ময়মনসিংহ , শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয় বলেছেন জামায়াত আমির সরকার সার সংকটের অভিযোগ এড়াতে চাইছে বলে মন্তব্য করেছেন নাহিদ ইসলাম এক স্থানে ডিলার পয়েন্ট, অন্য স্থানে গুদাম: পীরগঞ্জে সার কিনতে গিয়ে চরম ভোগান্তিতে কৃষকরা কেরানীগঞ্জে ৬০ পুরিয়া হেরোইনসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেফতার সীমান্তে বিজিবির কঠোর অভিযান: উদ্ধার ৫ হাজার পিস ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টর যুব উন্নয়ন ও মানবিক সেবায় পূর্বধলায় স্বর্ণ সুধা যুব উন্নয়ন সমিতি ময়মনসিংহের গৌরীপুরে গুজিখার কেরামতিয়া মসজিদের উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুস ও আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত নেপালে ত্রাণ-উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তার জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার আশায় বিশ্ববাজারে ফের কমল জ্বালানি তেলের দাম আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

কঠোর নির্দেশনা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ব্যবহারে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫৯:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
  • ১৪৪ বার পড়া হয়েছে

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও খাতা মূল্যায়নের মতো সংবেদনশীল বিষয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শিক্ষা প্রশাসন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ফেসবুকসহ সব সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

গত বুধবার (২২ অক্টোবর) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা সামাজিকমাধ্যমে এমন কোনো তথ্য, ছবি বা মতামত প্রচার করতে পারবেন না যা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে, প্রশাসনিক গোপনীয়তা ভঙ্গ করে বা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।

মাউশির নির্দেশনায় স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের নিজস্ব ফেসবুক, টিকটক বা ইউটিউব আইডিতে ব্যক্তিগত মত প্রকাশের সময় সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি মেনে চলবেন। শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও স্কুল-কলেজ প্রশাসনকে সক্রিয় নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে, যাতে পরীক্ষার প্রশ্ন, ফলাফল বা গোপন নথি সামাজিক মাধ্যমে ছড়াতে না পারে।

অধিদপ্তর মনে করে, দায়িত্বশীল আচরণ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষকদের উপস্থিতি এখন বড় ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ডিজিটাল নৈতিকতা’ ও ‘সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা’ বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত। তাই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল ব্যবহার না হলে সেটি নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মক্কা প্যাক্টে যোগদান বাংলাদেশের নিজস্ব বিষয় বলেছেন জামায়াত আমির

কঠোর নির্দেশনা শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ফেসবুক ব্যবহারে

আপডেট সময় ০৮:৫৯:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও খাতা মূল্যায়নের মতো সংবেদনশীল বিষয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে শিক্ষা প্রশাসন। এর পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ফেসবুকসহ সব সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

গত বুধবার (২২ অক্টোবর) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধানের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা সামাজিকমাধ্যমে এমন কোনো তথ্য, ছবি বা মতামত প্রচার করতে পারবেন না যা প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করে, প্রশাসনিক গোপনীয়তা ভঙ্গ করে বা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।

মাউশির নির্দেশনায় স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়, সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাদের নিজস্ব ফেসবুক, টিকটক বা ইউটিউব আইডিতে ব্যক্তিগত মত প্রকাশের সময় সরকারি চাকরির শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি মেনে চলবেন। শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেও স্কুল-কলেজ প্রশাসনকে সক্রিয় নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে, যাতে পরীক্ষার প্রশ্ন, ফলাফল বা গোপন নথি সামাজিক মাধ্যমে ছড়াতে না পারে।

অধিদপ্তর মনে করে, দায়িত্বশীল আচরণ ছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষকদের উপস্থিতি এখন বড় ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘ডিজিটাল নৈতিকতা’ ও ‘সাইবার নিরাপত্তা সচেতনতা’ বিষয়ে সচেতনতামূলক কর্মশালা আয়োজনেরও সুপারিশ করা হয়েছে।

এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে জানান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত। তাই শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল ব্যবহার না হলে সেটি নিরাপত্তার ঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশের আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।