ময়মনসিংহ , রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬, ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গৌরীপুরে রক্তযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও রক্তদূত ব্লাড ডোনার সোসাইটির নতুন কমিটি ঘোষণা সংসদের খারাপ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পূর্বধলায় স্বর্ণ সুধা যুব উন্নয়ন সমিতির নানামুখী সামাজিক কার্যক্রম শক্তিশালী প্লেয়ারদের সঙ্গে সমঝোতা করলে খুব আরামে থাকা যেতো বললেন আসিফ মাহমুদ নওগাঁর খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার কথিত বিএনপি নেতা পাগলা মসজিদের গরু নিলামে কিনে এক বছরেও টাকা দেননি সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণ:২৬ প্রাণহানি তিনজনের অবহেলায় , শুরু হতে যাচ্ছে বিচার ভূমিকম্পে ফের কাঁপল ইরান যুদ্ধের মধ্যে নেপালে গণঅভ্যুত্থানের নেতারাই সরকার গঠন করেছে কারণ সেখানে ঢাবি নেই বললেন সালাহউদ্দিন আম্মার ফোনে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার চার সন্তানের জননী নরসিংদী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বদলে গেলো যমুনা নদীতে নবনির্মিত রেলসেতুর নাম

  • বিশেষ প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় ০৮:১৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

বদলে গেলো যমুনা নদীর ওপর নবনির্মিত রেলসেতুর নাম। নতুন নামকরণ হয়েছে ‘যমুনা রেলসেতু’। এর আগে সেতুটির নাম রাখা হয়েছিলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেলসেতু।

রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন।

সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর নাম বাতিল করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যমুনা নদীতে নির্মিত রেলসেতুর নাম ‘বঙ্গবন্ধু রেল সেতু’ থাকছে না। এটি এখন ‘যমুনা রেলসেতু’ নামেই উদ্বোধন করা হবে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে এই রেলসেতু উদ্বোধন করা হতে পারে।

আফজাল হোসেন বলেন, রেলে ইঞ্জিন সঙ্কট রয়েছে, তাই নতুন ট্রেন চালু করতে পারছি না। তবে রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করেছেন, পাবনাবাসীর জন্য নতুন ট্রেন চালু করা যায় কি না, সেটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি।

এর আগে গত শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম রেলসেতু পরিদর্শন করেন। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, স্ব-স্ব এলাকার জায়গার নামেই বিভিন্ন স্থাপনার নাম দিতে আগ্রহী তারা।
যমুনা নদীর ওপর নবনির্মিত রেলওয়ে সেতুটির ক্ষেত্রেও তা-ই হতে পারে। যমুনা নদীর ওপর নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর নাম বাতিল করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

রেলওয়ে প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, রেল সেতুটি নির্মাণে প্রথমে ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে এর মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হয়। এতে প্রকল্পের ব্যয়ও বৃদ্ধি করা হয়।পরে ব্যয় বেড়ে ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা দাঁড়ায়। এর মধ্যে দেশীয় অর্থায়ন ২৭.৬০ শতাংশ। আর জাইকা ঋণ দিয়েছে ১২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা। যা প্রকল্পের ৭২.৪০ শতাংশ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গৌরীপুরে রক্তযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও রক্তদূত ব্লাড ডোনার সোসাইটির নতুন কমিটি ঘোষণা

বদলে গেলো যমুনা নদীতে নবনির্মিত রেলসেতুর নাম

আপডেট সময় ০৮:১৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪

বদলে গেলো যমুনা নদীর ওপর নবনির্মিত রেলসেতুর নাম। নতুন নামকরণ হয়েছে ‘যমুনা রেলসেতু’। এর আগে সেতুটির নাম রাখা হয়েছিলো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেলসেতু।

রোববার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে বিষয়টি জানিয়েছেন বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন।

সম্প্রতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর নাম বাতিল করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, যমুনা নদীতে নির্মিত রেলসেতুর নাম ‘বঙ্গবন্ধু রেল সেতু’ থাকছে না। এটি এখন ‘যমুনা রেলসেতু’ নামেই উদ্বোধন করা হবে। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে এই রেলসেতু উদ্বোধন করা হতে পারে।

আফজাল হোসেন বলেন, রেলে ইঞ্জিন সঙ্কট রয়েছে, তাই নতুন ট্রেন চালু করতে পারছি না। তবে রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করেছেন, পাবনাবাসীর জন্য নতুন ট্রেন চালু করা যায় কি না, সেটি নিয়ে চিন্তাভাবনা করছি।

এর আগে গত শুক্রবার অন্তর্বর্তী সরকারের রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম রেলসেতু পরিদর্শন করেন। তখন তিনি জানিয়েছিলেন, স্ব-স্ব এলাকার জায়গার নামেই বিভিন্ন স্থাপনার নাম দিতে আগ্রহী তারা।
যমুনা নদীর ওপর নবনির্মিত রেলওয়ে সেতুটির ক্ষেত্রেও তা-ই হতে পারে। যমুনা নদীর ওপর নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর নাম বাতিল করে গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।

রেলওয়ে প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, রেল সেতুটি নির্মাণে প্রথমে ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে এর মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হয়। এতে প্রকল্পের ব্যয়ও বৃদ্ধি করা হয়।পরে ব্যয় বেড়ে ১৬ হাজার ৭৮০ কোটি ৯৫ লাখ ৬৩ হাজার টাকা দাঁড়ায়। এর মধ্যে দেশীয় অর্থায়ন ২৭.৬০ শতাংশ। আর জাইকা ঋণ দিয়েছে ১২ হাজার ১৪৯ কোটি টাকা। যা প্রকল্পের ৭২.৪০ শতাংশ।