তিনি বলেন, ইরান তার প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর যে হামলা চালাচ্ছে তাতে ‘কারও কোনো কল্যাণ হবে না’। গত প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপক বোমাবর্ষণের জবাবে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর ওপর ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে, যার ফলে জানমালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিসহ ওই অঞ্চলের জ্বালানিভিত্তিক অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, কাতার তার সার্বভৌমত্বের ওপর যেকোনো অন্যায্য হামলার বিরুদ্ধে আইনি ও আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত রাখবে। কয়েক দিন আগে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুল রহমান বিন জাসিম আল থানি তেহরানের সঙ্গে ফোনালাপে প্রতিবেশী দেশগুলোর ওপর হামলা বন্ধের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছিলেন, কিন্তু ইরানের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির আশানুরূপ পরিবর্তন দেখা যায়নি।
সংঘাতের ফলে এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথের যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে আন্তর্জাতিক বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আল-খুলাইফি বলেন যে, একটি টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের জন্য আলোচনার কোনো বিকল্প নেই এবং চলমান সামরিক অভিযান বন্ধ করাই এখন প্রধান অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।
দোহা বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গেও সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে শত্রুতা পরিহার করে শান্তির পথে হাঁটার অনুরোধ জানিয়েছে। কাতার আশা করছে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের পথ খুঁজে বের করবে এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে বিবাদ নিরসনে একমত হবে।
আল-খুলাইফি পুনরুক্তি করেন, ইরানকে এটা বুঝতে হবে যে আঞ্চলিক দেশগুলো তাদের প্রতিপক্ষ নয়, বরং শান্তি প্রতিষ্ঠায় সহায়ক ভূমিকা পালন করতে আগ্রহী। যুদ্ধকালীন উত্তজনা প্রশমিত না হলে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়বে বলে কাতার সতর্ক করেছে।

ডিজিটাল ডেস্ক 
























