ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখাতে চাই বলেছেন সিইসি পহেলা বৈশাখে কৃষকদের নতুন উপহার: ১০ জেলায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বেরোবির দুই শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগ সভাপতির ১০ বছরের কারাদণ্ড সংসদে হাসনাত: মানবাধিকার কমিশন আইন দিয়ে বিরোধী দল দমনের অভিযোগ সংসদে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল পাস রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫০ শিশুর মৃত্যু রাজনৈতিক আক্রমণ’ নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন থালাপতি বিজয় কর্ম হারিয়ে দেশে আসা প্রবাসীদের নতুন কর্মসংস্থানের চেষ্টা করছি জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ শিশু বলাৎকারের অভিযোগ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পাবনায় পুলিশের গাড়ি থেকে ছিনিয়ে নেয়া আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১১:৪৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১২৪ বার পড়া হয়েছে

পুলিশের গাড়ি থেকে ছিনিয়ে নেয়ার তিনদিন পর সেই আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওহাবসহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে করেছে পুলিশ। ওহাব পাবনার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক মেয়র ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মোরতোজা আলী খাঁনের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পৌর সদরেরর মথুরাপুর বটতলা এলাকার আনসার সরকারের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ওহাবকে ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনার এজাহারভূক্ত আসামি তার ব্যক্তিগত সহকারী রাব্বিকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মথুরাপুর হাইস্কুল মাঠ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা মামলার পলাতক আসামি আব্দুল ওহাবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের গাড়ি থেকে ওহাবকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তার সমর্থক স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতে সুজানগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজাহার আলী বাদী হয়ে ওহাবকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৬৪ জন নামীয় ও দুই থেকে তিনশজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। রাতেই যৌথবাহিনীর অভিযানে ১৬ জনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এক নারীসহ ১১ জনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

সুজানগর সার্কেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, আব্দুল ওহাবকে ছিনিয়ে নেয়ার পর থেকেই পুলিশ ও যৌথবাহিনী তাকেসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত ছিল। অভিযানে ওহাবসহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিরা এখন পুলিশি হেফাজতে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

পাবনায় পুলিশের গাড়ি থেকে ছিনিয়ে নেয়া আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১১:৪৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

পুলিশের গাড়ি থেকে ছিনিয়ে নেয়ার তিনদিন পর সেই আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল ওহাবসহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে করেছে পুলিশ। ওহাব পাবনার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাবেক মেয়র ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সুজানগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশ সুপার মোরতোজা আলী খাঁনের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার ভোরে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে পৌর সদরেরর মথুরাপুর বটতলা এলাকার আনসার সরকারের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় ওহাবকে ছিনিয়ে নেয়ার ঘটনার এজাহারভূক্ত আসামি তার ব্যক্তিগত সহকারী রাব্বিকেও গ্রেপ্তার করা হয়।

এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মথুরাপুর হাইস্কুল মাঠ থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা মামলার পলাতক আসামি আব্দুল ওহাবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পুলিশের গাড়ি থেকে ওহাবকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তার সমর্থক স্থানীয় নেতাকর্মীরা। এ সময় পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়।

এ ঘটনায় ওইদিন রাতে সুজানগর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আজাহার আলী বাদী হয়ে ওহাবকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ৬৪ জন নামীয় ও দুই থেকে তিনশজনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। রাতেই যৌথবাহিনীর অভিযানে ১৬ জনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এক নারীসহ ১১ জনকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

সুজানগর সার্কেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ বলেন, আব্দুল ওহাবকে ছিনিয়ে নেয়ার পর থেকেই পুলিশ ও যৌথবাহিনী তাকেসহ জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত ছিল। অভিযানে ওহাবসহ দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আসামিরা এখন পুলিশি হেফাজতে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।