ময়মনসিংহ , সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
উন্নয়নের নতুন অধ্যায়: যশোরে ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাথায় গুরুতর আঘাত: হাসপাতালে ভর্তি আর্জেন্টাইন ফুটবলার নিকো পাজ পুতিনের সঙ্গে বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ: ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি পবিত্র হজ পালন করতে গিয়ে সৌদি আরবে ৪ বাংলাদেশি হাজির ইন্তেকাল প্রধানমন্ত্রী যশোর পৌঁছলেন পারমাণবিক ইস্যুতে পিছু হটছে না ইরান, খুলছে হরমুজ প্রণালী ​সংকটে অরবিন্দ কেজরিওয়াল: দিল্লির ধাক্কার পর পাঞ্জাবেও বড় হারের আশঙ্কা প্রেমঘটিত জেরে রণক্ষেত্র এলাকা: পাল্টাপাল্টি হামলা ও বাড়িতে আগুন মুফতি আমির হামজা হাইকোর্টে আগাম জামিন চাইলেন অস্থির তেলের বাজার: আন্তর্জাতিক বাজারে দফায় দফায় বাড়ছে দাম
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

৫ রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

বাস ও সিএনজি শ্রমিকের মধ্যে মারামারিকে কেন্দ্র করে জেলা বাস ও মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের কারণে ভোলা থেকে ৫ রুটে বন্ধ হয়ে পড়েছে বাস চলাচল।

সোমবার (৫ মে) সকাল থেকে ৫ রুটে বাস চলাচল বন্ধের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। এর আগে রোববার যাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র করে ভোলায় বাস শ্রমিক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা শ্রমিকদের দ্বন্দ্বে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বাসশ্রমিক ইউনিয়ন।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা মালিক সমিতির দাবি, বাংলাবাজারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকটি অটোরিকশা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন বাস–মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মীরা। তবে পাল্টা অভিযোগ করে বাস শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা বলছেন, অটোরিকশাচালকেরা পাঁচ স্থানে বাসশ্রমিকদের মারধর ও দুটি বাস ভাঙচুর করেছেন।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক সমিতির সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, বাসশ্রমিকেরা ধর্মঘট ডাকার পর যাত্রী পরিবহন করায় বাসস্ট্যান্ডের মধ্যে তিনটি অটোরিকশা ভাঙচুর ও একটিতে অগ্নিসংযোগ করেছে। পরে লালমোহনে দুটি বাস আটকে রাখেন ক্ষুব্ধ চালকেরা। তবে কেউ ভাঙচুর করেননি।

এদিকে ধর্মঘটের কারণে বন্ধ রয়েছে ভোলা-চরফ্যাশন, ভোলা-তজুমদ্দিন, ভোলা-দৌলতখান, ভোলা-ইলিশা ও ভোলা-ভেদুরিয়া রুটসহ ৫ রুটের বাস চলাচল। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ৫ রুটের কয়েক হাজার যাত্রী। ধর্মঘটের সুযোগে ছোট যানবাহনগুলো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলেও অভিযোগ যাত্রীদের।

যাত্রী মো. মঞ্জু, কামাল ও সাদ্দাম হোসেন জানান, তারা বরিশাল থেকে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাস স্ট্যান্ডে এসেছেন। লালমোহন যাবেন, কিন্তু বাস বন্ধ। এখন বিকল্প যানবাহন হিসেবে মাইক্রোবাসে করে যাবেন। তবে বাসের চেয়ে ভাড়া দ্বিগুণ গুনতে হচ্ছে। তারপরও যেতে হবে কিছু করার নাই।

ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাত হাসনাইন পারভেজ জানান, সমস্যা সমাধানের জন্য বাস ও সিএনজি শ্রমিকদের সঙ্গে রাত থেকেই আলোচনা করছেন তারা। আশা করা যাচ্ছে দ্রুত সমাধান হবে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উন্নয়নের নতুন অধ্যায়: যশোরে ‘জিয়া খাল’ পুনঃখনন শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

৫ রুটে বাস চলাচল বন্ধ, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

আপডেট সময় ০২:০৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

বাস ও সিএনজি শ্রমিকের মধ্যে মারামারিকে কেন্দ্র করে জেলা বাস ও মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ডাকা অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের কারণে ভোলা থেকে ৫ রুটে বন্ধ হয়ে পড়েছে বাস চলাচল।

সোমবার (৫ মে) সকাল থেকে ৫ রুটে বাস চলাচল বন্ধের কারণে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। এর আগে রোববার যাত্রী উঠানোকে কেন্দ্র করে ভোলায় বাস শ্রমিক ও সিএনজিচালিত অটোরিকশা শ্রমিকদের দ্বন্দ্বে অনির্দিষ্টকালের জন্য বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বাসশ্রমিক ইউনিয়ন।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা মালিক সমিতির দাবি, বাংলাবাজারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকটি অটোরিকশা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন বাস–মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের কর্মীরা। তবে পাল্টা অভিযোগ করে বাস শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা বলছেন, অটোরিকশাচালকেরা পাঁচ স্থানে বাসশ্রমিকদের মারধর ও দুটি বাস ভাঙচুর করেছেন।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা মালিক-শ্রমিক সমিতির সভাপতি মো. জাকির হোসেন বলেন, বাসশ্রমিকেরা ধর্মঘট ডাকার পর যাত্রী পরিবহন করায় বাসস্ট্যান্ডের মধ্যে তিনটি অটোরিকশা ভাঙচুর ও একটিতে অগ্নিসংযোগ করেছে। পরে লালমোহনে দুটি বাস আটকে রাখেন ক্ষুব্ধ চালকেরা। তবে কেউ ভাঙচুর করেননি।

এদিকে ধর্মঘটের কারণে বন্ধ রয়েছে ভোলা-চরফ্যাশন, ভোলা-তজুমদ্দিন, ভোলা-দৌলতখান, ভোলা-ইলিশা ও ভোলা-ভেদুরিয়া রুটসহ ৫ রুটের বাস চলাচল। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন ৫ রুটের কয়েক হাজার যাত্রী। ধর্মঘটের সুযোগে ছোট যানবাহনগুলো অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে বলেও অভিযোগ যাত্রীদের।

যাত্রী মো. মঞ্জু, কামাল ও সাদ্দাম হোসেন জানান, তারা বরিশাল থেকে ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাস স্ট্যান্ডে এসেছেন। লালমোহন যাবেন, কিন্তু বাস বন্ধ। এখন বিকল্প যানবাহন হিসেবে মাইক্রোবাসে করে যাবেন। তবে বাসের চেয়ে ভাড়া দ্বিগুণ গুনতে হচ্ছে। তারপরও যেতে হবে কিছু করার নাই।

ভোলা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু সাহাদাত হাসনাইন পারভেজ জানান, সমস্যা সমাধানের জন্য বাস ও সিএনজি শ্রমিকদের সঙ্গে রাত থেকেই আলোচনা করছেন তারা। আশা করা যাচ্ছে দ্রুত সমাধান হবে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।