ময়মনসিংহ , বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুবককে কুপিয়ে হত্যা হাজারীবাগে ময়মনসিংহ বিভাগীয় সদর দপ্তর স্থাপনের ভূমি ও গ্যাস পাইপলাইন প্রকল্প পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক সাইফুর রহমান ৬.০ মাত্রার ভূমিকম্প জাপানের উত্তর উপকূলে ‘ভারতের সঙ্গে গোপন বৈঠক’ জামায়াত আমিরের সংবাদের তীব্র নিন্দা ছুরিকাঘাতের পর আগুনে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা শরীয়তপুরে ‘গ্রাম্য চিকিৎসককে’ সরকারি চাকরিজীবীরা ২০২৬ সালে ২৮ দিন ছুটি পাবেন বিজেপি নেতা মুস্তাফিজ ইস্যুতে শাহরুখকে ‘গাদ্দার’ বললেন ১৩ ডিগ্রিতে ঢাকার সকাল বছরের প্রথম দিনেই প্রাথমিক ও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা নতুন পাঠ্যবই পাচ্ছে ভিসার জন্য বিশেষ অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনুরোধ নয় জানিয়েছে জার্মান দূতাবাস
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

মাদারীপুর থেকে উদ্ধার বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘নিখোঁজ’ কর্মকর্তাকে

  • ডিজিটাল ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘নিখোঁজ’ উপ-পরিচালক সৈয়দ নাঈম রহমানের খোঁজ মিলেছে। মঙ্গলবার মাদারীপুর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত রোববার দুপুরে তিনি অফিস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকে পরিবার ও সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।

ওইদিন এ বিষয়ে ঢাকার মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তাঁর মা সাজ্জাদা রহমান জলি।

জানা গেছে, মাদারীপুরের একটি হোটেলে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। পুলিশ তার নাম্বার ট্র্যাকিং করে তার অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করে আসছিল। মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুরে তার অবস্থান শনাক্ত হয়। এরপর রাতে একটি হোটেল থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

জানতে চাইলে মাসুম বিল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, নাঈমকে পাওয়া গেছে। কেন, কীভাবে সেখানে গেছেন এটা পরে জানা যাবে।

রোববার নাঈমের মা যে সাধারণ ডায়েরি করেন সেখানে উল্লেখ করেন, গত ৯ নভেম্বর আমার ছেলে উত্তর পীরেরবাগের নিজ বাসা থেকে সকাল ১০টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেনি। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংক তার ‘নিখোঁজের’ পর জানিয়েছিল, রোববার সকালে তিনি অফিসে আসেন। দুপুর ১২টার পর নিজের ব্যাগ ও আইডি কার্ড রেখে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দুপুর ১২টা ৫৩ মিনিটে এক সহকর্মীকে শেষবারের মতো একটি এসএমএস দেন।

সেখানে তিনি লেখেন, আমার আর্থিক অবস্থার জন্য আমি মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়েছি। অফিসেও কয়েকজনের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কিন্তু এখন দিতে পারছি না। মুখ দেখানোর মতো অবস্থা নেই।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘পারলে আমার ছোট বোনটার জন্য একটা চাকরি জোগাড় করে দিবেন। না হলে আমার পরিবার চলতে পারবে না। ভাই হিসেবে এটা আমার শেষ অনুরোধ… পারলে একটু দেখবেন। আমার স্ত্রী ও তার পরিবার ভালো অবস্থায় আছে। তাই আমার স্ত্রী ও সন্তান ভালোই থাকবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু আমার মা আর ছোট বোন আমাকে ছাড়া অসহায় হয়ে যাবে।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

যুবককে কুপিয়ে হত্যা হাজারীবাগে

মাদারীপুর থেকে উদ্ধার বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘নিখোঁজ’ কর্মকর্তাকে

আপডেট সময় ০৯:০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘নিখোঁজ’ উপ-পরিচালক সৈয়দ নাঈম রহমানের খোঁজ মিলেছে। মঙ্গলবার মাদারীপুর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে গত রোববার দুপুরে তিনি অফিস থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকে পরিবার ও সহকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিল।

ওইদিন এ বিষয়ে ঢাকার মিরপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তাঁর মা সাজ্জাদা রহমান জলি।

জানা গেছে, মাদারীপুরের একটি হোটেলে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন। পুলিশ তার নাম্বার ট্র্যাকিং করে তার অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা করে আসছিল। মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুরে তার অবস্থান শনাক্ত হয়। এরপর রাতে একটি হোটেল থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

জানতে চাইলে মাসুম বিল্লাহ গণমাধ্যমকে বলেন, নাঈমকে পাওয়া গেছে। কেন, কীভাবে সেখানে গেছেন এটা পরে জানা যাবে।

রোববার নাঈমের মা যে সাধারণ ডায়েরি করেন সেখানে উল্লেখ করেন, গত ৯ নভেম্বর আমার ছেলে উত্তর পীরেরবাগের নিজ বাসা থেকে সকাল ১০টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকে যাওয়ার পর আর ফিরে আসেনি। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

বাংলাদেশ ব্যাংক তার ‘নিখোঁজের’ পর জানিয়েছিল, রোববার সকালে তিনি অফিসে আসেন। দুপুর ১২টার পর নিজের ব্যাগ ও আইডি কার্ড রেখে বেরিয়ে যান। এরপর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। দুপুর ১২টা ৫৩ মিনিটে এক সহকর্মীকে শেষবারের মতো একটি এসএমএস দেন।

সেখানে তিনি লেখেন, আমার আর্থিক অবস্থার জন্য আমি মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়েছি। অফিসেও কয়েকজনের কাছ থেকে ধার নিয়েছি, কিন্তু এখন দিতে পারছি না। মুখ দেখানোর মতো অবস্থা নেই।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘পারলে আমার ছোট বোনটার জন্য একটা চাকরি জোগাড় করে দিবেন। না হলে আমার পরিবার চলতে পারবে না। ভাই হিসেবে এটা আমার শেষ অনুরোধ… পারলে একটু দেখবেন। আমার স্ত্রী ও তার পরিবার ভালো অবস্থায় আছে। তাই আমার স্ত্রী ও সন্তান ভালোই থাকবে ইনশাআল্লাহ। কিন্তু আমার মা আর ছোট বোন আমাকে ছাড়া অসহায় হয়ে যাবে।’