ময়মনসিংহ , বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জরুরি সহায়তা হিসেবে ১০ হাজার কোটি টাকা ধার চায় ইসলামী ব্যাংক বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর শান্তিরক্ষীরা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ​শামীম ওসমানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ: আদালতের কাঠগড়ায় ১২ জন সরকার ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্র নীতি পরিচালনা করছে বলে মন্তব্য করেছেন শামা ওবায়েদ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ১৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা আলোচিত নাসির-তামিমা মামলার রায় আজ, নজরে আদালত ​মার্কিন পঞ্চম নৌবহরে হামলার হুমকি দিলো ইরান, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা তুঙ্গে পূর্বধলায় বিদ্যুৎ বিলের বকেয়া আদায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ২০৬ সংযোগ বিচ্ছিন্ন সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর: জুনেই নতুন পে-স্কেলের গেজেট, আসছে গ্রেড ও পেনশন সুবিধায় বড় পরিবর্তন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

তারা খালি ফডু তুইল্যা লইয়া যায়’ ‘ফানি আইয়া আমরারে অত্যাচার করে,

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় ০১:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪
  • ৩১৫ বার পড়া হয়েছে

সংগৃহীত ছবি

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় উব্দাখালি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। দুর্ভোগে পড়েছেন নদী পাড়ের মানুষরা। তাদের অভিযোগ, প্রতিবছর পানি এসে তাদের অত্যাচার করে, কিন্তু দেখার কেউ নেই। শুধু ছবি তুলে নিয়ে যায়।

বুধবার (১৯ জুন) বিকাল থেকে বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকাল পর্যন্ত উব্দাখালি নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার কমেছে। তারপরও বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।এদিকে নদী পাড়ের সদর ইউনিয়নের সাউতপাড়া, মনতলা, ইসবপুর, কেশবপুর ও ইব্রাহিমপুরসহ পার্শ্ববর্তী বড়খাপন ইউনিয়নের প্রায় সবগুলো গ্রাম এবং নাজিরপুর ইউনিয়নের দিলুরা, ফকির চান্দুয়াইন ও পাচকাটা গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এতে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে নিম্নআয়ের মানুষরা।পানিবন্দিরা জানায়, বাড়ির ভেতরে পানি থাকায় হচ্ছে না রান্না-খাওয়া। শুকনো খাবার দিয়ে কোনোমতে দিন কাটছে তাদের। উঁচু দু-একটি দোকান থেকে শুকনা খাবারের জোগান দিচ্ছেন বাড়ির অভিভাবকরা। তবে অনেকের নৌকা না থাকায় পানি ভেঙে বাড়ির বাইরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক বছর ধরেই ঢল এলে তারা কষ্ট ভোগ করেন। এ থেকে মুক্তি চান তারা।পঞ্চাশোর্ধ রেহেনা আক্তার জানান, ঘর থেকে বেরই হতে পারছেন না ।

বাইরে পুরুষরা একবার গিয়ে কিছু খাবার নিয়ে আসতে পারলে খাওয়া হয়, নাহয়লে খালি পেটে থাকতে হয়। রেহানা বলেন আমাদের খোঁজ কেউ নেয়না । হত্তি বছর (প্রতিবছর) এইবায় ফানি আইয়া আমরারে অত্যাচার করে, এইডার কুনু ব্যবস্থা করে না। এইবায় আইয়া ফডু তুইল্যা লইয়া যায় খালি।’কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, ৪২টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পানিবন্দি মানুষরা সেখানে অবস্থান নিতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব গ্রহণযোগ্য নয় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

তারা খালি ফডু তুইল্যা লইয়া যায়’ ‘ফানি আইয়া আমরারে অত্যাচার করে,

আপডেট সময় ০১:৫৮:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে নেত্রকোনার কলমাকান্দায় উব্দাখালি নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল। দুর্ভোগে পড়েছেন নদী পাড়ের মানুষরা। তাদের অভিযোগ, প্রতিবছর পানি এসে তাদের অত্যাচার করে, কিন্তু দেখার কেউ নেই। শুধু ছবি তুলে নিয়ে যায়।

বুধবার (১৯ জুন) বিকাল থেকে বৃহস্পতিবার (২০ জুন) সকাল পর্যন্ত উব্দাখালি নদীর পানি ৪ সেন্টিমিটার কমেছে। তারপরও বিপৎসীমার ৪৭ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।এদিকে নদী পাড়ের সদর ইউনিয়নের সাউতপাড়া, মনতলা, ইসবপুর, কেশবপুর ও ইব্রাহিমপুরসহ পার্শ্ববর্তী বড়খাপন ইউনিয়নের প্রায় সবগুলো গ্রাম এবং নাজিরপুর ইউনিয়নের দিলুরা, ফকির চান্দুয়াইন ও পাচকাটা গ্রামের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এতে বেশি দুর্ভোগে পড়েছে নিম্নআয়ের মানুষরা।পানিবন্দিরা জানায়, বাড়ির ভেতরে পানি থাকায় হচ্ছে না রান্না-খাওয়া। শুকনো খাবার দিয়ে কোনোমতে দিন কাটছে তাদের। উঁচু দু-একটি দোকান থেকে শুকনা খাবারের জোগান দিচ্ছেন বাড়ির অভিভাবকরা। তবে অনেকের নৌকা না থাকায় পানি ভেঙে বাড়ির বাইরে যাতায়াত করতে হচ্ছে।বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত কয়েক বছর ধরেই ঢল এলে তারা কষ্ট ভোগ করেন। এ থেকে মুক্তি চান তারা।পঞ্চাশোর্ধ রেহেনা আক্তার জানান, ঘর থেকে বেরই হতে পারছেন না ।

বাইরে পুরুষরা একবার গিয়ে কিছু খাবার নিয়ে আসতে পারলে খাওয়া হয়, নাহয়লে খালি পেটে থাকতে হয়। রেহানা বলেন আমাদের খোঁজ কেউ নেয়না । হত্তি বছর (প্রতিবছর) এইবায় ফানি আইয়া আমরারে অত্যাচার করে, এইডার কুনু ব্যবস্থা করে না। এইবায় আইয়া ফডু তুইল্যা লইয়া যায় খালি।’কলমাকান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান জানান, ৪২টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পানিবন্দি মানুষরা সেখানে অবস্থান নিতে পারবে।