ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখাতে চাই বলেছেন সিইসি পহেলা বৈশাখে কৃষকদের নতুন উপহার: ১০ জেলায় ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী বেরোবির দুই শিক্ষক ও শাখা ছাত্রলীগ সভাপতির ১০ বছরের কারাদণ্ড সংসদে হাসনাত: মানবাধিকার কমিশন আইন দিয়ে বিরোধী দল দমনের অভিযোগ সংসদে সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ রহিতকরণ বিল পাস রামেক হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে ৫০ শিশুর মৃত্যু রাজনৈতিক আক্রমণ’ নিয়ে অবশেষে নীরবতা ভাঙলেন থালাপতি বিজয় কর্ম হারিয়ে দেশে আসা প্রবাসীদের নতুন কর্মসংস্থানের চেষ্টা করছি জানিয়েছেন শামা ওবায়েদ শিশু বলাৎকারের অভিযোগ
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

কতটুকু স্বর্ণের গয়না আনা যাবে বিদেশ থেকে শুল্কছাড়া

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৬:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ৯০ বার পড়া হয়েছে

স্বর্ণের দাম দিন দিন বেড়ে চলেছে। এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন দুই লাখ টাকাও ছাড়িয়ে গেছে। বিদেশ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণের গয়না আনলে আপনাকে কোনো শুল্ক-কর দিতে হয় না।

ফলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্য দেশ থেকে দেশে ফেরার সময় আপনি শুল্কমুক্ত সুবিধায় স্বর্ণের গয়না আনতে পারবেন। আবার নির্দিষ্ট পরিমাণ শুল্ক দিয়ে স্বর্ণের বার দেশে আনার সুযোগ আছে।

কতটুকু স্বর্ণের গয়না শুল্কমুক্ত
নতুন ব্যাগেজ বিধিমালা (অপর্যটক যাত্রী ব্যাগেজ বিধিমালা, ২০২৫) অনুসারে, বিদেশফেরত একজন যাত্রী কোনো শুল্ক ছাড়াই বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম স্বর্ণের অলংকার আনতে পারবেন। এর মানে, প্রায় আট ভরি ১০ আনার স্বর্ণের গয়না আনলেও কোনো শুল্ক নেই।

এ ছাড়া নতুন বিধিমালার আওতায় তোলাপ্রতি ৫ হাজার টাকা শুল্ক দিয়ে একজন যাত্রী বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০ তোলা ওজনের একটি সোনার বার আনতে পারবেন।

কীভাবে আনবেন
যাত্রীরা বাংলাদেশের বিমানবন্দরে নামার পর একটি ফরম পূরণ করতে হয়। ফরমটির নাম ব্যাগেজ ঘোষণা ফরম। সেখানে নিজের নাম, পাসপোর্ট নম্বর, ফ্লাইট নম্বর, জাতীয়তা, কোন দেশ থেকে এসেছেন—এসব তথ্য দিতে হয়। সেখানে জানাতে হয়, শুল্ক দিতে এমন এমন আনা কোনো পণ্য আছে কি না, থাকলে বিবরণী লিখতে হয়।

তবে ১০০ গ্রাম স্বর্ণের অলংকার ও ২০০ গ্রাম রুপার অলংকারের কম থাকলে এসব ফরম পূরণ করতে হবে না। এর বেশি থাকলে বাড়তি অংশের জন্য শুল্ক বসবে।

ব্যাগেজ রুলসের আওতায় শুল্ক বসবে না, এমন কোনো পণ্য থাকলে গ্রিন চ্যানেল দিয়ে সরাসরি বের হয়ে যেতে পারবেন।

দেশে এখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।

সরাসরি আমদানি না হওয়া কিংবা কমোডিটি এক্সচেঞ্জে বেচাকেনা না হলেও বৈশ্বিক বাজারে দাম বাড়লে বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়ে। বৈধ পথে আমদানি না হওয়ার কারণে ব্যাগজ রুলসে আসা স্বর্ণ জোগানের বড় উৎস হয়ে উঠেছে। সে জন্য বিশ্ববাজারের তুলনায় দাম ভরিপ্রতি কয়েক হাজার টাকা বেশি হয়। আবার করোনার পর ডলারের বিপরীতে টাকা দুর্বল হওয়ার কারণেও স্বর্ণের দাম তুলনামূলক বেশি হারে বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক ও আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকস এক পূর্বাভাসে বলেছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৯০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। এদিকে ব্যাংক অব আমেরিকা গ্লোবাল রিসার্চ পূর্বাভাস দিয়েছে, আগামী বছর প্রতি আউন্স সোনার দাম পাঁচ হাজার ডলারে পৌঁছাবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইন-অফলাইন ক্লাসের সময়সূচি ঘোষণা করল ঢাকার নির্দিষ্ট কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

