ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২ টেকনাফে অভিযানে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট, হেলমেট ও গোলাবারুদ উদ্ধার নেত্রকোনার পূর্বধলায় আগিয়া স্কুল মাঠে সামান্য বৃষ্টিতে জলবদ্ধতা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীরা বিসিবি নির্বাচনের জন্য ৩ সদস্যের কমিশন গঠন হামের টিকা নিয়ে দোষীদের খোঁজার আগে আমাদের মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলছে শাটডাউন কর্মসূচি জনবল নেবে আড়ং আ.লীগ নেত্রী জাহানারা গ্রেফতার ​চলে গেলেন চট্টগ্রামের অভিভাবক খ্যাত সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন হামের টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেব বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তরা এখনো আইনের আওতার বাইরে বললেন জামায়াত আমির

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩২ বার পড়া হয়েছে

শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের মামলার অভিযোগপত্র দাখিল হলেও এর প্রধান অভিযুক্তরা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, কেবল গ্রেপ্তারই যথেষ্ট নয়, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করা জরুরি।

গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

ডা. শফিকুর রহমান তার স্ট্যাটাসে বলেন, ‘আমাদের অত্যন্ত স্নেহের সন্তান এবং রাজপথের পরীক্ষিত সহযোদ্ধা শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির ইন্তেকাল আজও আমাদের ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ করে। একটি সম্ভাবনাময় প্রাণের এভাবে চলে যাওয়ায় যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা অপূরণীয়। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, মামলার অভিযোগপত্র দাখিল হওয়া সত্ত্বেও এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তরা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়ে গেছে।’

একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য তদন্তের মাধ্যমেই কেবল প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব উল্লেখ করে জামায়াত আমির সতর্ক করে বলেন, অন্যথায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি জনমনে রাষ্ট্র ও আইনি ব্যবস্থার প্রতি গভীর সংশয় ও হতাশা সৃষ্টি করবে।

একজন শহীদের রক্তের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, শহীদ ওসমান বিন হাদির আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। আমরা আশা করি, সরকার ও প্রশাসন জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে অবিলম্বে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ১২

হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তরা এখনো আইনের আওতার বাইরে বললেন জামায়াত আমির

আপডেট সময় ০৯:৪৫:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের মামলার অভিযোগপত্র দাখিল হলেও এর প্রধান অভিযুক্তরা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়ে গেছেন বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

তিনি বলেন, কেবল গ্রেপ্তারই যথেষ্ট নয়, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খুঁজে বের করা জরুরি।

গত শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এসব কথা বলেন জামায়াত আমির।

ডা. শফিকুর রহমান তার স্ট্যাটাসে বলেন, ‘আমাদের অত্যন্ত স্নেহের সন্তান এবং রাজপথের পরীক্ষিত সহযোদ্ধা শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির ইন্তেকাল আজও আমাদের ব্যথিত ও ক্ষুব্ধ করে। একটি সম্ভাবনাময় প্রাণের এভাবে চলে যাওয়ায় যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, তা অপূরণীয়। অত্যন্ত দুঃখের বিষয় এই যে, মামলার অভিযোগপত্র দাখিল হওয়া সত্ত্বেও এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রধান অভিযুক্তরা এখনো আইনের আওতার বাইরে রয়ে গেছে।’

একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য তদন্তের মাধ্যমেই কেবল প্রকৃত সত্য উদঘাটন সম্ভব উল্লেখ করে জামায়াত আমির সতর্ক করে বলেন, অন্যথায় বিচারহীনতার সংস্কৃতি জনমনে রাষ্ট্র ও আইনি ব্যবস্থার প্রতি গভীর সংশয় ও হতাশা সৃষ্টি করবে।

একজন শহীদের রক্তের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান সাংবিধানিক দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, শহীদ ওসমান বিন হাদির আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না। আমরা আশা করি, সরকার ও প্রশাসন জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে অবিলম্বে দৃশ্যমান ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।’