ময়মনসিংহ , সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কাজ করা হবে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির সংকটের কঠিন মুহূর্তে আমাকে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি ও সশস্ত্র বাহিনী বলেছেন রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে প্রথমবারের মতো অফিস করলেন জুলাইয়ের শহীদদের পরিবার যেন ন্যায্য বিচার পান বলেছেন তাজুল ইসলাম সংরক্ষিত নারী আসনে থাকবেন কারা:মির্জা ফখরুল মো. আব্দুস সালাম ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন ৬ সিটি করপোরেশনে নতুন প্রশাসক নিয়োগ ঢাকা উত্তর-দক্ষিণসহ সরানো হলো তাজুলকে, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালের নতুন চিফ প্রসিকিউটর জরুরি নির্দেশনা বেসরকারি মাদ্রাসার জন্য , না মানলে এমপিও বন্ধ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নেত্রকোনা ঋণের চাপে নিরুদ্দেশ কৃষক দল নেতা, ১৭ দিন পর উদ্ধার

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৫:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • ৬০ বার পড়া হয়েছে

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে নিরুদ্দেশ হয়েছেন এক কৃষক দল নেতা। এ নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সেই জিডির সূত্র ধরে অবশেষে নিরুদ্দেশ সেই কৃষক দল নেতাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ থাকার পর গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বারৈখালী এলাকা ইটাখলা থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঋণের বোঝা সামলাতে না পেরে আত্মগোপনে চলে যান আবদুর রাজ্জাক। তবে তাকে নিখোঁজ দাবি করে তার পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। সেই জিডির সূত্র ধরে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী বাজার থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ রোববার আব্দুর রাজ্জাককে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের বড়গাওয়া গ্রামের মৃত ইছব আলীর ছেলে এবং স্থানীয় কৃষক দল সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক এলাকার লোকজনের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ-ছয় লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। এই ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি ১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি থেকে চলে যান।

পুলিশের তদন্তে জানা যায়, এলাকা ছাড়ার পর তিনি ট্রেনে করে প্রথমে গৌরীপুর যান এবং সেখানে এক রাত অবস্থান করেন। পরদিন গৌরীপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গিয়ে আট দিন দিনমজুরের কাজ করেন। এরপর ১১ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা এলাকায় যান এবং ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় দিনমজুরের কাজ করেন।

সর্বশেষ গত ১৬ অক্টোবর তিনি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী বাজারে যান।

এদিকে, আব্দুর রাজ্জাক নিখোঁজ হওয়ার পর তার ছেলে বারহাট্টা থানায় একটি জিডি করেন। বারহাট্টা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মুন্সিগঞ্জ শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী বাজার এলাকায় আব্দুর রাজ্জাকের অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে গত শনিবার পুলিশ সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনায় নিয়ে আসে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে নিতে কাজ করা হবে জানিয়েছেন হুমায়ুন কবির

নেত্রকোনা ঋণের চাপে নিরুদ্দেশ কৃষক দল নেতা, ১৭ দিন পর উদ্ধার

আপডেট সময় ০৯:৫৫:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে নিরুদ্দেশ হয়েছেন এক কৃষক দল নেতা। এ নিয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। সেই জিডির সূত্র ধরে অবশেষে নিরুদ্দেশ সেই কৃষক দল নেতাকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে নিখোঁজ থাকার পর গত শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাতে মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার বারৈখালী এলাকা ইটাখলা থেকে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঋণের বোঝা সামলাতে না পেরে আত্মগোপনে চলে যান আবদুর রাজ্জাক। তবে তাকে নিখোঁজ দাবি করে তার পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে। সেই জিডির সূত্র ধরে মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী বাজার থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ রোববার আব্দুর রাজ্জাককে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বারহাট্টা উপজেলার সাহতা ইউনিয়নের বড়গাওয়া গ্রামের মৃত ইছব আলীর ছেলে এবং স্থানীয় কৃষক দল সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক এলাকার লোকজনের কাছ থেকে প্রায় পাঁচ-ছয় লাখ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। এই ঋণের চাপ সহ্য করতে না পেরে তিনি ১ অক্টোবর রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ি থেকে চলে যান।

পুলিশের তদন্তে জানা যায়, এলাকা ছাড়ার পর তিনি ট্রেনে করে প্রথমে গৌরীপুর যান এবং সেখানে এক রাত অবস্থান করেন। পরদিন গৌরীপুর থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গিয়ে আট দিন দিনমজুরের কাজ করেন। এরপর ১১ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা এলাকায় যান এবং ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় দিনমজুরের কাজ করেন।

সর্বশেষ গত ১৬ অক্টোবর তিনি মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী বাজারে যান।

এদিকে, আব্দুর রাজ্জাক নিখোঁজ হওয়ার পর তার ছেলে বারহাট্টা থানায় একটি জিডি করেন। বারহাট্টা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আরিফুল ইসলাম তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় মুন্সিগঞ্জ শ্রীনগর উপজেলার বাড়ৈখালী বাজার এলাকায় আব্দুর রাজ্জাকের অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে গত শনিবার পুলিশ সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে নেত্রকোনায় নিয়ে আসে।