ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখাতে চাই বলেছেন সিইসি পহেলা বৈশাখে কৃষকদের নতুন উপহার: ১০ জেলায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বেরোবির দুই শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগ সভাপতির ১০ বছরের কারাদণ্ড সংসদে হাসনাত: মানবাধিকার কমিশন আইন দিয়ে বিরোধী দল দমনের অভিযোগ সংসদে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল পাস রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫০ শিশুর মৃত্যু রাজনৈতিক আক্রমণ’ নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন থালাপতি বিজয় কর্ম হারিয়ে দেশে আসা প্রবাসীদের নতুন কর্মসংস্থানের চেষ্টা করছি জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ শিশু বলাৎকারের অভিযোগ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতাকে পুুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল সমর্থকেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার গাজী বোরহান উদ্দিন নামে এক যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন স্বজন ও দলের কর্মী-সমর্থকরা। 

গত মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের অরুয়াইল বাজারে পুলিশ ক্যাম্পের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গাজী বোরহান উদ্দিন ওই ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ আগস্টের পর একাধিক মামলায় আসামি হন যুবলীগ নেতা গাজী বোরহান উদ্দিন। মামলার আসামি হয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করেন অরুয়াইল পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা। গ্রেপ্তারের পর তাকে ক্যাম্পে নিয়ে গেলে সেখানে জড়ো হন বোরহানের ভাই গাজী গিয়াস উদ্দিনসহ তাদের অন্তত দেড় থেকে দুইশ নেতাকর্মী। তাকে ছেড়ে দিতে চাপ প্রয়োগ করেন তারা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বোরহানকে নিয়ে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে পুলিশ সরাইল থানার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় হামলা করা হয়। এ সময় ছিনিয়ে নেওয়া হয় বোরহানকে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়।

অরুয়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বলেন, ‌‘পুলিশ গাজী বোরহানকে গ্রেপ্তার করলো, পরবর্তীতে একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে তাদের কাছ থেকে কীভাবে নিয়ে গেলো তারাই ভালো বলতে পারবে। যেহেতু এরই মধ্যে অনেক লোক পুলিশ ক্যাম্পে এসেছে, সে অনুযায়ী যথাযথ নিরাপত্তার মাধ্যমে তাকে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। শুধু দুটি সিএনজি দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা ঠিক হয়নি। এমনকি তার হাতে হ্যান্ডকাফ পর্যন্ত ছিল না। এ নিয়ে পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা।’

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারবো। গ্রেপ্তার আসামি পুলিশ হেফাজতে আছে কিনা, তা আমার জানা নেই।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

গ্রেপ্তার যুবলীগ নেতাকে পুুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেল সমর্থকেরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া

আপডেট সময় ০৯:৫২:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার গাজী বোরহান উদ্দিন নামে এক যুবলীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিয়ে গেছেন স্বজন ও দলের কর্মী-সমর্থকরা। 

গত মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার অরুয়াইল ইউনিয়নের অরুয়াইল বাজারে পুলিশ ক্যাম্পের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গাজী বোরহান উদ্দিন ওই ইউনিয়ন যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ৫ আগস্টের পর একাধিক মামলায় আসামি হন যুবলীগ নেতা গাজী বোরহান উদ্দিন। মামলার আসামি হয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে তাকে গ্রেপ্তার করেন অরুয়াইল পুলিশ ক্যাম্পের সদস্যরা। গ্রেপ্তারের পর তাকে ক্যাম্পে নিয়ে গেলে সেখানে জড়ো হন বোরহানের ভাই গাজী গিয়াস উদ্দিনসহ তাদের অন্তত দেড় থেকে দুইশ নেতাকর্মী। তাকে ছেড়ে দিতে চাপ প্রয়োগ করেন তারা। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বোরহানকে নিয়ে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে পুলিশ সরাইল থানার উদ্দেশ্যে যাওয়ার সময় হামলা করা হয়। এ সময় ছিনিয়ে নেওয়া হয় বোরহানকে। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়।

অরুয়াইল ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বলেন, ‌‘পুলিশ গাজী বোরহানকে গ্রেপ্তার করলো, পরবর্তীতে একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিকে তাদের কাছ থেকে কীভাবে নিয়ে গেলো তারাই ভালো বলতে পারবে। যেহেতু এরই মধ্যে অনেক লোক পুলিশ ক্যাম্পে এসেছে, সে অনুযায়ী যথাযথ নিরাপত্তার মাধ্যমে তাকে নিয়ে যাওয়া উচিত ছিল। শুধু দুটি সিএনজি দিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা ঠিক হয়নি। এমনকি তার হাতে হ্যান্ডকাফ পর্যন্ত ছিল না। এ নিয়ে পুলিশের দায়িত্বে অবহেলা।’

সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘আমরা ঘটনাস্থলে যাচ্ছি। পরে বিস্তারিত জানাতে পারবো। গ্রেপ্তার আসামি পুলিশ হেফাজতে আছে কিনা, তা আমার জানা নেই।’