ময়মনসিংহ , মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৫ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঢাকায় পৌঁছেছে আমিরাতে নিহত আহমেদ আলীর লাশ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভাঙা বেইলি ব্রিজ পার হচ্ছে মানুষ গৌরীপুরে নারী নির্যাতন বন্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ থাকতে হবে । দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম ইকবাল হোসাইন আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবস উপলক্ষে বিপ্লবী নারী মুক্তি ময়মনসিংহে পথসভা মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় ময়মনসিংহে দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত নালিতাবাড়ীতে টিসিবি’র পন‍্য বিতরণে অনিয়ম-দুর্নীতি ভোমরা স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানি ঈদে টানা ১০ দিন বন্ধ থাকবে বিএনপির এমপি কারামুক্ত আওয়ামী লীগ নেতাকে জেলগেটে ফুল দিয়ে বরণ করলেন সারাদেশে প্রতীকী ব্ল্যাকআউটের সিদ্ধান্ত সরকারের ২৫শে মার্চ মার্কিন কূটনীতিকদের নির্দেশ সৌদি আরব ছাড়তে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৪১০ শ্রীলঙ্কায় , নিখোঁজ ৩৩৬ জন

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:০৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

শ্রীলঙ্কায় প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ার বয়ে নিয়ে আসা ভারি বৃষ্টিতে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৪১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও দেশজুড়ে নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৩৩৬ জন। 

দেশটির মধ্যাঞ্চলের বাসিন্দা নওয়াজ নাশরা স্মরণ করেন, কীভাবে তিনি নিজেকে ও তার তিন বছর বয়সী কন্যাকে দুর্যোগের মধ্যে তার বাড়িতে আঘাত হানা ভূমিধস থেকে রক্ষা করেছিলেন। কন্যাকে বিছানার একটি চাদর দিয়ে মুড়ে নিয়ে দৌঁড়ে ঘর ছেড়ে পালান তিনি।

শুক্রবার রাতে নাশরা ও তার গর্ভবতী বোন পরবর্তী ২০ মিনিট ধরে আলওয়াতুগোদা গ্রামের পাহাড়ের ঢাল দিয়ে নামতে থাকেন, কখনো কখনো হাঁটু পর্যন্ত কাদায় দেবে যায় তাদের পা, পরে আরও নিচে একটি মসজিদে পৌঁছাতে সক্ষম হন তারা।

শ্রীলঙ্কা ক্যান্ডিতে ভূমিধসে ভেঙে পড়া একটি বৌদ্ধ মন্দির। ছবি: রয়টার্স

রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘ঘুটঘুটে অন্ধকার, তার মধ্যে আমরা শুধু বজ্রপাতের মতো শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। পাশের বাড়িটা আমাদের চোখের সামনেই ভেঙে পড়ে। কাউকে সতর্ক করার মতো কোনো সময় ছিল না।’

ক্যান্ডি অঞ্চলের ২০ হাজারেরও বেশি মানুষকে ১৭৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো দেশজুড়ে ৩৩৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন আর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ১২ লাখ মানুষ। যে সব এলাকায় ভূমিধস হয়েছে, সেখানে মাটিতে চাপা পড়া মৃতদেহ উদ্ধারে শত শত সেনা ও পুলিশ সদস্য কাজ করছেন।ক্যান্ডিতে ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির দিকে তাকিয়ে আছেন এক পুলিশ সদস্য। ছবি: রয়টার্স

পাহাড় থেকে ধসে পড়া মাটি, পাথর ও গাছের ভেঙে পড়া ডালসহ রাস্তায় রাস্তায় জমে থাকা বিভিন্ন আবর্জনা সরাতে কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার বুলডোজার ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেছে।

সম্প্রতি দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় প্রাণঘাতী কয়েকটি ঝড় বয়ে গেছে, এসব ঝড়ে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের বিশাল এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রবল বাতাসে টেলিযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে এসব সরবরাহ স্বাভাবিক করতেও কাজ শুরু হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় পৌঁছেছে আমিরাতে নিহত আহমেদ আলীর লাশ

বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ৪১০ শ্রীলঙ্কায় , নিখোঁজ ৩৩৬ জন

আপডেট সময় ০১:০৭:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ডিসেম্বর ২০২৫

শ্রীলঙ্কায় প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় দিতওয়ার বয়ে নিয়ে আসা ভারি বৃষ্টিতে এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ৪১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও দেশজুড়ে নিখোঁজ রয়েছেন আরও ৩৩৬ জন। 

দেশটির মধ্যাঞ্চলের বাসিন্দা নওয়াজ নাশরা স্মরণ করেন, কীভাবে তিনি নিজেকে ও তার তিন বছর বয়সী কন্যাকে দুর্যোগের মধ্যে তার বাড়িতে আঘাত হানা ভূমিধস থেকে রক্ষা করেছিলেন। কন্যাকে বিছানার একটি চাদর দিয়ে মুড়ে নিয়ে দৌঁড়ে ঘর ছেড়ে পালান তিনি।

শুক্রবার রাতে নাশরা ও তার গর্ভবতী বোন পরবর্তী ২০ মিনিট ধরে আলওয়াতুগোদা গ্রামের পাহাড়ের ঢাল দিয়ে নামতে থাকেন, কখনো কখনো হাঁটু পর্যন্ত কাদায় দেবে যায় তাদের পা, পরে আরও নিচে একটি মসজিদে পৌঁছাতে সক্ষম হন তারা।

শ্রীলঙ্কা ক্যান্ডিতে ভূমিধসে ভেঙে পড়া একটি বৌদ্ধ মন্দির। ছবি: রয়টার্স

রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘ঘুটঘুটে অন্ধকার, তার মধ্যে আমরা শুধু বজ্রপাতের মতো শব্দ শুনতে পাচ্ছিলাম। পাশের বাড়িটা আমাদের চোখের সামনেই ভেঙে পড়ে। কাউকে সতর্ক করার মতো কোনো সময় ছিল না।’

ক্যান্ডি অঞ্চলের ২০ হাজারেরও বেশি মানুষকে ১৭৬টি আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পুরো দেশজুড়ে ৩৩৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন আর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন প্রায় ১২ লাখ মানুষ। যে সব এলাকায় ভূমিধস হয়েছে, সেখানে মাটিতে চাপা পড়া মৃতদেহ উদ্ধারে শত শত সেনা ও পুলিশ সদস্য কাজ করছেন।ক্যান্ডিতে ভূমিধসে ক্ষতিগ্রস্ত ঘরবাড়ির দিকে তাকিয়ে আছেন এক পুলিশ সদস্য। ছবি: রয়টার্স

পাহাড় থেকে ধসে পড়া মাটি, পাথর ও গাছের ভেঙে পড়া ডালসহ রাস্তায় রাস্তায় জমে থাকা বিভিন্ন আবর্জনা সরাতে কর্তৃপক্ষ মঙ্গলবার বুলডোজার ও অন্যান্য ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করেছে।

সম্প্রতি দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় প্রাণঘাতী কয়েকটি ঝড় বয়ে গেছে, এসব ঝড়ে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডের বিশাল এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে শত শত মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রবল বাতাসে টেলিযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে এসব সরবরাহ স্বাভাবিক করতেও কাজ শুরু হয়েছে।