গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান সম্প্রতি একটি মন্তব্য করেছেন, যেখানে তিনি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছেন এবং গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, “গণহত্যার বিচার আগে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে হবে, কারণ তারা গণহত্যা চালিয়েছে এবং মাফিয়া গোষ্ঠীর মতো কাজ করছে।”
রাশেদ খান আরও বলেন, “যদি আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ না করা হয়, তবে বাংলাদেশে জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করবে। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি, কারণ এই সরকার দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে বিপন্ন করছে।” তিনি আওয়ামী লীগকে ‘গণহত্যাকারী’ এবং ‘কুত্তা’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং দাবি করেন যে এই দলটি বাংলাদেশে দুর্নীতি, সহিংসতা এবং নির্যাতনের সাথে জড়িত, শেখ হাসিনার বিশেষ কুকুরদের ভ্যাকসিন দিতে এই সরকার ব্যর্থ।
এছাড়া, তিনি বলেন, “কুষ্টিয়াতে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কাজ করা উচিত। সেনাবাহিনী ও জনগণকে বলছি, এই সরকারের বিরুদ্ধে উঠে দাঁড়াতে হবে, বিশেষ করে যদি তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পায়।” তিনি নির্বাচন কমিশনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি তারা আওয়ামী লীগকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অনুমতি দেয়, তবে আমরা তাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাবো এবং প্রয়োজনে কমিশনকে ঘেরাও করব।”
তিনি আরো বলেন, “আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে জনগণের রায় ইতিমধ্যে দেওয়া হয়েছে। এদের যুগ শেষ হয়েছে, এবং এখন ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তির যুগ শুরু হয়েছে।”
রাশেদ খান অবশেষে সেনাবাহিনীকে সংস্কার করার পরামর্শ দেন এবং বলেন, “যেহেতু হাসিনার সরকার বাহিনীগুলিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করেছে, তাই প্রতিরক্ষা সংস্কার কমিশন গঠন করা উচিত।”