ময়মনসিংহ , সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ময়মনসিংহে ৪৪ তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন আমরা দুর্নীতি করবো না, করতে দেব না বলেছেন শিক্ষামন্ত্রী দলীয় পরিচয়ে চাঁদাবাজির সুযোগ দেবে না সরকার বললেন ববি হাজ্জাজ বিএনপি নেত্রী সেলিমা রহমান গুরুতর অসুস্থ হয়ে সিসিইউতে আরেক কোটিপতি ড্রাইভারের সন্ধান পিএসসির সেই আবেদ আলীর পর সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভোটকে অস্বীকার করা মানে জুলাই আন্দোলনকে অস্বীকার বললেন রফিকুল ইসলাম খান মাত্র ৫ টাকা নিয়ে বিরোধ, বড় ভাইয়ের হাতে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের লক্ষ্মীপুরে বাংলাদেশ নির্বাচন-পরবর্তী অর্থনীতি ও পোশাক খাতে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি বিএনপি থেকে এগিয়ে যারা সংরক্ষিত নারী আসনে
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

বিদেশফেরত যাত্রীরা বিনা শুল্কে ১টি নতুন ও ২টি ব্যবহৃত মুঠোফোন আনতে পারবেন

  • ডিজিটাল রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫০ বার পড়া হয়েছে

‘অপর্যটক ব্যাগেজ রুলস’ অনুসারে, বিদেশফেরত একজন যাত্রী বিনা শুল্কে মোট তিনটি মুঠোফোন আনতে পারবেন, যার মধ্যে একটি নতুন এবং দুটি ব্যবহৃত হতে পারবে। অর্থাৎ, নিজের ব্যবহারের জন্য দুটি ব্যবহৃত ফোনের পাশাপাশি একটি নতুন ফোন আনা যাবে।

এর চেয়ে বেশি নতুন ফোন আনা হলে যাত্রীকে শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হবে, যার সর্বোচ্চ পরিমাণ হলো ২৫ হাজার টাকা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক বিভাগ সূত্র অনুযায়ী, কোনো যাত্রী যদি একটির বেশি নতুন মুঠোফোন নিয়ে আসেন, তবে দামের ভিত্তিতে তাকে বাড়তি শুল্ক-কর দিতে হবে।

৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের মুঠোফোনে শুল্ক-কর দিতে হবে ৫ হাজার টাকা। মুঠোফোনের দাম ৩০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা হলে শুল্ক-কর দিতে হবে ১০ হাজার টাকা। আর মুঠোফোনের মূল্য ৬০ হাজার টাকার বেশি হলে শুল্ক-কর দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা।

ব্যাগেজ রুলস অনুসারে, মুঠোফোন ছাড়াও সব মিলিয়ে ১৯ ধরনের পণ্য বিনা শুল্কে এবং ১১ ধরনের পণ্য শুল্ক-কর পরিশোধ করে আনা যায়। বিনা শুল্কে আনা যাবে এমন পণ্যের তালিকায় আছে—১৫ বর্গমিটার আয়তনবিশিষ্ট কার্পেট, ২৯ ইঞ্চি পর্যন্ত টেলিভিশন, ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ, কম্পিউটার স্ক্যানার, প্রিন্টার, ভিডিও ক্যামেরা, স্টিল বা ডিজিটাল ক্যামেরা, ওভেন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন, বিভিন্ন গৃহস্থালি সরঞ্জাম (রাইস কুকার, প্রেসার কুকার, গ্যাস ওভেন ইত্যাদি), সেলাই মেশিন, টেবিল ফ্যান, ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য খেলার সামগ্রী, ১০০ গ্রাম ওজনের সোনার গয়না, এক কার্টন সিগারেট এবং সিডি ও স্পিকারসহ মিউজিক সিস্টেম।

অন্যদিকে, শুল্ক-কর পরিশোধ করে যে ১১ ধরনের পণ্য আনা যায়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—১১৭ গ্রাম ওজনের স্বর্ণবার (এ জন্য ৪০ হাজার টাকা শুল্ক-কর দিতে হবে), ২৩৪ গ্রাম বা ২০ তোলা রৌপ্যবার, ৩০ ইঞ্চি ও তদূর্ধ্ব টেলিভিশন, হোম থিয়েটার, রেফ্রিজারেটর ও ডিপ ফ্রিজার, এয়ারকন্ডিশনার, ডিশ অ্যানটেনা, এইচডি ক্যামেরা, ঝাড়বাতি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে এয়ারগান এবং ডিশওয়াশার বা ওয়াশিং মেশিন বা ক্লথ ড্রায়ার। এসব পণ্যে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ময়মনসিংহে ৪৪ তম জাতীয় ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর বর্ণাঢ্য উদ্বোধন

