রয়োজন ছিল যুদ্ধের ময়দানে জেতার আগে, জেতার পরে নয়। মিত্রদের এমন গড়িমসি ন্যাটোর কার্যকারিতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছে বলে তিনি মনে করেন।

এ ছাড়া হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ সচল রাখতে বেইজিংয়ের ওপর চাপ সৃষ্টির নতুন কৌশলের কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প। এই লক্ষ্যে তিনি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে নির্ধারিত সম্মেলনটি পিছিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন।

ট্রাম্পের যুক্তি হলো, চীন ও অন্যান্য দেশ যেহেতু এই জলপথের বড় সুবিধাভোগী, তাই এই পথ নিরাপদ রাখার দায়িত্ব তাদেরও নিতে হবে। তিনি মনে করেন, যারা এই প্রণালীর সুফল ভোগ করছে, সেখানে কোনো অঘটন না ঘটা নিশ্চিত করার প্রাথমিক দায়িত্ব তাদেরই হওয়া উচিত। ট্রাম্পের এই অনড় অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্কে নতুন অস্থিরতা তৈরির ইঙ্গিত দিচ্ছে।