ময়মনসিংহ , রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেত্রকোণায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরু বন্যহাতিকে পর্যটনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী পঞ্চগড়ে ‘বাবুই নারী উদ্যোক্তা হাট’ উদ্বোধন, ঘুরে দেখলেন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ শেরপুরে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুকে ফুলেল শুভেচ্ছায় বরণ সাজেকে দুপুর থেকে শুরু হচ্ছে ৪৮ ঘণ্টার সড়ক অবরোধ আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম বাংলাদেশের এহতিশামুল হক হিরা ! ব্যাংক খাতের ক্ষতি কাটাতে বছরে ৬০ হাজার কোটি টাকা চায় বাংলাদেশ ব্যাংক : গভর্নর তরুণদের প্রশ্নে মিলবে পরিকল্পনার উপাদান, এগিয়ে যাবে দেশ : রিজভী স্বামী-স্ত্রীকে দূরে বদলি আমলাতান্ত্রিক খামখেয়ালিপনা বলে মন্তব্য করেছেন রিজভী ফ্যাসিবাদ আমলে নিপীড়িত শিক্ষকদের মূল্যায়নের চিন্তা করছে সরকার জানিয়েছেন মাহদী আমিন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বন্যহাতিকে পর্যটনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী

বন্যহাতি ও মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ বাড়ানো এবং বন্যহাতিকে পর্যটনের অংশ হিসেবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু এমপি।

গত শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও বন্যহাতি সংরক্ষণে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে এ সভার আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, বন্যহাতি সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জানমাল ও জীবিকা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। হাতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানুষ ও বন্যহাতির মধ্যে সংঘাত কমাতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মধুটিলা ইকোপার্কের উন্নয়নের পাশাপাশি শেরপুর জেলার পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিকল্পিতভাবে পর্যটনকেন্দ্রগুলোর উন্নয়ন করা গেলে এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, বন সংরক্ষক সানাউল্লাহ পাটোয়ারি, শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহুরুল ইসলাম এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নুরুল করিম।

সভা শেষে মন্ত্রী বন্যহাতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেন। এ সময় এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যদের হাতে হাতি তাড়ানোর সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়।

এতে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মন্ত্রী বুরুঙ্গা পাহাড়ের ওসমানের খোল এলাকায় হাতির চলাচলের পথ এবং বন্যহাতির ব্যবহৃত একটি প্রাকৃতিক জলাধার পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি হাতির বিচরণক্ষেত্র ও স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নেত্রকোণায় ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠপর্যায়ের কর্মীদের প্রশিক্ষণ শুরু

বন্যহাতিকে পর্যটনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে: পরিবেশমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:৫৬:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

বন্যহাতি ও মানুষের সহাবস্থান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ বাড়ানো এবং বন্যহাতিকে পর্যটনের অংশ হিসেবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আব্দুল আওয়াল মিন্টু এমপি।

গত শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার মধুটিলা ইকোপার্কে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্য, গণমাধ্যমকর্মী ও বন্যহাতি সংরক্ষণে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে এ সভার আয়োজন করা হয়।

মন্ত্রী বলেন, বন্যহাতি সংরক্ষণের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জানমাল ও জীবিকা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। হাতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং মানুষ ও বন্যহাতির মধ্যে সংঘাত কমাতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মধুটিলা ইকোপার্কের উন্নয়নের পাশাপাশি শেরপুর জেলার পর্যটনশিল্পকে এগিয়ে নিতে উদ্যোগ নেওয়া হবে। পরিকল্পিতভাবে পর্যটনকেন্দ্রগুলোর উন্নয়ন করা গেলে এ অঞ্চলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য তুলে ধরার পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেরপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য প্রকৌশলী ফাহিম চৌধুরী, প্রধান বন সংরক্ষক আমির হোসাইন চৌধুরী, বন সংরক্ষক সানাউল্লাহ পাটোয়ারি, শেরপুরের পুলিশ সুপার এ কে এম জহুরুল ইসলাম এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী নুরুল করিম।

সভা শেষে মন্ত্রী বন্যহাতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ করেন। এ সময় এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যদের হাতে হাতি তাড়ানোর সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়।

এতে নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল মালেক, বন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতাকর্মী এবং স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মন্ত্রী বুরুঙ্গা পাহাড়ের ওসমানের খোল এলাকায় হাতির চলাচলের পথ এবং বন্যহাতির ব্যবহৃত একটি প্রাকৃতিক জলাধার পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি হাতির বিচরণক্ষেত্র ও স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।