ময়মনসিংহ , রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সময় পরিবর্তন দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার সাবেক এমপি বিএম মোজাম্মেল চাঁদাবাজির মামলায় খালাস পেলেন তদন্ত কমিটির ডাকে সাড়া না দেওয়ার কারণ: আসিফ মাহমুদ বিসিবি সভাপতি ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন আজ পে-স্কেল ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন অর্থমন্ত্রী ‘জ্বালানি সংকট মরার উপর খাড়ার ঘাঁয়ের মতো পরিস্থিতি তৈরি করেছে: আমির খসরু কিছু শক্তি ধর্মকে সামনে নিয়ে রাজনীতি করতে চায় বলেছেন মির্জা ফখরুল পাবনায় হাম-রুবেলা প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন ১৯০ ব্যারলে ডজিলে উদ্ধার অবধৈভাবে মজুত করা , ব্যবসায়ীকে জরমিানা নতুন সময়সূচিতে অফিস: আসছে স্কুল নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ৪ কিশোর আটক নোয়াখালী

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের মারধরে মো. সেলিম (৫০) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে এ  ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চার কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দাদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গৌরিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সুধারাম থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত মো. সেলিম ওই গ্রামের প্রয়াত মো. শাহজানের ছেলে। তিনি দাদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি ছিলেন। বাড়ির পাশে তার দোকান আছে।

পরে গতকাল দুপুরে প্রথমে মোবাইলে অন্তরের সঙ্গে সেই কিশোরের বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর এদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই কিশোর আরও কয়েকজন কিশোরকে নিয়ে মো. সেলিমের বাড়ির সামনে এসে তার ছেলে অন্তরের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় অন্তরের বড় ভাই শাকিল এগিয়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বাড়িতে এমন শোরগোল শুনে নিজের দোকান থেকে বের হয়ে ছেলেদের রক্ষা করতে এগিয়ে যান সেলিম। এ সময় কিশোররা তাকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন।

পরে দ্রুত ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় ছেলে শাকিল বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে কিশোর চক্রের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং আমার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করে। আমরা এ নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার চাই।

এ বিষয়ে দাদপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম বলেন, কৃষি কাজের পাশাপাশি বাড়ি পাশে দোকান করতেন সহজ সরল সেলিম। তিনি কৃষক দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। আমরা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছি।

নোয়াখালী জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব সদস্য সচিব জি এস আব্দুজ্জাহের হারুন এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, আমরা নোয়াখালী জেলা কৃষক দল এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অনতিবিলম্বে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের জোর দাবি জানাই।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সময় পরিবর্তন দোকানপাট ও শপিংমল খোলা রাখার

বিএনপি নেতাকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ৪ কিশোর আটক নোয়াখালী

আপডেট সময় ১০:৫৬:৪১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় ছেলেকে বাঁচাতে গিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের মারধরে মো. সেলিম (৫০) নামে এক বিএনপি নেতা নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে এ  ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চার কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দাদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের গৌরিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

সুধারাম থানার ওসি মো. তৌহিদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত মো. সেলিম ওই গ্রামের প্রয়াত মো. শাহজানের ছেলে। তিনি দাদপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড কৃষক দলের সভাপতি ছিলেন। বাড়ির পাশে তার দোকান আছে।

পরে গতকাল দুপুরে প্রথমে মোবাইলে অন্তরের সঙ্গে সেই কিশোরের বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর এদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে ওই কিশোর আরও কয়েকজন কিশোরকে নিয়ে মো. সেলিমের বাড়ির সামনে এসে তার ছেলে অন্তরের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় অন্তরের বড় ভাই শাকিল এগিয়ে গেলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

বাড়িতে এমন শোরগোল শুনে নিজের দোকান থেকে বের হয়ে ছেলেদের রক্ষা করতে এগিয়ে যান সেলিম। এ সময় কিশোররা তাকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করে এবং মাথায় গুরুতর আঘাত করে। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন।

পরে দ্রুত ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের বড় ছেলে শাকিল বলেন, পূর্ব বিরোধের জের ধরে কিশোর চক্রের সদস্যরা পরিকল্পিতভাবে আমাদের বাড়িতে হামলা চালায় এবং আমার বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করে। আমরা এ নির্মম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার চাই।

এ বিষয়ে দাদপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোহাম্মদ সেলিম বলেন, কৃষি কাজের পাশাপাশি বাড়ি পাশে দোকান করতেন সহজ সরল সেলিম। তিনি কৃষক দলের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ছিলেন। আমরা এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছি।

নোয়াখালী জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব সদস্য সচিব জি এস আব্দুজ্জাহের হারুন এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানান। তিনি বলেন, আমরা নোয়াখালী জেলা কৃষক দল এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং অনতিবিলম্বে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচারের জোর দাবি জানাই।