ময়মনসিংহ , বুধবার, ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
​আইনি সংস্কারের পথে বড় পদক্ষেপ: সংসদে পাস হলো অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ বিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতি তামিমকে অভিনন্দন জানালেন শিক্ষায় বরাদ্দ বাড়ছে, ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন হচ্ছে পরিকল্পনা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী দেশের ২৮৪৭টি গ্রামে কোনো প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী: ৩ মে নয়, সারাদেশে হামের টিকা শুরু ২০ এপ্রিল ২১ এপ্রিল সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে নীরবতা: নিজ দেশেই তোপের মুখে নেতানিয়াহু মার্কিন নাগরিকদের জন্য সতর্কতা: হজে না যাওয়ার পরামর্শ দূতাবাসের রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষার অবসান: উন্মুক্ত হচ্ছে হরমুজ, কমছে তেলের দাম ধর্ষণেরস্বীকার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী তরুণী
নোটিশ :
প্রতিটি জেলা- উপজেলায় একজন করে ভিডিও প্রতিনিধি আবশ্যক। যোগাযোগঃ- Email- matiomanuss@gmail.com. Mobile No- 017-11684104, 013-03300539.

আমার পক্ষে যারা কাজ করছে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বললেন মাহমুদুর রহমান মান্না

  • স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট সময় ১০:৫৫:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১২৬ বার পড়া হয়েছে

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে কেতলি প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া এবং ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেন।

গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বগুড়া-২ আসন থেকে তিনি যাতে নির্বাচন করতে না পারেন, সে জন্য শুরু থেকেই বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি ঋণখেলাপি ছিলাম না। আমার একটি ব্যবসা ছিল, সেখানে ঋণ নেওয়া হয়েছিল। নানা কারণে ব্যবসাটি পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। গত ১০-১৫ বছর স্বৈরাচারী শাসনের সময় আমি এলাকায় ঠিকমতো যেতে পারিনি, এমনকি দুই বছর কারাগারেও ছিলাম।

তিনি জানান, পরে ব্যাংকের স্থানীয় শাখা ব্যবস্থাপককে শাস্তিমূলক বদলি করা হয় এবং ঋণ পুনঃতফসিল করা হলেও ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় চিঠি না দেওয়ায় আদালতে যেতে হয়, এতে সময় নষ্ট হয়।

মান্না অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন পর সম্প্রতি এলাকায় আসার পর থেকেই তিনি দেখতে পাচ্ছেন, তার পক্ষে যারা কাজ করছেন তাদের বিরুদ্ধে ‘অ্যাকশন’ নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভোটার, কৃষক, গৃহবধূ এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের মামলা দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখানো হচ্ছে। পাশাপাশি এলাকায় শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, নাগরিক ঐক্যের নারী সংগঠনের সদস্যরা সোমবার কেতলির পক্ষে প্রচারণা চালাতে গেলে শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা ও দেউলি এলাকায় তাদের পথরোধ করা হয়। হ্যান্ড মাইকে প্রচারণা চালালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ভয় দেখানো হয়। এমনকি থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মান্নার অভিযোগ, ব্যবসায়ীদেরও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। “তোমাকে অমুক মিছিলে দেখেছি, ১২ তারিখের পর ব্যবসা করতে পারবে না”—এমন কথাও বলা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, আমি চাই পরিস্থিতির পরিবর্তন হোক, যাতে সুষ্ঠু ভোট হয়। যে জিতবে, সে জিতবে। মানুষ যেন ভয় ছাড়া ভোট দিতে পারে এবং ভোটের রায় সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়—এটাই গণতন্ত্র।

নির্বাচন কমিশন বা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করা হয়নি, তবে প্রয়োজনে তা করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

​আইনি সংস্কারের পথে বড় পদক্ষেপ: সংসদে পাস হলো অন্তর্বর্তী সরকারের ৫ বিল

আমার পক্ষে যারা কাজ করছে তাদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বললেন মাহমুদুর রহমান মান্না

আপডেট সময় ১০:৫৫:১১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে কেতলি প্রতীকের নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়া এবং ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ করেছেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। তিনি বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলমের বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ করেন।

গত মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টায় বগুড়া প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, বগুড়া-২ আসন থেকে তিনি যাতে নির্বাচন করতে না পারেন, সে জন্য শুরু থেকেই বিভিন্ন ইস্যু তৈরি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমি ঋণখেলাপি ছিলাম না। আমার একটি ব্যবসা ছিল, সেখানে ঋণ নেওয়া হয়েছিল। নানা কারণে ব্যবসাটি পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি। গত ১০-১৫ বছর স্বৈরাচারী শাসনের সময় আমি এলাকায় ঠিকমতো যেতে পারিনি, এমনকি দুই বছর কারাগারেও ছিলাম।

তিনি জানান, পরে ব্যাংকের স্থানীয় শাখা ব্যবস্থাপককে শাস্তিমূলক বদলি করা হয় এবং ঋণ পুনঃতফসিল করা হলেও ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় চিঠি না দেওয়ায় আদালতে যেতে হয়, এতে সময় নষ্ট হয়।

মান্না অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন পর সম্প্রতি এলাকায় আসার পর থেকেই তিনি দেখতে পাচ্ছেন, তার পক্ষে যারা কাজ করছেন তাদের বিরুদ্ধে ‘অ্যাকশন’ নেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। ভোটার, কৃষক, গৃহবধূ এবং ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাদের মামলা দিয়ে ফাঁসানোর ভয় দেখানো হচ্ছে। পাশাপাশি এলাকায় শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা চলছে।

তিনি আরও বলেন, নাগরিক ঐক্যের নারী সংগঠনের সদস্যরা সোমবার কেতলির পক্ষে প্রচারণা চালাতে গেলে শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলা ও দেউলি এলাকায় তাদের পথরোধ করা হয়। হ্যান্ড মাইকে প্রচারণা চালালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও ভয় দেখানো হয়। এমনকি থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ মামলা গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ করেন তিনি।

মান্নার অভিযোগ, ব্যবসায়ীদেরও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। “তোমাকে অমুক মিছিলে দেখেছি, ১২ তারিখের পর ব্যবসা করতে পারবে না”—এমন কথাও বলা হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি বলেন, আমি চাই পরিস্থিতির পরিবর্তন হোক, যাতে সুষ্ঠু ভোট হয়। যে জিতবে, সে জিতবে। মানুষ যেন ভয় ছাড়া ভোট দিতে পারে এবং ভোটের রায় সঠিকভাবে প্রতিফলিত হয়—এটাই গণতন্ত্র।

নির্বাচন কমিশন বা প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ করা হয়নি, তবে প্রয়োজনে তা করা হবে।