ময়মনসিংহ , বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইস্কাফ সিরাপসহ আটক ২ জুলাই ২০২৫-এর উপবৃত্তি এখনো অনিশ্চিত, আর কত অপেক্ষা করবেন ডিগ্রি শিক্ষার্থীরা ড. ইউনূসকে হেনস্তার ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেবে সরকার:ডা. জাহেদ উর রহমান দুর্যোগ সহনশীল দেশ গড়তে প্রতিটি পরিবারের সচেতনতা জরুরি বলেছেন রাষ্ট্রপতি দেশে ফিরে আসা কর্মীদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনে সরকার কাজ করছে জানিয়েছেন নুর ধামইরহাটে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত জিয়াউল আহসানের বিচারকাজ ভার্চুয়ালি হবে আজ থেকে জানিয়েছেন প্রসিকিউটর তামিম প্রবাসীদের সংকট নিরসনে বিশেষ আদালত গঠনের পরিকল্পনা সরকারের জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আক্রমণ শক্তিশালী করতে আরও মানসম্মত পেসার প্রয়োজন বললেন সালাহউদ্দিন বারহাট্টায় দিনব্যাপী বিভিন্ন দপ্তর পরিদর্শন করলেন নেত্রকোণার জেলা প্রশাসক
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দুদকের অভিযান বেনাপোল কাস্টমসে, ঘুষের টাকাসহ আটক ২

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১১:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

বেনাপোল কাস্টমস হাউজে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সময় নারী কাস্টমস কর্মকর্তা ও তার সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।

গত সোমবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে যশোর জেলা দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

আটকরা হলেন, কাস্টমস হাউজ গ্রুপ-৬ এর রাজস্ব কর্মকর্তা শামীমা আক্তার এবং তার সহযোগী হাসিবুর।

অভিযান চলাকালে হাসিবুরের কাছ থেকে ঘুষের ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকাসহ উদ্ধার করা হয়েছে। যা তিনি শামীমা আক্তারের কাছে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছেন দুদকের কর্মকর্তারা।

দুদকের উপ-পরিচালক সালাউদ্দীন আহমেদ বলেন, আমাদের কাছে গোপন তথ্য ছিল, কাস্টমস হাউজে ঘুষ বাণিজ্য চলছে এবং মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই আমরা অভিযান শুরু করি। ঘটনাস্থল থেকেই ঘুষের টাকা উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শামীমা আক্তারকে কাস্টমস হেফাজতে ও হাসিবুলকে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল কাস্টমসে দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। দুদকের এই অভিযানকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন। বেনাপোল কাস্টমস হাউজ দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর। প্রতিদিন এখানে কোটি টাকার পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। তবে নানা সময় দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় আসে এই বন্দর।

বেনাপোল পোর্ট থানার এস আই মানিক জানান, হাসিবুল নামে একজন আসামিকে আমাদের কাছে নিরাপত্তা হেফাজতে রেখেছেন দুদকের কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ইস্কাফ সিরাপসহ আটক ২

দুদকের অভিযান বেনাপোল কাস্টমসে, ঘুষের টাকাসহ আটক ২

আপডেট সময় ১১:২৯:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

বেনাপোল কাস্টমস হাউজে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ সময় নারী কাস্টমস কর্মকর্তা ও তার সহযোগীকে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে ঘুষের টাকা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক।

গত সোমবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে যশোর জেলা দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সালাউদ্দীন আহমেদের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

আটকরা হলেন, কাস্টমস হাউজ গ্রুপ-৬ এর রাজস্ব কর্মকর্তা শামীমা আক্তার এবং তার সহযোগী হাসিবুর।

অভিযান চলাকালে হাসিবুরের কাছ থেকে ঘুষের ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকাসহ উদ্ধার করা হয়েছে। যা তিনি শামীমা আক্তারের কাছে নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানিয়েছেন দুদকের কর্মকর্তারা।

দুদকের উপ-পরিচালক সালাউদ্দীন আহমেদ বলেন, আমাদের কাছে গোপন তথ্য ছিল, কাস্টমস হাউজে ঘুষ বাণিজ্য চলছে এবং মোটা অঙ্কের টাকা লেনদেন হচ্ছে। সেই তথ্যের ভিত্তিতেই আমরা অভিযান শুরু করি। ঘটনাস্থল থেকেই ঘুষের টাকা উদ্ধার করে সংশ্লিষ্ট দুজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শামীমা আক্তারকে কাস্টমস হেফাজতে ও হাসিবুলকে পুলিশ হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, বেনাপোল কাস্টমসে দীর্ঘদিন ধরে ঘুষ ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। দুদকের এই অভিযানকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন। বেনাপোল কাস্টমস হাউজ দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর। প্রতিদিন এখানে কোটি টাকার পণ্য আমদানি-রপ্তানি হয়। তবে নানা সময় দুর্নীতির অভিযোগে আলোচনায় আসে এই বন্দর।

বেনাপোল পোর্ট থানার এস আই মানিক জানান, হাসিবুল নামে একজন আসামিকে আমাদের কাছে নিরাপত্তা হেফাজতে রেখেছেন দুদকের কর্মকর্তারা।