ময়মনসিংহ , রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দেড় লাখ মানুষের চিকিৎসায় ৭ চিকিৎসক দশমিনায়

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬ বার পড়া হয়েছে

৫০ শয্যাবিশিষ্ট পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকটের মধ্য দিয়েই চলছে স্বাস্থ্যসেবা। এতে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা ও দাপ্তরিক কার্যক্রম। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ ৭ জন চিকিৎসক রয়েছেন। আর চিকিৎসকদের মধ্যে একজন থাকেন বিভিন্ন প্রশিক্ষণে। স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা নানান সময়ে উপজেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করায় ৫ জন চিকিৎসক উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ৪০২ জন লোকের চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। যদিও বাস্তবে জনসংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। ২৭ জন চিকিৎসকের বিপরীতে ৭ জন চিকিৎসক বিপুলসংখ্যক জনগণকে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।

দশমিনা হাসপাতাল ২০১৮ সালে মাতৃস্বাস্থ্য ও প্রসূতি সেবায় জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। এছাড়াও নিরাপদ প্রসবে জেলার মধ্যে দশমিনা হাসপাতাল অনেকবার প্রথম হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র বলছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দশমিনা হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে ৪৫০ জনের। এছাড়া প্রতিদিন গড়ে বহিঃবিভাগে সাড়ে তিন শতাধিক ও আন্ত:বিভাগে ৯০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দেড় লাখ মানুষের চিকিৎসায় ৭ চিকিৎসক দশমিনায়

আপডেট সময় ১০:০১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

৫০ শয্যাবিশিষ্ট পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক ও কর্মচারী সংকটের মধ্য দিয়েই চলছে স্বাস্থ্যসেবা। এতে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসাসেবা ও দাপ্তরিক কার্যক্রম। 

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ ৭ জন চিকিৎসক রয়েছেন। আর চিকিৎসকদের মধ্যে একজন থাকেন বিভিন্ন প্রশিক্ষণে। স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা নানান সময়ে উপজেলার বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করায় ৫ জন চিকিৎসক উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের মোট ১ লাখ ৩০ হাজার ৪০২ জন লোকের চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। যদিও বাস্তবে জনসংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। ২৭ জন চিকিৎসকের বিপরীতে ৭ জন চিকিৎসক বিপুলসংখ্যক জনগণকে চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন।

দশমিনা হাসপাতাল ২০১৮ সালে মাতৃস্বাস্থ্য ও প্রসূতি সেবায় জাতীয় পুরস্কার লাভ করে। এছাড়াও নিরাপদ প্রসবে জেলার মধ্যে দশমিনা হাসপাতাল অনেকবার প্রথম হয়েছে। হাসপাতাল সূত্র বলছে, ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত দশমিনা হাসপাতালে স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে ৪৫০ জনের। এছাড়া প্রতিদিন গড়ে বহিঃবিভাগে সাড়ে তিন শতাধিক ও আন্ত:বিভাগে ৯০ জন রোগী চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।