বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আমিনুল হক এই আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর আগে একই ধরনের অভিযোগ এনে ঢাকা-৬ ও ৭, রাজশাহী-১ ও ৪, পাবনা-৪ এবং রংপুর-৪ ও ৬-সহ ১৫টিরও বেশি আসনের বিভিন্ন প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। এসব আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট আসনের ব্যালট পেপারসহ যাবতীয় নির্বাচনি সরঞ্জাম ও নথিপত্র সংরক্ষণের জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনি অনয়ম সংক্রান্ত অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান রয়েছে। সেই এখতিয়ার অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি এই একক বেঞ্চ গঠন করে দিয়েছেন। হাইকোর্টের কার্যতালিকায় উল্লেখ আছে যে, এই বেঞ্চটি ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (যা ২০০১ সালে সংশোধিত) অনুযায়ী দায়ের করা আবেদন গ্রহণ ও রুল জারিসহ যাবতীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
আগামী এপ্রিল ও মে মাসের বিভিন্ন তারিখে এসব আবেদনের ওপর ধারাবাহিক শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। আমিনুল হকের করা আবেদনটিও নিয়ম অনুযায়ী শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে।

ডিজিটাল রিপোর্ট 



















