ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
২৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ স্ত্রীসহ সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমারের বার্ষিক আয় ৬ কোটি ২২ লাখ সালাহউদ্দিনের , স্ত্রীর ১ কোটি টাকার শেয়ার র‍্যাবকে রাজনৈতিকভাবে এক ঘণ্টার জন্যও ব্যবহার করিনি বললেন বাবর জিয়া উদ্যান এলাকায় কড়া নিরাপত্তা, হাফেজরা ভেতরে কুরআন পাঠ করছেন শতভাগ বই পেয়েছে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন প্রাথমিকশিক্ষা উপদেষ্টা পুরো বাংলাদেশই আমার পরিবার হয়ে উঠেছে বললেন তারেক রহমান যুবককে কুপিয়ে হত্যা হাজারীবাগে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সদর দপ্তর স্থাপনের ভূমি ও গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান ৬.০ মাত্রার ভূমিকম্প জাপানের উত্তর উপকূলে ‘ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠক’ জামায়াত আমিরের সংবাদের তীব্র নিন্দা
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

ষষ্ঠ দিনের অবস্থান কর্মসূচি রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তি ও বকেয়া বেতনের দাবিতে

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিএমআরসি ভবনে অবস্থিত কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট অফিসে ১৬ মাসের বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে ষষ্ঠ দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) কর্মীরা।

আজ রোববার (৯ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর বিএমআরসি ভবনে অবস্থিত কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট অফিসে ষষ্ঠ দিনের মতো কর্মসূচি শুরু করেন তারা।

তাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর সিএইচসিপি পদটি রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও, প্রশাসনিক জটিলতায় ২০২৩ ব্যাচকে রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা হয়নি। অথচ ২০১১, ২০১৫ ও ২০১৮ সালের ব্যাচের কর্মীরা একই আইনের আওতায় রাজস্বখাতে স্থায়ী হয়েছেন এবং নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন।

কর্মীরা জানান, বেতন বন্ধ থাকলেও তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন, ক্লিনিকের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ বলেন, “আমরা আইন অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত, নিরলসভাবে কাজ করছি। অথচ প্রশাসনিক গাফিলতিতে আমরা পথে বসেছি। স্বাস্থ্যসেবার নামে তৈরি এই কাঠামো এখন কর্মীদের ক্ষুধায় রাখছে। যতক্ষণ পর্যন্ত না বকেয়া বেতন ও রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তি সম্পন্ন হয়, আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

আরেক আন্দোলনকারী জহিরুল ইসলাম বলেন বলেন, “আমাদের জন্য রাজস্বখাতে পদ সৃজন করা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয় বরাদ্দ দিয়েছে, জনপ্রশাসনের অনুমতিও আছে। তবুও আমরা বেতন পাচ্ছি না—এটা কেমন রাষ্ট্রীয় প্রহসন?”

আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবিগুলো হচ্ছে, নিয়মিত বেতন প্রদান, ১৬ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ, ট্রাস্টের সাংগঠনিক কাঠামোয় সৃজিত পদে স্থায়ী নিয়োগ ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২৮টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের নির্দেশ স্ত্রীসহ সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমারের

ষষ্ঠ দিনের অবস্থান কর্মসূচি রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তি ও বকেয়া বেতনের দাবিতে

আপডেট সময় ০১:৩৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বিএমআরসি ভবনে অবস্থিত কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট অফিসে ১৬ মাসের বকেয়া বেতন ভাতার দাবিতে ষষ্ঠ দিনের মতো অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) কর্মীরা।

আজ রোববার (৯ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর বিএমআরসি ভবনে অবস্থিত কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাস্ট অফিসে ষষ্ঠ দিনের মতো কর্মসূচি শুরু করেন তারা।

তাদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর সিএইচসিপি পদটি রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্ত করা হলেও, প্রশাসনিক জটিলতায় ২০২৩ ব্যাচকে রাজস্বখাতে স্থানান্তর করা হয়নি। অথচ ২০১১, ২০১৫ ও ২০১৮ সালের ব্যাচের কর্মীরা একই আইনের আওতায় রাজস্বখাতে স্থায়ী হয়েছেন এবং নিয়মিত বেতন পাচ্ছেন।

কর্মীরা জানান, বেতন বন্ধ থাকলেও তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন, ক্লিনিকের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন।

আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক রাসেল আহমেদ বলেন, “আমরা আইন অনুযায়ী নিয়োগপ্রাপ্ত, নিরলসভাবে কাজ করছি। অথচ প্রশাসনিক গাফিলতিতে আমরা পথে বসেছি। স্বাস্থ্যসেবার নামে তৈরি এই কাঠামো এখন কর্মীদের ক্ষুধায় রাখছে। যতক্ষণ পর্যন্ত না বকেয়া বেতন ও রাজস্বখাতে অন্তর্ভুক্তি সম্পন্ন হয়, আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।”

আরেক আন্দোলনকারী জহিরুল ইসলাম বলেন বলেন, “আমাদের জন্য রাজস্বখাতে পদ সৃজন করা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয় বরাদ্দ দিয়েছে, জনপ্রশাসনের অনুমতিও আছে। তবুও আমরা বেতন পাচ্ছি না—এটা কেমন রাষ্ট্রীয় প্রহসন?”

আন্দোলনকারীদের তিন দফা দাবিগুলো হচ্ছে, নিয়মিত বেতন প্রদান, ১৬ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ, ট্রাস্টের সাংগঠনিক কাঠামোয় সৃজিত পদে স্থায়ী নিয়োগ ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ।