ময়মনসিংহ , শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সংসদের খারাপ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পূর্বধলায় স্বর্ণ সুধা যুব উন্নয়ন সমিতির নানামুখী সামাজিক কার্যক্রম শক্তিশালী প্লেয়ারদের সঙ্গে সমঝোতা করলে খুব আরামে থাকা যেতো বললেন আসিফ মাহমুদ নওগাঁর খাবারের প্রলোভন দেখিয়ে ছয় বছরের শিশুকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার কথিত বিএনপি নেতা পাগলা মসজিদের গরু নিলামে কিনে এক বছরেও টাকা দেননি সিদ্দিকবাজারে বিস্ফোরণ:২৬ প্রাণহানি তিনজনের অবহেলায় , শুরু হতে যাচ্ছে বিচার ভূমিকম্পে ফের কাঁপল ইরান যুদ্ধের মধ্যে নেপালে গণঅভ্যুত্থানের নেতারাই সরকার গঠন করেছে কারণ সেখানে ঢাবি নেই বললেন সালাহউদ্দিন আম্মার ফোনে পরিচয়, দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার চার সন্তানের জননী নরসিংদী আজ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দী দিবস
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

যা বললেন ঢালাও মামলার বিষয়ে আইন উপদেষ্টা

দেশে ঢালাও মামলার প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যা বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

গত মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, আইনগতভাবে বিষয়টি কীভাবে সামাল (ট্যাকল) দেয়া যায়, সে বিষয়ে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দুটি ব্যাপারে ওনাদের (বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন) কাছে নির্দিষ্টভাবে সহায়তা চেয়েছি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গায়েবি মামলা হতো। সরকারের পক্ষ থেকে গায়েবি মামলা দিত। আর এখন আমরা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দিচ্ছি না। সাধারণ লোকজন, ভুক্তভোগী লোকজন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, তারা অন্যদের ব্যাপারে ঢালাও মামলা দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ঢালাও মামলার একটা খুব মারাত্মক প্রকোপ দেশে দেখা দিয়েছে, এটি আমাদের অত্যন্ত বিব্রত করে। আমরা অনেক ধরনের আইনি সংস্কারের কথা ভাবছি। আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছি।

আরেকটি বিষয় উল্লেখ করে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালতে যে বিচারক নিয়োগ হবে, সেটি আমরা একটা আইনের মাধ্যমে করতে চাচ্ছি। আইনের মাধ্যমে করার দাবি সমাজে বহুদিন যাবৎ আছে। ২০০৮ সালে এ রকম একটা আইন হয়েছিল। পরে তা আইনে রূপান্তরিত হয়নি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার এসে ওটাকে আইনে রূপান্তরিত করেনি। ওই আইনটা আরও বেশি যুগোপযোগী করার জন্য ওনাদের (বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন) সহায়তা চেয়েছি, যাতে নেক্সটে যে নিয়োগ হবে সেটি যাতে আমরা আইনের মধ্য দিয়ে করতে পারি।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর আট সদস্যের ‘বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিশনের প্রধান হচ্ছেন আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মোমিনুর রহমান। অন্য সদস্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এমদাদুল হক, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ শিবলী, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ সাইয়েদ আমিনুল ইসলাম ও মাসদার হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানিম হোসেইন শাওন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক সুপন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদের খারাপ সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে চায় বিএনপি জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

যা বললেন ঢালাও মামলার বিষয়ে আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০১:০৬:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৪

দেশে ঢালাও মামলার প্রবণতা দেখা দিয়েছে, যা বিব্রতকর বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল।

গত মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের সভাকক্ষে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের সঙ্গে বৈঠক শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, আইনগতভাবে বিষয়টি কীভাবে সামাল (ট্যাকল) দেয়া যায়, সে বিষয়ে বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের কাছে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, দুটি ব্যাপারে ওনাদের (বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন) কাছে নির্দিষ্টভাবে সহায়তা চেয়েছি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে গায়েবি মামলা হতো। সরকারের পক্ষ থেকে গায়েবি মামলা দিত। আর এখন আমরা সরকারের পক্ষ থেকে কোনো মামলা দিচ্ছি না। সাধারণ লোকজন, ভুক্তভোগী লোকজন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ, তারা অন্যদের ব্যাপারে ঢালাও মামলা দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ঢালাও মামলার একটা খুব মারাত্মক প্রকোপ দেশে দেখা দিয়েছে, এটি আমাদের অত্যন্ত বিব্রত করে। আমরা অনেক ধরনের আইনি সংস্কারের কথা ভাবছি। আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ভাবছি।

আরেকটি বিষয় উল্লেখ করে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, পরবর্তী সময়ে উচ্চ আদালতে যে বিচারক নিয়োগ হবে, সেটি আমরা একটা আইনের মাধ্যমে করতে চাচ্ছি। আইনের মাধ্যমে করার দাবি সমাজে বহুদিন যাবৎ আছে। ২০০৮ সালে এ রকম একটা আইন হয়েছিল। পরে তা আইনে রূপান্তরিত হয়নি। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার এসে ওটাকে আইনে রূপান্তরিত করেনি। ওই আইনটা আরও বেশি যুগোপযোগী করার জন্য ওনাদের (বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন) সহায়তা চেয়েছি, যাতে নেক্সটে যে নিয়োগ হবে সেটি যাতে আমরা আইনের মধ্য দিয়ে করতে পারি।

এর আগে গত ৩ অক্টোবর আট সদস্যের ‘বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিশনের প্রধান হচ্ছেন আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মোমিনুর রহমান। অন্য সদস্যরা হলেন হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এমদাদুল হক, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এবং হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি ফরিদ আহমেদ শিবলী, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ সাইয়েদ আমিনুল ইসলাম ও মাসদার হোসেন, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানিম হোসেইন শাওন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কাজী মাহফুজুল হক সুপন।