ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, আজীবন জনগণের পাশে থেকে তাদের সেবা এবং দেশ ও জাতির কল্যাণে কাজ করার জন্য আমি আমার জীবন উৎসর্গ করেছি।
তিনি বলেন, জনপ্রতিনিধি তার জবাবদিহিতা বজায় রেখে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখবে। আমরা প্রতিনিয়ত আপনাদের সঙ্গে মতবিনিময় করব এবং সব সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করব।
ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেন, তার রাজনীতির প্রেরণা তার বাবা, যিনি তার রোল মডেল এবং হিরো। যেভাবে তিনি জনগণের পাশে ছিলেন, আমার জীবন জনগণের সেবা এবং দেশের কল্যাণে উৎসর্গ করেছি।
ইশরাক হোসেন উল্লেখ করেন, বিগত ১৭ বছরে মেগা প্রজেক্ট ও উন্নয়ন হয়েছে, কিন্তু ঢাকার যানজট, দূষণ, জলাবদ্ধতা, মশাবাহিত রোগ এবং গ্যাস সংকটের মতো সমস্যা অক্ষুণ্ণ রয়েছে। তিনি বলেন, নির্বাচিত হলে রাতারাতি সব সমস্যার সমাধান হবে এ ধরনের মিথ্যা আশা আমরা দেব না। আমরা সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছি এবং স্থানীয়ভাবে বা প্রয়োজনে সংসদে উত্থাপন করব।
তিনি নাগরিক অধিকার ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, এই এলাকার প্রায় ৫০–৬০ শতাংশ জনগণ হিন্দু ধর্মালম্বী। কেউ মাইনরিটি নয়, সবাই বাংলাদেশি। ধর্ম, বর্ণ, ধনী-গরীব নির্বিশেষে আমাদের দেশ সবার।
ভোট প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা নিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক মহিলা কেন্দ্রে পোলিং এজেন্ট মহিলারাই থাকবেন। আইডেন্টিটি যাচাইয়ের পর ব্যালট ইস্যু করা হবে। আমরা সতর্ক এবং প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি।
তিনি নারীর ক্ষমতায়নকে গুরুত্ব দিয়ে বলেন, এই আসনে ৫১.৬ শতাংশ ভোটার নারী। আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা একটা অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন। বিশেষ করে নারী নেতৃত্বকে একটা পুনর্জাগরণ তিনি বাংলাদেশে ঘটিয়েছেন। কিন্তু তারপরেও আমরা চাই যে আরো বেশি নারীরা আমাদের এই ধরনের মতবিনিময় সভা হোক বা অন্যান্য সামাজিক কর্মকাণ্ড অথবা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে উনারা অংশগ্রহণ করুক। নারীর সমান অধিকারে আমরা শতভাগ বিশ্বাস করি এবং এটি আমাদের কর্মকাণ্ডে প্রমাণ করব।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়ারী থানা বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাব্বির আহমেদ আরিফ, যুগ্ম আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাম্মেল হক মুক্তাসহ প্রমুখ।

ডিজিটাল ডেস্ক 





