বিদেশফেরত যাত্রীরা বিনা শুল্কে ১টি নতুন ও ২টি ব্যবহৃত মুঠোফোন আনতে পারবেন

আপডেট সময় ০৯:৪৪:১২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

‘অপর্যটক ব্যাগেজ রুলস’ অনুসারে, বিদেশফেরত একজন যাত্রী বিনা শুল্কে মোট তিনটি মুঠোফোন আনতে পারবেন, যার মধ্যে একটি নতুন এবং দুটি ব্যবহৃত হতে পারবে। অর্থাৎ, নিজের ব্যবহারের জন্য দুটি ব্যবহৃত ফোনের পাশাপাশি একটি নতুন ফোন আনা যাবে।

এর চেয়ে বেশি নতুন ফোন আনা হলে যাত্রীকে শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হবে, যার সর্বোচ্চ পরিমাণ হলো ২৫ হাজার টাকা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) শুল্ক বিভাগ সূত্র অনুযায়ী, কোনো যাত্রী যদি একটির বেশি নতুন মুঠোফোন নিয়ে আসেন, তবে দামের ভিত্তিতে তাকে বাড়তি শুল্ক-কর দিতে হবে।

৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত দামের মুঠোফোনে শুল্ক-কর দিতে হবে ৫ হাজার টাকা। মুঠোফোনের দাম ৩০ হাজার থেকে ৬০ হাজার টাকা হলে শুল্ক-কর দিতে হবে ১০ হাজার টাকা। আর মুঠোফোনের মূল্য ৬০ হাজার টাকার বেশি হলে শুল্ক-কর দিতে হবে ২৫ হাজার টাকা।

ব্যাগেজ রুলস অনুসারে, মুঠোফোন ছাড়াও সব মিলিয়ে ১৯ ধরনের পণ্য বিনা শুল্কে এবং ১১ ধরনের পণ্য শুল্ক-কর পরিশোধ করে আনা যায়। বিনা শুল্কে আনা যাবে এমন পণ্যের তালিকায় আছে—১৫ বর্গমিটার আয়তনবিশিষ্ট কার্পেট, ২৯ ইঞ্চি পর্যন্ত টেলিভিশন, ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ, কম্পিউটার স্ক্যানার, প্রিন্টার, ভিডিও ক্যামেরা, স্টিল বা ডিজিটাল ক্যামেরা, ওভেন ও মাইক্রোওয়েভ ওভেন, বিভিন্ন গৃহস্থালি সরঞ্জাম (রাইস কুকার, প্রেসার কুকার, গ্যাস ওভেন ইত্যাদি), সেলাই মেশিন, টেবিল ফ্যান, ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য খেলার সামগ্রী, ১০০ গ্রাম ওজনের সোনার গয়না, এক কার্টন সিগারেট এবং সিডি ও স্পিকারসহ মিউজিক সিস্টেম।

অন্যদিকে, শুল্ক-কর পরিশোধ করে যে ১১ ধরনের পণ্য আনা যায়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—১১৭ গ্রাম ওজনের স্বর্ণবার (এ জন্য ৪০ হাজার টাকা শুল্ক-কর দিতে হবে), ২৩৪ গ্রাম বা ২০ তোলা রৌপ্যবার, ৩০ ইঞ্চি ও তদূর্ধ্ব টেলিভিশন, হোম থিয়েটার, রেফ্রিজারেটর ও ডিপ ফ্রিজার, এয়ারকন্ডিশনার, ডিশ অ্যানটেনা, এইচডি ক্যামেরা, ঝাড়বাতি, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুমতি নিয়ে এয়ারগান এবং ডিশওয়াশার বা ওয়াশিং মেশিন বা ক্লথ ড্রায়ার। এসব পণ্যে ৩০০ টাকা থেকে শুরু করে ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত শুল্ক-কর পরিশোধ করতে হয়।