ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন গৌরীপুরে মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত এনসিপির ৮৭ নেতাকর্মীর গণপদত্যাগ রাঙামাটির জুরাছড়িতে কুড়িগ্রামে সরকারি ওষুধ পাচারের সময় হাসপাতালের স্টোরকিপার আটক ত্রিশাল বালিপাড়া ইউনিয়নের বৈন্নার পাড়ে সরকারি বিধি না মেনে অবৈধ ভাবে চালাচ্ছে সামাল ব্রিক্স নামে দুটি ইট ভাটা, নেই কোনো অনুমোদন হিনা খান ইফতার পার্টিতে চরম বিড়ম্বনায় মাদক সেবনে বাধা রাজধানীর শান্তিবাগে, যুবককে কুপিয়ে হত্যা প্রধানমন্ত্রী আজ ফ্যামিলি কার্ডের উদ্বোধন করবেন , পাবেন ৩৭৫৬৭ জন ইরানকে ‘সর্বোচ্চ পরাজয়ের’ সৌদি সতর্কবার্তা দিলো
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

নেপাল সেনাবাহিনী কুকুরদের বিশেষ সম্মান জানালো

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫
  • ৭২ বার পড়া হয়েছে

নেপালে ‘কুকুর তিহার’ উৎসবের মধ্য দিনে কুকুরদের প্রতি দেখানো হয় বিশেষ সম্মান। প্রভুভক্তি ও নিষ্ঠার জন্য কুকুরদের সম্মান জানানো হয় এই দিনে। পোষ্য এবং সার্ভিস ডগ, উভয়কেই মালা, খাবার এবং সিঁদুর দিয়ে সম্মান জানানো হয়। নেপাল পুলিশ কাইনাইন ডিভিশনে কুকুরদের পদকও দেওয়া হয়।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সোমবার নেপালে ছিল কুকুরদের দিন অর্থাৎ ‘কুকুর তিহার’ উৎসব। এ উৎসব ঘিরে মানুষ তাদের সবচেয়ে নিবেদিত বন্ধুকে পূজা করে।

হিন্দু ধর্মমতে, কুকুরকে মনে করা হয় মৃত্যুর দেবতা-যমের দূত, যে আত্মার পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। এই বিশ্বাস থেকেই শতাব্দী ধরে চলে আসছে ‘কুকুর তিহার’। দেবতার দূত হিসেবে নয়, বরং বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে কুকুরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই মানুষ এই দিনটিকে এত বিশেষ করে তোলে।

নেপাল পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ড. আর. সি. সাটিয়াল বলেন, আমরা আমাদের কুকুরদের শুধু আধ্যাত্মিক কারণে নয়, তাদের সেবার জন্যও সম্মান জানাই। তারা দেশের নিরাপত্তার এক অমূল্য অংশ।

জানা গেছে, নেপালজুড়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীতে প্রায় একশরও বেশি প্রশিক্ষিত কুকুর কাজ করছে, যাদের বিশেষভাবে বোমা শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজে নিযুক্ত করা হয়।এ দিনটিকে অনেকে ‘মানুষ ও কুকুরের বন্ধুত্বের উৎসব’ বলেই জানে। বিদেশি পর্যটকরা বলেন, অন্য দেশে কুকুর হয়তো পোষা প্রাণী, কিন্তু নেপালে তারা পূজিত আত্মা—ভালোবাসা ও সম্মানের প্রতীক।

পুরাণে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কুকুরকে স্নেহ করে, যম তাকে আশীর্বাদ দেন এবং মৃত্যুর পর আত্মার নিরাপদ পথ নিশ্চিত হয়। তাই হয়তো এই দিনে কুকুরদের চোখে শুধু আনন্দ নয়, যেন এক আভিজাত্যের ছোঁয়াও ফুটে ওঠে—যেন তারাও জানে যে, আজকের দিনটি কেবল তাদের জন্যই।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবনা জেলার ফরিদপুরে মরে যাচ্ছে বড়াল নদী, খনন না হলে হারিয়ে যেতে পারে ঐতিহ্য ও জীবিকা

নেপাল সেনাবাহিনী কুকুরদের বিশেষ সম্মান জানালো

আপডেট সময় ১০:২২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ অক্টোবর ২০২৫

নেপালে ‘কুকুর তিহার’ উৎসবের মধ্য দিনে কুকুরদের প্রতি দেখানো হয় বিশেষ সম্মান। প্রভুভক্তি ও নিষ্ঠার জন্য কুকুরদের সম্মান জানানো হয় এই দিনে। পোষ্য এবং সার্ভিস ডগ, উভয়কেই মালা, খাবার এবং সিঁদুর দিয়ে সম্মান জানানো হয়। নেপাল পুলিশ কাইনাইন ডিভিশনে কুকুরদের পদকও দেওয়া হয়।

এনডিটিভির প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত সোমবার নেপালে ছিল কুকুরদের দিন অর্থাৎ ‘কুকুর তিহার’ উৎসব। এ উৎসব ঘিরে মানুষ তাদের সবচেয়ে নিবেদিত বন্ধুকে পূজা করে।

হিন্দু ধর্মমতে, কুকুরকে মনে করা হয় মৃত্যুর দেবতা-যমের দূত, যে আত্মার পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করে। এই বিশ্বাস থেকেই শতাব্দী ধরে চলে আসছে ‘কুকুর তিহার’। দেবতার দূত হিসেবে নয়, বরং বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবে কুকুরদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই মানুষ এই দিনটিকে এত বিশেষ করে তোলে।

নেপাল পুলিশের সুপারিনটেনডেন্ট ড. আর. সি. সাটিয়াল বলেন, আমরা আমাদের কুকুরদের শুধু আধ্যাত্মিক কারণে নয়, তাদের সেবার জন্যও সম্মান জানাই। তারা দেশের নিরাপত্তার এক অমূল্য অংশ।

জানা গেছে, নেপালজুড়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীতে প্রায় একশরও বেশি প্রশিক্ষিত কুকুর কাজ করছে, যাদের বিশেষভাবে বোমা শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান ও উদ্ধার কাজে নিযুক্ত করা হয়।এ দিনটিকে অনেকে ‘মানুষ ও কুকুরের বন্ধুত্বের উৎসব’ বলেই জানে। বিদেশি পর্যটকরা বলেন, অন্য দেশে কুকুর হয়তো পোষা প্রাণী, কিন্তু নেপালে তারা পূজিত আত্মা—ভালোবাসা ও সম্মানের প্রতীক।

পুরাণে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কুকুরকে স্নেহ করে, যম তাকে আশীর্বাদ দেন এবং মৃত্যুর পর আত্মার নিরাপদ পথ নিশ্চিত হয়। তাই হয়তো এই দিনে কুকুরদের চোখে শুধু আনন্দ নয়, যেন এক আভিজাত্যের ছোঁয়াও ফুটে ওঠে—যেন তারাও জানে যে, আজকের দিনটি কেবল তাদের জন্যই।