ময়মনসিংহ , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২ টেকনাফে অভিযানে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, হেলমেট ও গোলাবারুদ উদ্ধার নেত্রকোনার পূর্বধলায় আগিয়া স্কুল মাঠে সামান্য বৃষ্টিতে জলবদ্ধতা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীরা বিসিবি নির্বাচনের জন্য ৩ সদস্যের কমিশন গঠন হামের টিকা নিয়ে দোষীদের খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে শাটডাউন কর্মসূচি জনবল নেবে আড়ং আ.লীগ নেত্রী জাহানারা গ্রেফতার ​চলে গেলেন চট্টগ্রামের অভিভাবক খ্যাত সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন হামের টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেব বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যার খুশি হ্যাঁ ভোট দেবে, যার খুশি না ভোট দেবে বলেছেন মির্জা আব্বাস

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৮৭ বার পড়া হয়েছে

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে দলটির প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, হ্যাঁ ভোট-না ভোট জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, এতে জোড়াজুড়ির কিছু নাই।

গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর খিলগাঁও বাজারে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) পক্ষপাত অবলম্বন করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘ইসির দায়িত্ব হচ্ছে এসব বিষয়গুলোর দিকে নজর দেওয়া। তা না হলে এত অপবাদ ও মিথ্যাচার করার পরও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন! অভিযোগও জানানো হয়েছে, কিন্তু কোনো কর্ণপাত নেই।’

মির্জা আব্বাস আরও বলেন, ‘কর্মজীবী মহিলা সম্পর্কে স্বাধীনতা বিরোধী একটি দলের শীর্ষনেতা যে অশ্লীল ও নোংরা মন্তব্য করেছেন তা আমি মুখে আনতে চাই না। আমাদের ধর্মে কোথাও লেখা নেই যে নারীরা কর্ম করতে পারবে না। বরং নারীদের সমঅধিকার দেওয়া হয়েছে। আমি এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। পাশাপাশি নারী সমাজকে এসকল দলের প্রতি নজর রাখার আহবান জানাচ্ছি।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম আমাদের বিরুদ্ধেও অনেক সময় অনেক কিছু লিখেছে। আমরা কিছু বলিনি। কারণ, আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। একটি অর্বাচীন বালক গণমাধ্যমকে অ্যাটাক করে যে ভাষায় কথা বলছেন তা পক্ষান্তরে গণমাধ্যমকে হুমকি দিচ্ছেন। এরজন্য ৭১-এর যুদ্ধ হয়নি, এরজন্য ২৪ সংগঠিত হয়নি।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘হ্যাঁ ভোট যদি না দেওয়া হয়, কিংবা না ভোট জয়জুক্ত হয় তাহলে কী জানি করে ফেলবে! এক্ষেত্রে রীতিমত থ্রেট দেওয়া হচ্ছে। এটা কোনো নির্বাচনী কথা হতে পারে না। এটা তো ডিক্টেটরশিপ কথা হলো। তাহলে ভোটের করার দরকার কী। যার খুশি হ্যাঁ ভোট দেবে, যার খুশি না ভোট দেবে। এটা জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জনগণ যেটা ভালো মনে করবে সেটা করবে। তাদের ওপর ফোর্স করাটা তো ঠিক না।’

নির্বাচনি প্রচারণায় মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২

যার খুশি হ্যাঁ ভোট দেবে, যার খুশি না ভোট দেবে বলেছেন মির্জা আব্বাস

আপডেট সময় ০১:৩৬:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে দলটির প্রার্থী মির্জা আব্বাস বলেছেন, হ্যাঁ ভোট-না ভোট জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে, এতে জোড়াজুড়ির কিছু নাই।

গত রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর খিলগাঁও বাজারে গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচন কমিশন (ইসি) পক্ষপাত অবলম্বন করছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘ইসির দায়িত্ব হচ্ছে এসব বিষয়গুলোর দিকে নজর দেওয়া। তা না হলে এত অপবাদ ও মিথ্যাচার করার পরও কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছেন না কেন! অভিযোগও জানানো হয়েছে, কিন্তু কোনো কর্ণপাত নেই।’

মির্জা আব্বাস আরও বলেন, ‘কর্মজীবী মহিলা সম্পর্কে স্বাধীনতা বিরোধী একটি দলের শীর্ষনেতা যে অশ্লীল ও নোংরা মন্তব্য করেছেন তা আমি মুখে আনতে চাই না। আমাদের ধর্মে কোথাও লেখা নেই যে নারীরা কর্ম করতে পারবে না। বরং নারীদের সমঅধিকার দেওয়া হয়েছে। আমি এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। পাশাপাশি নারী সমাজকে এসকল দলের প্রতি নজর রাখার আহবান জানাচ্ছি।’

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম আমাদের বিরুদ্ধেও অনেক সময় অনেক কিছু লিখেছে। আমরা কিছু বলিনি। কারণ, আমরা গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। একটি অর্বাচীন বালক গণমাধ্যমকে অ্যাটাক করে যে ভাষায় কথা বলছেন তা পক্ষান্তরে গণমাধ্যমকে হুমকি দিচ্ছেন। এরজন্য ৭১-এর যুদ্ধ হয়নি, এরজন্য ২৪ সংগঠিত হয়নি।’

মির্জা আব্বাস বলেন, ‘হ্যাঁ ভোট যদি না দেওয়া হয়, কিংবা না ভোট জয়জুক্ত হয় তাহলে কী জানি করে ফেলবে! এক্ষেত্রে রীতিমত থ্রেট দেওয়া হচ্ছে। এটা কোনো নির্বাচনী কথা হতে পারে না। এটা তো ডিক্টেটরশিপ কথা হলো। তাহলে ভোটের করার দরকার কী। যার খুশি হ্যাঁ ভোট দেবে, যার খুশি না ভোট দেবে। এটা জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। জনগণ যেটা ভালো মনে করবে সেটা করবে। তাদের ওপর ফোর্স করাটা তো ঠিক না।’

নির্বাচনি প্রচারণায় মির্জা আব্বাসের সঙ্গে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন।