ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল-সিএনজি বিক্রি বন্ধ সিলেটে ট্রেন লাইনচ্যুত হবিগঞ্জে: বালতি ভরে তেল নিচ্ছে স্থানীয়রা জলাশয় রক্ষায় জিরো টলারেন্স: সংশ্লিষ্টদের প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ নির্দেশনা ঝিনাইদহ ও ফেনীতে নতুন প্রাণের সঞ্চার: চলতি মাসেই খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী আগামী ঈদে সড়ক ব্যবস্থাপনা ঢেলে সাজানো হবে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহনমন্ত্রী হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া ৬ বাংলাদেশি জাহাজ ছাড়ছে ইরান: দ্রুত ফেরার আশা ঢাবিতে বাংলা নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি সভা: প্রতিপাদ্য ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ ময়মনসিংহ মেডিকেলে হামের প্রাদুর্ভাব: ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি ২১ শিশু, মোট আক্রান্ত ১৪৩ আটা-রুটির কারখানায় মিললো প্রায় ৬ হাজার ডিজেল ভোলায় , মালিকদের জরিমানা পাবনা জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মোহাম্মদ জহুরুল ইসলাম
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ফিটনেস ট্রেনার নাথান কেলি বিসিবির চাকরি ছাড়লেন

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:১৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ফিটনেস ট্রেনার নাথান কেলি পদত্যাগ করেছেন। বিষয়টি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) জানিয়েছেন। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগের একটি সূত্র কেলির পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করেছে।

গত বছরের এপ্রিলে দুই বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশে আসেন অস্ট্রেলিয়ান ফিটনেস ট্রেনার নাথান কেলি। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস আগেই দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কেলি জানিয়েছেন, পরিবার—বিশেষ করে নবজাতক সন্তান ও স্ত্রীর পাশে থাকতে চাকরি ছাড়তে হচ্ছে তাকেকেলি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় আমার নবজাতক সন্তান ও স্ত্রীর পাশে থাকতে আমি বাংলাদেশ জাতীয় দলের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। যেহেতু ওদের পাশে অন্য কেউ নেই, তাই আমি বাড়িতে থাকাকেই প্রাধান্য দিয়েছি।’

গত মাসে এশিয়া কাপ চলাকালে সন্তান জন্মের সময় স্ত্রীর পাশে থাকতে দেশে ফেরেন কেলি। ২৪ সেপ্টেম্বর বাবা হওয়ার পর থেকে আর জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেননি তিনি। এর ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তান সিরিজ এবং দেশে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ—দুটিতেই ছিলেন না তিনি। এই সময়ে জাতীয় দলের ফিটনেস ট্রেনারের দায়িত্ব পালন করছেন স্থানীয় প্রশিক্ষক ইফতেখার রহমান।

বাংলাদেশ দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ফিটনেস পরীক্ষায় কিছু নতুনত্ব এনেছিলেন নাথান কেলি। প্রচলিত বিপ ও ইয়ো–ইয়ো টেস্টের পাশাপাশি তিনি চালু করেন ‘টাইম ট্রায়াল’ পদ্ধতি। এতে ক্রিকেটারদের ১ হাজার ৬০০ মিটার দৌড় (চার চক্কর) সম্পন্ন করতে হতো নির্দিষ্ট সময়ে, যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হতো পাস বা ফেল।

এশিয়া কাপের আগে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা এ পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট শুরুর আগেও একইভাবে ক্রিকেটারদের টাইম ট্রায়াল টেস্ট নেওয়া হয়।

বাংলাদেশে আসার আগে কেলি কাজ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস দলের ফিটনেস কোচ হিসেবে। এছাড়া তিনি একটি রাগবি ক্লাবের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনির্দিষ্টকালের জন্য তেল-সিএনজি বিক্রি বন্ধ সিলেটে

ফিটনেস ট্রেনার নাথান কেলি বিসিবির চাকরি ছাড়লেন

আপডেট সময় ১০:১৯:৫২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ফিটনেস ট্রেনার নাথান কেলি পদত্যাগ করেছেন। বিষয়টি তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিবি) জানিয়েছেন। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগের একটি সূত্র কেলির পদত্যাগের খবর নিশ্চিত করেছে।

গত বছরের এপ্রিলে দুই বছরের চুক্তিতে বাংলাদেশে আসেন অস্ট্রেলিয়ান ফিটনেস ট্রেনার নাথান কেলি। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার ছয় মাস আগেই দায়িত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। কেলি জানিয়েছেন, পরিবার—বিশেষ করে নবজাতক সন্তান ও স্ত্রীর পাশে থাকতে চাকরি ছাড়তে হচ্ছে তাকেকেলি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় আমার নবজাতক সন্তান ও স্ত্রীর পাশে থাকতে আমি বাংলাদেশ জাতীয় দলের চাকরি ছেড়ে দিয়েছি। যেহেতু ওদের পাশে অন্য কেউ নেই, তাই আমি বাড়িতে থাকাকেই প্রাধান্য দিয়েছি।’

গত মাসে এশিয়া কাপ চলাকালে সন্তান জন্মের সময় স্ত্রীর পাশে থাকতে দেশে ফেরেন কেলি। ২৪ সেপ্টেম্বর বাবা হওয়ার পর থেকে আর জাতীয় দলের সঙ্গে যোগ দেননি তিনি। এর ফলে সংযুক্ত আরব আমিরাতে আফগানিস্তান সিরিজ এবং দেশে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজ—দুটিতেই ছিলেন না তিনি। এই সময়ে জাতীয় দলের ফিটনেস ট্রেনারের দায়িত্ব পালন করছেন স্থানীয় প্রশিক্ষক ইফতেখার রহমান।

বাংলাদেশ দলে যোগ দেওয়ার পর থেকেই ফিটনেস পরীক্ষায় কিছু নতুনত্ব এনেছিলেন নাথান কেলি। প্রচলিত বিপ ও ইয়ো–ইয়ো টেস্টের পাশাপাশি তিনি চালু করেন ‘টাইম ট্রায়াল’ পদ্ধতি। এতে ক্রিকেটারদের ১ হাজার ৬০০ মিটার দৌড় (চার চক্কর) সম্পন্ন করতে হতো নির্দিষ্ট সময়ে, যার ভিত্তিতে নির্ধারিত হতো পাস বা ফেল।

এশিয়া কাপের আগে জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা এ পরীক্ষায় অংশ নেন। পরে ঘরোয়া প্রথম শ্রেণির টুর্নামেন্ট শুরুর আগেও একইভাবে ক্রিকেটারদের টাইম ট্রায়াল টেস্ট নেওয়া হয়।

বাংলাদেশে আসার আগে কেলি কাজ করেছেন অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস দলের ফিটনেস কোচ হিসেবে। এছাড়া তিনি একটি রাগবি ক্লাবের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।