কতটুকু স্বর্ণের গয়না আনা যাবে বিদেশ থেকে শুল্কছাড়া

আপডেট সময় ০৯:৫৬:৫০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

স্বর্ণের দাম দিন দিন বেড়ে চলেছে। এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন দুই লাখ টাকাও ছাড়িয়ে গেছে। বিদেশ থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ স্বর্ণের গয়না আনলে আপনাকে কোনো শুল্ক-কর দিতে হয় না।

ফলে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য এবং অন্য দেশ থেকে দেশে ফেরার সময় আপনি শুল্কমুক্ত সুবিধায় স্বর্ণের গয়না আনতে পারবেন। আবার নির্দিষ্ট পরিমাণ শুল্ক দিয়ে স্বর্ণের বার দেশে আনার সুযোগ আছে।

কতটুকু স্বর্ণের গয়না শুল্কমুক্ত
নতুন ব্যাগেজ বিধিমালা (অপর্যটক যাত্রী ব্যাগেজ বিধিমালা, ২০২৫) অনুসারে, বিদেশফেরত একজন যাত্রী কোনো শুল্ক ছাড়াই বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০০ গ্রাম স্বর্ণের অলংকার আনতে পারবেন। এর মানে, প্রায় আট ভরি ১০ আনার স্বর্ণের গয়না আনলেও কোনো শুল্ক নেই।

এ ছাড়া নতুন বিধিমালার আওতায় তোলাপ্রতি ৫ হাজার টাকা শুল্ক দিয়ে একজন যাত্রী বছরে একবার সর্বোচ্চ ১০ তোলা ওজনের একটি সোনার বার আনতে পারবেন।

কীভাবে আনবেন
যাত্রীরা বাংলাদেশের বিমানবন্দরে নামার পর একটি ফরম পূরণ করতে হয়। ফরমটির নাম ব্যাগেজ ঘোষণা ফরম। সেখানে নিজের নাম, পাসপোর্ট নম্বর, ফ্লাইট নম্বর, জাতীয়তা, কোন দেশ থেকে এসেছেন—এসব তথ্য দিতে হয়। সেখানে জানাতে হয়, শুল্ক দিতে এমন এমন আনা কোনো পণ্য আছে কি না, থাকলে বিবরণী লিখতে হয়।

তবে ১০০ গ্রাম স্বর্ণের অলংকার ও ২০০ গ্রাম রুপার অলংকারের কম থাকলে এসব ফরম পূরণ করতে হবে না। এর বেশি থাকলে বাড়তি অংশের জন্য শুল্ক বসবে।

ব্যাগেজ রুলসের আওতায় শুল্ক বসবে না, এমন কোনো পণ্য থাকলে গ্রিন চ্যানেল দিয়ে সরাসরি বের হয়ে যেতে পারবেন।

দেশে এখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ।

সরাসরি আমদানি না হওয়া কিংবা কমোডিটি এক্সচেঞ্জে বেচাকেনা না হলেও বৈশ্বিক বাজারে দাম বাড়লে বাংলাদেশেও তার প্রভাব পড়ে। বৈধ পথে আমদানি না হওয়ার কারণে ব্যাগজ রুলসে আসা স্বর্ণ জোগানের বড় উৎস হয়ে উঠেছে। সে জন্য বিশ্ববাজারের তুলনায় দাম ভরিপ্রতি কয়েক হাজার টাকা বেশি হয়। আবার করোনার পর ডলারের বিপরীতে টাকা দুর্বল হওয়ার কারণেও স্বর্ণের দাম তুলনামূলক বেশি হারে বেড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক ও আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান গোল্ডম্যান স্যাকস এক পূর্বাভাসে বলেছে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৯০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে। এদিকে ব্যাংক অব আমেরিকা গ্লোবাল রিসার্চ পূর্বাভাস দিয়েছে, আগামী বছর প্রতি আউন্স সোনার দাম পাঁচ হাজার ডলারে পৌঁছাবে।