ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাহমুদা আক্তার বন্যা কে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চায় ময়মনসিংহবাসী লাল খান উচ্চ বিদ্যালয়-এ অতিরিক্ত ফিস আদায়ের অভিযোগ চট্রগ্রামের সাতকানিয়ায় ট্রাক চাপায় নালিতাবাড়ীর কলেজ ছাত্র নিহত নালিতাবাড়ী পৌর শহরে মোবাইল কোর্ট ঘিরে উত্তেজনা, ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ ফুলেল শুভেচ্ছায় সম্মানিত আলহাজ্ব সালমান ওমর রুবেল, প্রত্যাশা বাস্তব অগ্রগতির বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘটনা বর্তমান সরকার সমর্থিত ‘মব কালচারের’ আনুষ্ঠানিক সূচনা বললেন ডা. শফিকুর রহমান আপিল বিভাগ মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত খান আকরামকে খালাস দিলেন আংশিক মেঘলা থাকতে পারে ঢাকার আকাশ জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর আহসান মনসুরকে সরিয়ে আর্থিক খাতে লুটপাটের পথ উন্মুক্ত করল বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন নাহিদ ইসলাম আজ প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক প্রদান করবেন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গ্যাসপাম্পের বিস্ফোরণে দগ্ধ বেড়ে ১৬ কক্সবাজারে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজার শহরের পর্যটন এলাকা কলাতলীতে একটি নবনির্মিত এলপিজি গ্যাস ফিলিং স্টেশনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৬ জন দগ্ধ হয়েছেন। 

গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে ৭ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ নিশ্চিত করেছেন যে, ওই ফিলিং স্টেশনটির কোনো বৈধ অনুমোদন ছিল না এবং গ্যাস লিকেজ থেকেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ‘এন আলম’ নামক ওই ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস লিকেজ শুরু হয়। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা ধরে পুরো এলাকায় গ্যাসের তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

এই অগ্নিকাণ্ডে ফিলিং স্টেশনটির আশপাশের অন্তত ১০টি বসতবাড়ি এবং পর্যটক পরিবহনে ব্যবহৃত ২০ থেকে ২৫টি জিপ গাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

স্থানীয় বাসিন্দা তৌহিদুল ইসলাম জানান, গ্যাসের গন্ধে দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল এবং বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত পাশের আদর্শগ্রাম ও চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ফিলিং স্টেশনটির মালিকপক্ষের চরম অবহেলার কারণেই এই বিপুল জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সবুকতাগিন মাহমুদ সোহেল জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং বাকি ১০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন আছে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুমোদনহীন এই ফিলিং স্টেশনের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদা আক্তার বন্যা কে সংরক্ষিত মহিলা আসনে এমপি হিসেবে দেখতে চায় ময়মনসিংহবাসী

গ্যাসপাম্পের বিস্ফোরণে দগ্ধ বেড়ে ১৬ কক্সবাজারে

আপডেট সময় ০৯:৫২:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কক্সবাজার শহরের পর্যটন এলাকা কলাতলীতে একটি নবনির্মিত এলপিজি গ্যাস ফিলিং স্টেশনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় অন্তত ১৬ জন দগ্ধ হয়েছেন। 

গত বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ২০ মিনিটের দিকে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে ৭ জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ৩ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ নিশ্চিত করেছেন যে, ওই ফিলিং স্টেশনটির কোনো বৈধ অনুমোদন ছিল না এবং গ্যাস লিকেজ থেকেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের সূত্রপাত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে ‘এন আলম’ নামক ওই ফিলিং স্টেশন থেকে গ্যাস লিকেজ শুরু হয়। দীর্ঘ তিন ঘণ্টা ধরে পুরো এলাকায় গ্যাসের তীব্র গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে এবং এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।

এই অগ্নিকাণ্ডে ফিলিং স্টেশনটির আশপাশের অন্তত ১০টি বসতবাড়ি এবং পর্যটক পরিবহনে ব্যবহৃত ২০ থেকে ২৫টি জিপ গাড়ি সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, আগুনে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে।

স্থানীয় বাসিন্দা তৌহিদুল ইসলাম জানান, গ্যাসের গন্ধে দম বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল এবং বিস্ফোরণের পর আগুন দ্রুত পাশের আদর্শগ্রাম ও চন্দ্রিমা হাউজিং এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ফিলিং স্টেশনটির মালিকপক্ষের চরম অবহেলার কারণেই এই বিপুল জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা সবুকতাগিন মাহমুদ সোহেল জানিয়েছেন, দগ্ধদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং বাকি ১০ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বাইরে পাঠানো হয়েছে।

কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ছমি উদ্দিন জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন আছে। ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অনুমোদনহীন এই ফিলিং স্টেশনের মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।