ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জনস্বাস্থ্য রক্ষায় অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ প্যাকেজ লেবেলিং (FOPL) সহ প্রবিধানমালা চুড়ান্ত করার দাবী : সবুজবাংলার শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে ঝুলন্ত অবস্থায় যুবকের মরদেহ উদ্ধার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবে কোন দল কোথায় শহীদ জিয়ার খাল খনন কর্মসূচি তারেক রহমানের পুনরায় চালুর ঘোষণা নির্বাচনী থিম সং উন্মোচন হলো ডা. জুবাইদার মতো আমিও আপনাদের সন্তান বলেছেন তারেক রহমান এক বছরে তিন ঈদ ও দুই হজ , বিরল অভিজ্ঞতার সুযোগ মুসলমানদের জন্য মূল্যস্ফীতি সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধি উসকে দিতে পারে খুব অস্বাস্থ্যকর ঢাকায় আজ বায়ুর মান , সতর্কত থাকার পরামর্শ সেনাবাহিনীতে অফিসার হওয়ার সুযোগ বাংলাদেশ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ১০:৩০:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা সব পণ্যের ওপর ব্যাপক হারে আমদানি শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর বিবিসির।

এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক বসছে। এতদিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক ছিল।

হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সরকার দাবি করেছে, বাংলাদেশ কার্যকরভাবে আমেরিকান পণ্যের ওপর ৭৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে।

এর প্রতিক্রিয়ায়, এখন থেকে বাংলাদেশের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

এই ঘোষণা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। কেননা দেশটি প্রধানত রপ্তানিনির্ভর, বিশেষ করে পোশাক শিল্পের ক্ষেত্রে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একক বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য।

ঢাকার শিল্পখাতের নেতাদের আশঙ্কা, উচ্চ শুল্ক আরোপের ফলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

হোয়াইট হাউস জানায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও চীনের মতো ‘সবচেয়ে বেশি অপরাধী’ দেশগুলোর পণ্যের ওপর আরও উচ্চ হারে শুল্ক আরোপ করা হবে। ট্রাম্প বলেছেন, এটি দেশের দেশের অন্যায্য বাণিজ্যনীতির বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মুক্ত বাণিজ্যনীতির সঙ্গে বিরোধপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্যের দাম বাড়বে। দেশটির পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে পড়তে পারে।

হোয়াইট হাউস জানায়, ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ শুরু হবে ৫ এপ্রিল থেকে। এরচেয়েও বেশি হারে শুল্ক কার্যকর হবে ৯ এপ্রিল থেকে।

 

 

চীন থেকে আসা পণ্যের ওপর নতুন করে ৩৪ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করেছেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস সিএনবিসিকে জানায়, চীনের ওপর নতুন পাল্টা শুল্ক আগের ২০ শতাংশ শুল্কের সঙ্গে যুক্ত হবে, যার ফলে ট্রাম্পের এই মেয়াদে বেইজিংয়ের ওপর প্রকৃত শুল্ক হার দাঁড়াবে ৫৪ শতাংশ।

আর জাপানের ওপর ২৪ শতাংশ এবং ভারতের ওপর ২৬ শতাংশ হারে শুল্ক বসবে। বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক বসছে ৩৭ শতাংশ।

কিছু ছোট দেশের ওপর অনেক বেশি শুল্ক আরোপ করা হবে। যেমন দক্ষিণ আফ্রিকান দেশ লেসোথোর পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, আর ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার পণ্যের ওপর যথাক্রমে ৪৬ শতাংশ ও ৪৯ শতাংশ শুল্ক বসবে।

হোয়াইট হাউসের একটি তথ্যপত্র অনুযায়ী, বেসলাইন (মূল মান) শুল্ক ১০০টিরও বেশি দেশে কার্যকর হবে, এর মধ্যে প্রায় ৬০টি দেশ উচ্চমাত্রার ‘পাল্টা’ শুল্কের আওতায় পড়বে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে খাদ্য মোড়কে ফ্রন্ট-অফ প্যাকেজ লেবেলিং (FOPL) সহ প্রবিধানমালা চুড়ান্ত করার দাবী : সবুজবাংলার

বাংলাদেশি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ যুক্তরাষ্ট্রের

আপডেট সময় ১০:৩০:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫

যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করা সব পণ্যের ওপর ব্যাপক হারে আমদানি শুল্ক আরোপের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর বিবিসির।

এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক বসছে। এতদিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ১৫ শতাংশ শুল্ক ছিল।

হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র সরকার দাবি করেছে, বাংলাদেশ কার্যকরভাবে আমেরিকান পণ্যের ওপর ৭৪ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে।

এর প্রতিক্রিয়ায়, এখন থেকে বাংলাদেশের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে প্রবেশের ক্ষেত্রে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে।

এই ঘোষণা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে। কেননা দেশটি প্রধানত রপ্তানিনির্ভর, বিশেষ করে পোশাক শিল্পের ক্ষেত্রে। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একক বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য।

ঢাকার শিল্পখাতের নেতাদের আশঙ্কা, উচ্চ শুল্ক আরোপের ফলে বাংলাদেশের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

হোয়াইট হাউস জানায়, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও চীনের মতো ‘সবচেয়ে বেশি অপরাধী’ দেশগুলোর পণ্যের ওপর আরও উচ্চ হারে শুল্ক আরোপ করা হবে। ট্রাম্প বলেছেন, এটি দেশের দেশের অন্যায্য বাণিজ্যনীতির বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মুক্ত বাণিজ্যনীতির সঙ্গে বিরোধপূর্ণ। বিশ্লেষকদের মতে, এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্যের দাম বাড়বে। দেশটির পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি মন্থর হয়ে পড়তে পারে।

হোয়াইট হাউস জানায়, ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ শুরু হবে ৫ এপ্রিল থেকে। এরচেয়েও বেশি হারে শুল্ক কার্যকর হবে ৯ এপ্রিল থেকে।

 

 

চীন থেকে আসা পণ্যের ওপর নতুন করে ৩৪ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করেছেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস সিএনবিসিকে জানায়, চীনের ওপর নতুন পাল্টা শুল্ক আগের ২০ শতাংশ শুল্কের সঙ্গে যুক্ত হবে, যার ফলে ট্রাম্পের এই মেয়াদে বেইজিংয়ের ওপর প্রকৃত শুল্ক হার দাঁড়াবে ৫৪ শতাংশ।

আর জাপানের ওপর ২৪ শতাংশ এবং ভারতের ওপর ২৬ শতাংশ হারে শুল্ক বসবে। বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে শুল্ক বসছে ৩৭ শতাংশ।

কিছু ছোট দেশের ওপর অনেক বেশি শুল্ক আরোপ করা হবে। যেমন দক্ষিণ আফ্রিকান দেশ লেসোথোর পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে, আর ভিয়েতনাম ও কম্বোডিয়ার পণ্যের ওপর যথাক্রমে ৪৬ শতাংশ ও ৪৯ শতাংশ শুল্ক বসবে।

হোয়াইট হাউসের একটি তথ্যপত্র অনুযায়ী, বেসলাইন (মূল মান) শুল্ক ১০০টিরও বেশি দেশে কার্যকর হবে, এর মধ্যে প্রায় ৬০টি দেশ উচ্চমাত্রার ‘পাল্টা’ শুল্কের আওতায় পড়বে।