ময়মনসিংহ , শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পূর্বধলায় দলিল লিখক সমিতি’র নির্বাচনে সভাপতি আব্দুস ছোবান, সম্পাদক শামীম নির্বাচিত খুলনায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল আর্জেন্টনার বড় ধাক্কা: বিশ্বকাপজয়ী তারকার ছিটকে যাওয়ায় বিপাকে স্কালোনি! লম্বা ছুটি: সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য টানা ৪ দিনের সুযোগ! রোববার মালয়েশিয়া সফরে প্রধানমন্ত্রী, এরপরই চীন প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে উসকানিমূলক পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা চলছে বললেন রিজভী ​২৩ জুনকে কেন্দ্র করে সর্বোচ্চ সতর্কতার নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর হাতিরঝিলের নিরাপত্তায় আনসার মোতায়েন করা হবে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী দেশে তৈরি মাদারবোর্ড যাচ্ছে আমেরিকায়, গর্বিত তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মাদক ও ভারতীয় মদ উদ্ধার
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

পাবনা ঈদগাহ নিয়ে দ্বন্দ্বে মুখ দেখাদেখি ও বাজার বন্ধ দুই গ্রামের

পাবনার চাটমোহরে ঈদগাহ মাঠ নিয়ে দুই গ্রামের বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। সরকারি জমিতে থাকা মাঠটিকে নিজেদের দাবি করছে আটলংকা গ্রামের বাসিন্দারা। এ দাবি মানছে না পার্শ্ববর্তী বন্যাগাড়ি গ্রাম। বিষয়টি কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। বন্ধ হয়ে গেছে পারস্পরিক চলাচল, মুখ দেখাদেখিও বন্ধ।

ইউনিয়নের আটলংকা বাজারসংলগ্ন সরকারি জমিতে অবস্থিত ঈদগাহ মাঠটি দুই গ্রামের মানুষ যুগ যুগ ধরে ব্যবহার করে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি আটলংকার বাসিন্দারা দাবি করেন, মাঠটি শুধুমাত্র তাদের। এতে ক্ষুব্ধ হয় বন্যাগাড়ির লোকজন। ২ অক্টোবর সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ, আহত হয় কয়েকজন।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আটলংকা বাজারের প্রায় ৩০টি দোকান বন্ধ রয়েছে গত ১৫ দিন ধরে। এর মধ্যে বন্যাগাড়ি গ্রামের ব্যবসায়ীদের দোকানের সংখ্যা ২০টির মতো। কেউ কারও বাজারে যেতে পারছে না, আশপাশে ছায়া মাড়ানো পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছেন গ্রামবাসী।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অর্ধশতাধিক দোকানের অধিকাংশই তালাবদ্ধ। জনমানবশূন্য পুরো এলাকা যেন থমথমে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, হুমকির কারণে তারা দোকান খুলতে পারছেন না। অনেকে পরিবার নিয়ে চরম সংকটে রয়েছেন।

অন্যদিকে আটলংকা গ্রামের বাসিন্দা হারেস আলী অভিযোগ করেন, তাদের গ্রামের রাস্তা আটকে রাখা হয়েছে। এমনকি নারীদেরও স্কুলে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুরুল আলম বলেন, ঈদগাহ মাঠের জায়গাটি সরকারি। উপজেলা প্রশাসন সেখানে সরকারি সাইনবোর্ডও টাঙিয়েছে। সমস্যা মীমাংসায় দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। অচিরেই সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পূর্বধলায় দলিল লিখক সমিতি’র নির্বাচনে সভাপতি আব্দুস ছোবান, সম্পাদক শামীম নির্বাচিত

পাবনা ঈদগাহ নিয়ে দ্বন্দ্বে মুখ দেখাদেখি ও বাজার বন্ধ দুই গ্রামের

আপডেট সময় ০৯:৩৪:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৫

পাবনার চাটমোহরে ঈদগাহ মাঠ নিয়ে দুই গ্রামের বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করেছে। সরকারি জমিতে থাকা মাঠটিকে নিজেদের দাবি করছে আটলংকা গ্রামের বাসিন্দারা। এ দাবি মানছে না পার্শ্ববর্তী বন্যাগাড়ি গ্রাম। বিষয়টি কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মধ্যে দ্বন্দ্ব চরমে উঠেছে। বন্ধ হয়ে গেছে পারস্পরিক চলাচল, মুখ দেখাদেখিও বন্ধ।

ইউনিয়নের আটলংকা বাজারসংলগ্ন সরকারি জমিতে অবস্থিত ঈদগাহ মাঠটি দুই গ্রামের মানুষ যুগ যুগ ধরে ব্যবহার করে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি আটলংকার বাসিন্দারা দাবি করেন, মাঠটি শুধুমাত্র তাদের। এতে ক্ষুব্ধ হয় বন্যাগাড়ির লোকজন। ২ অক্টোবর সংঘর্ষে জড়ায় দুই পক্ষ, আহত হয় কয়েকজন।

পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, আটলংকা বাজারের প্রায় ৩০টি দোকান বন্ধ রয়েছে গত ১৫ দিন ধরে। এর মধ্যে বন্যাগাড়ি গ্রামের ব্যবসায়ীদের দোকানের সংখ্যা ২০টির মতো। কেউ কারও বাজারে যেতে পারছে না, আশপাশে ছায়া মাড়ানো পর্যন্ত বন্ধ করে দিয়েছেন গ্রামবাসী।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অর্ধশতাধিক দোকানের অধিকাংশই তালাবদ্ধ। জনমানবশূন্য পুরো এলাকা যেন থমথমে। ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, হুমকির কারণে তারা দোকান খুলতে পারছেন না। অনেকে পরিবার নিয়ে চরম সংকটে রয়েছেন।

অন্যদিকে আটলংকা গ্রামের বাসিন্দা হারেস আলী অভিযোগ করেন, তাদের গ্রামের রাস্তা আটকে রাখা হয়েছে। এমনকি নারীদেরও স্কুলে যেতে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনজুরুল আলম বলেন, ঈদগাহ মাঠের জায়গাটি সরকারি। উপজেলা প্রশাসন সেখানে সরকারি সাইনবোর্ডও টাঙিয়েছে। সমস্যা মীমাংসায় দুই পক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। অচিরেই সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।