ময়মনসিংহ , রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দলীয় পরিচয়ে চাঁদাবাজির সুযোগ দেবে না সরকার বললেন ববি হাজ্জাজ বিএনপি নেত্রী সেলিমা রহমান গুরুতর অসুস্থ হয়ে সিসিইউতে আরেক কোটিপতি ড্রাইভারের সন্ধান পিএসসির সেই আবেদ আলীর পর সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভোটকে অস্বীকার করা মানে জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার বললেন রফিকুল ইসলাম খান মাত্র ৫ টাকা নিয়ে বিরোধ, বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের লক্ষ্মীপুরে বাংলাদেশ নির্বাচন-পরবর্তী অর্থনীতি ও পোশাক খাতে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বিএনপি থেকে এগিয়ে যারা সংরক্ষিত নারী আসনে আজ ঢাকার আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে ,কয়েক বিভাগে সোম ও মঙ্গলবার বৃষ্টি হতে পারে লায়লা আরজুমান বানু বগুড়া থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায়
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য পরাজিত প্রার্থীর অফিসে ফুল-মিষ্টি নিয়ে গেলেন

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২৩ বার পড়া হয়েছে

কুমিল্লা-৯ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল কালাম নির্বাচনের পর দেখালেন ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের নজির। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এ. কে. এম. সরওয়ার সিদ্দিকীর কার্যালয়ে ফুল ও মিষ্টি নিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইফতারের পর লাকসাম বাইপাস এলাকায় অবস্থিত লাকসাম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সরওয়ার সিদ্দিকীর অফিসে যান নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। সেখানে পৌঁছালে দুই নেতার মধ্যে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনাপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশে এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃশ্য স্থানীয় মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মো. আবুল কালাম বলেন, রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবেই, কিন্তু প্রতিহিংসার কোনো স্থান নেই। লাকসাম–মনোহরগঞ্জের মানুষ তাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তার মূল লক্ষ্য এই অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন, এই জনপদকে দেশের অন্যতম শান্তিপূর্ণ এলাকায় পরিণত করতে সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চান এবং সেই বার্তা দিতেই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীর অফিসে গিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনের পর এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিভাজন কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তরুণ প্রজন্মের কাছেও এটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। তাদের মতে, উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার বিকল্প নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সহমর্মিতা ও সৌজন্যের চর্চা তুলনামূলকভাবে কম দেখা যায়। সে জায়গায় লাকসাম–মনোহরগঞ্জের এই ঘটনা একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে। এটি শুধু ব্যক্তিগত সৌজন্য নয়, বরং রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি ইতিবাচক দিকও তুলে ধরে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

দলীয় পরিচয়ে চাঁদাবাজির সুযোগ দেবে না সরকার বললেন ববি হাজ্জাজ

বিএনপির নির্বাচিত সংসদ সদস্য পরাজিত প্রার্থীর অফিসে ফুল-মিষ্টি নিয়ে গেলেন

আপডেট সময় ১২:৩০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

কুমিল্লা-৯ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সমর্থিত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. আবুল কালাম নির্বাচনের পর দেখালেন ভিন্নধর্মী রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের নজির। তিনি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী সৈয়দ এ. কে. এম. সরওয়ার সিদ্দিকীর কার্যালয়ে ফুল ও মিষ্টি নিয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

গত শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ইফতারের পর লাকসাম বাইপাস এলাকায় অবস্থিত লাকসাম ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সরওয়ার সিদ্দিকীর অফিসে যান নবনির্বাচিত এই সংসদ সদস্য। সেখানে পৌঁছালে দুই নেতার মধ্যে ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় হয়। নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনাপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশে এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ দৃশ্য স্থানীয় মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে মো. আবুল কালাম বলেন, রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবেই, কিন্তু প্রতিহিংসার কোনো স্থান নেই। লাকসাম–মনোহরগঞ্জের মানুষ তাকে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, তার মূল লক্ষ্য এই অঞ্চলে শান্তি ও সম্প্রীতির পরিবেশ নিশ্চিত করা। তিনি আরও বলেন, এই জনপদকে দেশের অন্যতম শান্তিপূর্ণ এলাকায় পরিণত করতে সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চান এবং সেই বার্তা দিতেই তিনি প্রতিদ্বন্দ্বীর অফিসে গিয়েছেন।

স্থানীয়রা জানান, নির্বাচনের পর এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ রাজনৈতিক সহিংসতা ও বিভাজন কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে। তরুণ প্রজন্মের কাছেও এটি ইতিবাচক বার্তা পৌঁছে দেবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন। তাদের মতে, উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার বিকল্প নেই।

বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সহমর্মিতা ও সৌজন্যের চর্চা তুলনামূলকভাবে কম দেখা যায়। সে জায়গায় লাকসাম–মনোহরগঞ্জের এই ঘটনা একটি ব্যতিক্রমী উদাহরণ হয়ে উঠতে পারে। এটি শুধু ব্যক্তিগত সৌজন্য নয়, বরং রাজনৈতিক সংস্কৃতির একটি ইতিবাচক দিকও তুলে ধরে।