ময়মনসিংহ , শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ আবুল বাসেদ কাজল-এর, প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ কক্সবাজারে পৃথক অভিযানে ৫ লাখ ৮০ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪ চেষ্টা” সংগঠনের পক্ষ থেকে বীরকন্যা জামিনা বেগম কে বসত বাড়ি প্রদান কুয়াকাটায় ছিন্নমূল ও অসহায়দের জন্য “চেষ্টা” সংগঠনের বস্ত্র বিতরণ বিভাগীয় পর্যায়ে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহহ এবং বিজ্ঞান মেলার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত এআই যুগে শ্রমিক নায্য অধিকার, দক্ষতা উন্নয়ন ও অভিবাসী শ্রমিক সুরক্ষায় বৈশ্বিক উদ্যোগ পরিচয় অনুসন্ধান নাকি পাসপোর্ট জালিয়াতি? নেত্রকোণায় আটক রোহিঙ্গা যুবককে ঘিরে ঘনীভূত রহস্য পূর্বধলায় কৃষি প্রণোদনা তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে ঘাগড়া চৌরাস্তায় সংবাদ সম্মেলন ​লোহালিয়া নদীর ওপর ৯ম মৈত্রী সেতু নির্মাণে বাংলাদেশ ও চীনের চুক্তি রামিসা হত্যা মামলা: বিচার চেয়ে রোববার শুনানি করবেন অ্যাটর্নি জেনারেল
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার ডিপ ফ্রিজ থেকে স্বামী গ্রেপ্তার

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর কলাবাগানে স্ত্রীকে নির্মমভাবে হত্যার পর ডিপ ফ্রিজে রেখে পালিয়ে যাওয়া স্বামী নজরুল ইসলামকে পুরান ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন ডিএমপির রমনা বিভাগের ডিসি মো. মাসুদ আলম।

এর আগে মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) কলাবাগান থানায় নজরুল ইসলামকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই। পুলিশ জানিয়েছিল, মোবাইল বন্ধ করে দিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন ঘাতক নজরুল।
জানা যায়, কলাবাগানের প্রথম লেনের ভাড়া বাসায় স্ত্রী তাসলিমা আক্তারকে হত্যার পর মরদেহ ড্রিপ ফ্রিজে রাখেন স্বামী নজরুল ইসলাম। পরে পাশের রুমে থাকা দুই মেয়েকে নিয়ে যান বোনের বাসায়। ফুফুর বাসায় অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও মায়ের খোঁজ না পেয়ে মামাদের ফোন করে তাসলিমার মেয়েরা‌। পরে সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে পুলিশ নিয়ে বাসায় গিয়ে উদ্ধার করা হয় মরদেহ।

সুরতহাল রিপোর্ট বলছে, তাসলিমা আক্তারকে হত্যা করা হয় নৃশংসভাবে। মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে হাতুরি দিয়ে মাথায় আঘাত করের ক্ষান্ত হননি স্বামী নজরুল। এরপর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়েও কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে বিছানার চাদর দিয়ে পেঁচিয়ে রাখেন ড্রিপ ফ্রিজে।
নিহত তাসলিমার ভাইদের অভিযোগ, নজরুল এক সময় ব্যবসা করলেও এখন বেকার। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া তাসলিমার জমি ও টাকা পয়সার জন্য চাপ দিত সে। মাদকাসক্ত নজরুল প্রায়ই নির্যাতন করত। সন্দেহ করত তাসলিমাকে। ফোন ব্যবহার থেকেও বিরত রাখত।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী মোঃ আবুল বাসেদ কাজল-এর, প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ

গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার ডিপ ফ্রিজ থেকে স্বামী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ১১:০১:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

রাজধানীর কলাবাগানে স্ত্রীকে নির্মমভাবে হত্যার পর ডিপ ফ্রিজে রেখে পালিয়ে যাওয়া স্বামী নজরুল ইসলামকে পুরান ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

বুধবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাবেন ডিএমপির রমনা বিভাগের ডিসি মো. মাসুদ আলম।

এর আগে মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) কলাবাগান থানায় নজরুল ইসলামকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই। পুলিশ জানিয়েছিল, মোবাইল বন্ধ করে দিয়ে ব্যক্তিগত গাড়িতে করে বিভিন্ন জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন ঘাতক নজরুল।
জানা যায়, কলাবাগানের প্রথম লেনের ভাড়া বাসায় স্ত্রী তাসলিমা আক্তারকে হত্যার পর মরদেহ ড্রিপ ফ্রিজে রাখেন স্বামী নজরুল ইসলাম। পরে পাশের রুমে থাকা দুই মেয়েকে নিয়ে যান বোনের বাসায়। ফুফুর বাসায় অনেকক্ষণ অপেক্ষা করেও মায়ের খোঁজ না পেয়ে মামাদের ফোন করে তাসলিমার মেয়েরা‌। পরে সোমবার (১৩ অক্টোবর) রাতে পুলিশ নিয়ে বাসায় গিয়ে উদ্ধার করা হয় মরদেহ।

সুরতহাল রিপোর্ট বলছে, তাসলিমা আক্তারকে হত্যা করা হয় নৃশংসভাবে। মুখ গামছা দিয়ে বেঁধে হাতুরি দিয়ে মাথায় আঘাত করের ক্ষান্ত হননি স্বামী নজরুল। এরপর মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়েও কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। পরে বিছানার চাদর দিয়ে পেঁচিয়ে রাখেন ড্রিপ ফ্রিজে।
নিহত তাসলিমার ভাইদের অভিযোগ, নজরুল এক সময় ব্যবসা করলেও এখন বেকার। পৈতৃক সূত্রে পাওয়া তাসলিমার জমি ও টাকা পয়সার জন্য চাপ দিত সে। মাদকাসক্ত নজরুল প্রায়ই নির্যাতন করত। সন্দেহ করত তাসলিমাকে। ফোন ব্যবহার থেকেও বিরত রাখত।