ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ঢাকার ১২০ মোড়ে বসছে অত্যাধুনিক এআই ক্যামেরা একযোগে বদলি পুলিশের ১২ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা চুক্তির পরেই নিম্নমুখী তেলের বাজার: জ্বালানি সংকটের আশঙ্কায় কিছুটা স্বস্তি শান্তি ও মানবিক কার্যক্রমে নারী নেতৃত্বকে অগ্রাধিকার দেওয়ার আহ্বান বাংলাদেশের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নতুন দায়িত্ব পেলেন ডা. জাহিদ নারায়ণগঞ্জে গৃহবধূর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক পূর্বধলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছ কাটার অভিযোগ ২৫০ বছর পর আমেরিকা কি আর থাকবে? অনিশ্চয়তায় ভুগছে ৩৮ শতাংশ মার্কিনি বোমা মেরে পুরো পৃথিবী ধ্বংস করতে চান নেতানিয়াহু জানিয়েছেন ট্রাম্প
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

চুয়াডাঙ্গা ‘মদপানে’ ৬ জনের মৃত্যু কবর থেকে তোলা হল চার মরদেহ

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫
  • ১১৬ বার পড়া হয়েছে

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ এলাকায় ‘মদপানে’ ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনায় চারজনের মরদেহ আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার পৃথক চারটি গ্রাম থেকে মরদেহগুলো তোলা হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হোসেন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার পিরোজখালি গ্রামের লাল্টু হোসেন (৫২), খেজুরা গ্রামের মোহাম্মদ সেলিম (৪৫), নফরকান্দি গ্রামের খেদের আলী (৪০) ও শঙ্ককরচন্দ্র গ্রামের শহিদুল মোল্লা (৪৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ অক্টোবর রাতে ডিঙ্গেদহ বাজারে কয়েকজন মিলে অ্যালকোহল পান করেন। এরপর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরমধ্যে ১১ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়। সর্বশেষ রোববার অসুস্থ হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যুর পরই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তবে এরই মধ্যে ‘মদপানে’ মৃত্যুর বিষয়টি গোপন করে মরদেহ দাফনের ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ এ ঘটনায় ১৩ অক্টোবর মৃত লাল্টুর ছোট ভাই রকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে ৩০৪ ধারায় মামলা করেন।

পুলিশ পরিদর্শক হোসেন আলী বলেন, গত ৯ অক্টোবর রাতে সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ এলাকার কয়েকজন শ্রমিক এক সঙ্গে মদ পান করে। পরে ১১ অক্টোবর অসুস্থ হয়ে মারা যায় চার জন। সেদিনই তাদের মরদেহ গোপনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করে পরিবারের লোকজন। পরদিন ১২ অক্টোবর মারা যায় আরও দুজন। তখন বিষয়টি জানাজানি হয় এবং পুলিশ ওই দুজনের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পর বিষাক্ত মদ বিক্রির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ ফারুক আহমেদ (৪০) নামের এক জনকে আটক করে পুলিশ। তাকে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

চারটি মরদেহ উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ পরিদর্শক হোসেন আলী বলেন, মঙ্গলবার আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্ত ছাড়া দাফন হওয়া চার জনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। সেগুলো চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

চুয়াডাঙ্গা ‘মদপানে’ ৬ জনের মৃত্যু কবর থেকে তোলা হল চার মরদেহ

আপডেট সময় ০২:৩২:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫

চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ এলাকায় ‘মদপানে’ ছয়জনের মৃত্যুর ঘটনায় চারজনের মরদেহ আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার পৃথক চারটি গ্রাম থেকে মরদেহগুলো তোলা হয়। চুয়াডাঙ্গা সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) মো. হোসেন আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহতরা হলেন- সদর উপজেলার পিরোজখালি গ্রামের লাল্টু হোসেন (৫২), খেজুরা গ্রামের মোহাম্মদ সেলিম (৪৫), নফরকান্দি গ্রামের খেদের আলী (৪০) ও শঙ্ককরচন্দ্র গ্রামের শহিদুল মোল্লা (৪৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ অক্টোবর রাতে ডিঙ্গেদহ বাজারে কয়েকজন মিলে অ্যালকোহল পান করেন। এরপর তারা অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরমধ্যে ১১ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়। সর্বশেষ রোববার অসুস্থ হয়ে সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যুর পরই বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। তবে এরই মধ্যে ‘মদপানে’ মৃত্যুর বিষয়টি গোপন করে মরদেহ দাফনের ঘটনা ঘটে। সর্বশেষ এ ঘটনায় ১৩ অক্টোবর মৃত লাল্টুর ছোট ভাই রকিবুল ইসলাম বাদী হয়ে ৩০৪ ধারায় মামলা করেন।

পুলিশ পরিদর্শক হোসেন আলী বলেন, গত ৯ অক্টোবর রাতে সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ এলাকার কয়েকজন শ্রমিক এক সঙ্গে মদ পান করে। পরে ১১ অক্টোবর অসুস্থ হয়ে মারা যায় চার জন। সেদিনই তাদের মরদেহ গোপনে ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করে পরিবারের লোকজন। পরদিন ১২ অক্টোবর মারা যায় আরও দুজন। তখন বিষয়টি জানাজানি হয় এবং পুলিশ ওই দুজনের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনার পর বিষাক্ত মদ বিক্রির সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ ফারুক আহমেদ (৪০) নামের এক জনকে আটক করে পুলিশ। তাকে দায়ের হওয়া মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

চারটি মরদেহ উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করে পুলিশ পরিদর্শক হোসেন আলী বলেন, মঙ্গলবার আদালতের নির্দেশে ময়নাতদন্ত ছাড়া দাফন হওয়া চার জনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। সেগুলো চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল মর্গে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে।