ময়মনসিংহ , বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​আইনি সংস্কারের পথে বড় পদক্ষেপ: সংসদে পাস হলো অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ বিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতি তামিমকে অভিনন্দন জানালেন শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে, ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন হচ্ছে পরিকল্পনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দেশের ২৮৪৭টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ৩ মে নয়, সারাদেশে হামের টিকা শুরু ২০ এপ্রিল ২১ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে নীরবতা: নিজ দেশেই তোপের মুখে নেতানিয়াহু মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা: হজে না যাওয়ার পরামর্শ দূতাবাসের রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার অবসান: উন্মুক্ত হচ্ছে হরমুজ, কমছে তেলের দাম ধর্ষণেরস্বীকার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী তরুণী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

দেশের ২৮৪৭টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:১৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

দেশের আটটি বিভাগের মোট ২ হাজার ৮৪৭টি গ্রামে বর্তমানে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই বলে সংসদকে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।

শিক্ষামন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে, দেশের প্রতিটি গ্রামে এখনো প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা সম্ভব হয়নি এবং বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে এই ঘাটতির চিত্র ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগে বিদ্যালয়বিহীন গ্রামের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভাগগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বোচ্চ ৮১৮টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। এরপরই ঢাকা বিভাগে এই সংখ্যা ৭১৭টি। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৩৫৫টি, খুলনা বিভাগে ৩৪৯টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৬৬টি এবং সিলেট বিভাগে ২৬০টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই।

ভবিষ্যতে এসব গ্রামে সরকারি উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান যে, প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। যেসব গ্রামে বর্তমানে কোনো বিদ্যালয় নেই, সেখান থেকে যদি নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পাওয়া যায়, তবে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা এবং এ সংক্রান্ত সরকারি শর্তাদি যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।

উল্লেখ্য যে, দেশের সব শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার ইতিমধ্যে নানামুখী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রায় ২ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রান্তিক পর্যায়ের শিশুদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে এবং ঝরে পড়া রোধে এই উদ্যোগগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিপুল সংখ্যক গ্রামে বিদ্যালয়ের অনুপস্থিতি প্রাথমিক শিক্ষা খাতের অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​আইনি সংস্কারের পথে বড় পদক্ষেপ: সংসদে পাস হলো অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ বিল

দেশের ২৮৪৭টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:১৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

দেশের আটটি বিভাগের মোট ২ হাজার ৮৪৭টি গ্রামে বর্তমানে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই বলে সংসদকে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। 

আজ বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নাল আবদিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এই তথ্য প্রদান করেন।

শিক্ষামন্ত্রী স্বীকার করেছেন যে, দেশের প্রতিটি গ্রামে এখনো প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন করা সম্ভব হয়নি এবং বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যানে এই ঘাটতির চিত্র ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও ঢাকা বিভাগে বিদ্যালয়বিহীন গ্রামের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভাগগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে সর্বোচ্চ ৮১৮টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। এরপরই ঢাকা বিভাগে এই সংখ্যা ৭১৭টি। এছাড়া রাজশাহী বিভাগে ৩৫৫টি, খুলনা বিভাগে ৩৪৯টি, ময়মনসিংহ বিভাগে ২৬৬টি এবং সিলেট বিভাগে ২৬০টি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই।

ভবিষ্যতে এসব গ্রামে সরকারি উদ্যোগে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পরিকল্পনা সম্পর্কে মন্ত্রী জানান যে, প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। যেসব গ্রামে বর্তমানে কোনো বিদ্যালয় নেই, সেখান থেকে যদি নতুন বিদ্যালয় স্থাপনের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব পাওয়া যায়, তবে তা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা এবং এ সংক্রান্ত সরকারি শর্তাদি যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি সংসদকে আশ্বস্ত করেন।

উল্লেখ্য যে, দেশের সব শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার ইতিমধ্যে নানামুখী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর অংশ হিসেবে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রায় ২ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিনামূল্যে স্কুল ড্রেস বিতরণের ঘোষণা দিয়েছেন।

প্রান্তিক পর্যায়ের শিশুদের বিদ্যালয়ে ফিরিয়ে আনতে এবং ঝরে পড়া রোধে এই উদ্যোগগুলো কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে বিপুল সংখ্যক গ্রামে বিদ্যালয়ের অনুপস্থিতি প্রাথমিক শিক্ষা খাতের অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে।