আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-১০ (গফরগাঁও) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছেন জননন্দিত নেতা আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। তার এই মনোনয়ন প্রাপ্তির খবরে গফরগাঁওয়ের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দের জোয়ার পরিলক্ষিত হচ্ছে।তৃণমূলের আস্থার প্রতিফলন
দীর্ঘদিন ধরে গফরগাঁওয়ের গ্রামে-গঞ্জে সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে তাদের সুখ-দুঃখের সাথী হয়েছেন আক্তারুজ্জামান বাচ্চু। তিনি কেবল রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নন, বরং একজন মানবিক মানুষ হিসেবে সাধারণ মানুষের অন্তরে জায়গা করে নিয়েছেন। এলাকাবাসীর মতে, “বাচ্চু ভাই সবসময় সাধারণ মানুষের দ্বারপ্রান্তে গিয়ে খোঁজখবর নেন, আর তার এই জনসেবার পুরস্কার হিসেবেই দল তাকে ধানের শীষের চূড়ান্ত মনোনয়ন দিয়েছে।”
ভালোবাসার প্রতীক আক্তারুজ্জামান বাচ্চু
নির্বাচনী প্রচারণায় নেমে আক্তারুজ্জামান বাচ্চু চিরাচরিত ভঙ্গিতেই সাধারণ মানুষের সাথে মিশে যাচ্ছেন। কোনো প্রকার আড়ম্বর ছাড়াই তিনি সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন এবং তাদের সমস্যার কথা শুনছেন। ভোটারদের দাবি, আক্তারুজ্জামান বাচ্চু এমন একজন মানুষ যার কাছে পৌঁছাতে কোনো বাধা লাগে না। তার এই অমায়িক ব্যবহার এবং বিপদে পাশে থাকার গুণটিই তাকে গফরগাঁওয়ের ভোটের মাঠে শক্তিশালী অবস্থানে রেখেছে।
বিজয় নিয়ে আশাবাদী সমর্থকরা
মনোনয়ন পাওয়ার পর আক্তারুজ্জামান বাচ্চুর সমর্থক ও সাধারণ ভোটাররা বলছেন, “আমরা এমন একজন প্রতিনিধি চাই যিনি আমাদের কথা শুনবেন। বাচ্চু ভাই সেই মানুষটি যিনি পদের চেয়ে মানুষের ভালোবাসাকে বেশি প্রাধান্য দেন।” ধানের শীষ প্রতীক পাওয়ার পর থেকে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে নেতাকর্মীদের মাঝে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে।
প্রার্থীর বক্তব্য
মনোনয়ন পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় আক্তারুজ্জামান বাচ্চু বলেন, “আমি গফরগাঁওয়ের মানুষের সেবা করতে চাই। ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় মানেই সাধারণ মানুষের অধিকারের বিজয়। আমি সবসময় আপনাদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও আপনাদের সেবা করে যেতে চাই।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আক্তারুজ্জামান বাচ্চুর ব্যক্তি ইমেজ এবং সাধারণ মানুষের সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক গফরগাঁওয়ের নির্বাচনী সমীকরণে বড় ধরণের প্রভাব ফেলবে।

নিজস্ব প্রতিবেদক, গফরগাঁও 




















